22 C
Dhaka, BD
Home Blog

চারজাতি ফুটবল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ

4

স্পোর্টস ডেস্ক : ২৫ মার্চ আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচটি হচ্ছে নাকি হচ্ছে না? হ্যা বা না কিছুই বলেনি এএফসি। বাংলাদেশ অনড় নির্ধারিত সময়ে ম্যাচটি সিলেটে আয়োজন করতে। অন্যদিকে আফগানিস্তান না আসার সিদ্ধান্তে অটল।

গত সপ্তাহেই বিষয়টি ফয়সালা করার কথা ছিল এএফসির। পরে বাফুফেকে মেইলে জানিয়েছিল, কয়েকদিন সময় লাগবে। সে সময় এখনো হয়নি এশিয়ান ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাটির।

দুই দলের অনড় অবস্থান, এএফসির সিদ্ধান্ত জানাতে কালক্ষেপণ, সবকিছুর যোগফল বলছে ম্যাচটি ২৫ মার্চ হচ্ছে না। না হলে ম্যাচ যে জুনে চলে যাবে এবং সেন্ট্রাল ভেন্যুতে হবে তা আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে এএফসি। ২৫ মার্চের পরিবর্তে ৩ জুন বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য ভেন্যু দোহা।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে মার্চে ম্যাচ না হলে বাংলাদেশ খেলবে নেপাল আয়োজিত চারজাতি টুর্নামেন্টে। মার্চে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের যে ম্যাচ ছিল নেপালের, তা পিছিয়ে চলে গেছে জুনে। যে কারণে অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন মার্চের ফিফা উইন্ডোতে চারজাতি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

করোনার মধ্যেই দেশটি বাংলাদেশে এসে দুই ম্যাচের বঙ্গবন্ধু ফিফা ফ্রেন্ডলি সিরিজ খেলে গেছে। এবার তারা বাংলাদেশকে পেতে চায় নিজেদের মাঠে। ইতিমধ্যে ওই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ না করবে কিভাবে?

কবে হবে টুর্নামেন্ট? ২১ থেকে ৩০ মার্চ ফিফা উইন্ডো আছে। এই সময়ের মধ্যে টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে নেপাল। কাঠমান্ডু অথবা দেশটির দ্বিতীয় বড় শহর পোখারায় হবে এই টুর্নামেন্ট।

বাংলাদেশ ও নেপাল ছাড়া চারজাতি টুর্নামেন্টের অন্য দুটি দেশের একটি হবে আফ্রিকার, অন্যটি হতে পারে ওসেনিয়া অঞ্চলের। আফ্রিকার লাইবেরিয়া ও ওসেনিয়া অঞ্চলের তাহিতিকে টুর্নামেন্টে আমন্ত্রণ জানিয়েছে নেপাল।

গেইল টি-টুয়েন্টির ঈশ্বর, তবে সে একাই সব নয় : স্টেইন

0

স্পোর্টস ডেস্ক : তারকাখচিত দল গড়েও চলতি পাকিস্তান সুপার লিগে এখনও জয় পায়নি কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরস। এ পর্যন্ত খেলা তিন ম্যাচের সবকয়টি হেরে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে পড়ে রয়েছে তারা। দলটির হয়ে প্রথম দুই ম্যাচ খেলে দেশের ডাকে ফিরে গেছেন টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের রাজা, দ্য ইউনিভার্স বস ক্রিস গেইল।

নিজের খেলা দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন ক্যারিবীয় দানব গেইল। প্রথম ম্যাচে ২৪ ম্যাচে ৩৯ রানের পর দ্বিতীয় ম্যাচে খেলেন ৪০ বলে ৬৮ রানের ইনিংস। কিন্তু কোনো ম্যাচেই জেতেনি কোয়েটা। গেইল ফিরে যাওয়ার পরেও তারা হেরেছে একটি ম্যাচ। এখন ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া দলটি।

কোয়েটার হয়ে খেলছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি পেসার ডেল স্টেইন। তিনি মেনে নিয়েছেন, টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে গেইল অনেক বড় নাম। তাকে টি-টুয়েন্টি ঈশ্বর বলেই অভিহিত করেছেন স্টেইন। তবে গেইল একাই যে দলের সব নয়, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রোটিয়া তারকা।

ক্রিকেট পাকিস্তানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্টেইন বলেন, ‘ক্রিস গেইল রীতিমতো অদ্ভুত একজন। সে টি-টুয়েন্টির ঈশ্বর। তবে আপনি যদি তার বদলি খেলোয়াড়ের জন্য আমাদের স্কোয়াডের দিকে তাকান, তারা সবাই দুর্দান্ত খেলোয়াড়। ফাফ ডু প্লেসি এসেছে, টম ব্যান্টন দুই বছর ধরে খেলছে এবং ভালো করছে। আমি মনে করি না, একজন খেলোয়াড় ক্রিকেট ম্যাচ জেতাতে পারে। সবারই এগিয়ে আসতে হবে।’

এখনও জয়ের দেখা না পাওয়ার ব্যাপারে খুব একটা চিন্তিত নন স্টেইন, ‘আমি খুব একটা বিচলিত নই। তবে পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে জয় পেলে ভালো লাগত। তিনটি খেলে একটি জয় থাকলে আমাদের জন্য ভালো হতো। আশা করি সামনের ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে পারব।’

দুই গাঁজাসেবীকে আটকের পর তাবলীগে পাঠাল পুলিশ

38

নিজস্ব প্রতিবেদক : শেরপুরের ষাটোর্ধ দুই গাঁজাসেবীকে আটকের পর তাবলীগে পাঠালেন শেরপুরের ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফায়েজুর রহমান। রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আটকের পর নিয়মিত গাঁজা সেবনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা। এরপর তাদের তাবলীগে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

গাঁজাসেবী ওই দুজনের মধ্যে একজন কাঁচামাল ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান হবি (৬৫)। তিনি ঝিনাইগাতী উপজেলার উত্তর ধানশাইল চকপাড়া এলাকার মৃত রহিম মণ্ডলের ছেলে। তিনি জামালপুর ব্রহ্মপুত্র ব্রিজ এলাকা থেকে পাইকারি কাঁচা বাজার ক্রয় করে স্থানীয় বাজারগুলোতে বিক্রি করতেন।

অপরজন মো. ওমর মিয়া (৬৫)। তিনি একই উপজেলার পশ্চিম বাকাকুড়া এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন গাঁজা সেবনের ফলে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।

ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফায়েজুর রহমান বলেন, ওই দুই গাঁজাসেবী ইতোপূর্বে গাঁজা সেবনের দায়ে হাজত খেটেছেন। রবিবার আটকের পর তারা সুস্থ জীবনে ফেরার অনুরোধ করলে তাদের তাবলীগে পাঠানোর প্রস্তাব দেই। এ সময় তারা দুজনেই খুশিমনে রাজি হয়ে যায়।

পরে এই পুলিশ কর্মকর্তার নিজস্ব অর্থায়নে তাদের জন্য নতুন পাঞ্জাবী-পাজামা ও টুপি কিনে দিয়ে ঝিনাইগাতী থানা জামে মসজিদের পেশ ইমামের মাধ্যমে তাবলীগে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। সোমবার (১ মার্চ) সকালে তারা চিল্লায় (তাবলীগ জামাত) যোগ দিবেন বলে জানা যায়।

ঝিনাইগাতী থানার ওসি আরও বলেন, যে কোনো মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই স্থানীয়ভাবে যাতে কোন মাদকসেবী মাদক গ্রহণ ও ব্যবসা করতে না পারে। এ জন্য আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে ও থাকবে।

তার মতে, আমরা চাই, সকল মাদকসেবীই সুস্থ জীবনে ফিরে আসুক। তাই আমরা বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সৃষ্টির ব্যাপারেও জোর দিই। এরই ধারাবাহিকতায় আজ দুজনকে আমরা তাবলীগে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি। আশা করছি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারাও সুস্থ জীবনে ফিরে আসবে।

সুস্থ হয়ে উঠছে নীলগাইটি, নেওয়া হবে পিলখানায়

32

জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও : বিজিবি ও স্থানীয় প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়নে এখন অনেকটাই সুস্থ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে উদ্ধার হওয়া বিরল প্রজাতির নীলগাইটি।

সোমবার (১ মার্চ) সকালে উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের কান্তিভিটা বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

নীলগাইটির চারপাশে বাশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভিতরে খাবার হিসেবে লতা-পাতা এবং পানি প্রদান করা হয়েছে। নীলগাইটি নিয়মিত খাবার খাচ্ছে এবং পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাসিরুল ইসলাম জানান, দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য তারা নিয়মিত নীলগাইটিকে চিকিৎসা প্রদান করছেন। সুস্থ হলে (১৫-২১ দিন) বিজিবির হেড কোয়ার্টার পিলখানায় নীলগাইটিকে নিয়ে রাখা হবে বলে বিজিবি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সীমান্তে ছুটোছুটি করার সময় ধাওয়া করে নদী থেকে নীলগাইটিকে আটক করে গ্রামবাসী। খবর পেয়ে কান্তিভিটা ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা নীলগাইটি ক্যাম্পে নিয়ে আসে।

আরও পড়ুন : আজ থেকে দুই মাস ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাণী সম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (এলইডিপি) ডা. নিয়ামুল শাহাদাৎ বলেন, ভারতীয় উপকুল অঞ্চলে বসবাস করে নীলগাইগুলো। এরা মানুষ দেখলে আত্মরক্ষার জন্য ছুটোছুটি করে।

বিজিবি ঠাকুরগাঁও ৫০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শহিদুল ইসলাম জানান, নীলগাইটি তাদের কাছে থাকবে। তারা এটিকে সুস্থ করতে জোর চেষ্টা করছেন।

বীমা খাতে উন্নয়নে ৬৩২ কোটির প্রকল্প চলমান

292

নিজস্ব প্রতিবেদক : বীমা খাতে উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ৬৩২ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাকাডেমির সক্ষমতা বৃদ্ধি ও অটোমেশনের জন্য ৬৩২ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে দেশের বীমা খাতের সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আমি মনে করি।

জাতীয় বীমা দিবস উপলক্ষে সোমবার (১ মার্চ) এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বীমা পেশায় যোগদানের স্মৃতি বিজড়িত ১ মার্চ ‘জাতীয় বীমা দিবস’ পালন হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে বীমা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, বীমা হোক সবার’ যথার্থ হয়েছে বলেও আমি মনে করি।

তিনি বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে বীমার গুরুত্ব এবং এর অবদানের বিষয়টি বিবেচনা করে স্বাধীনতার পর বীমা শিল্পকে অধিকতর অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়নের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর সরকার ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স (জাতীয়করণ) আদেশ-১৯৭২ জারি করে। ৪৯টি দেশি-বিদেশি বীমা কোম্পানিকে জাতীয়করণের মাধ্যমে সুরমা, রূপসা, তিস্তা এবং কর্ণফুলী নামে চারটি বীমা করপোরেশন গঠন করেছিলেন তিনি। একই সাথে এই চারটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে জাতীয় বীমা করপোরেশন গঠন করেন।

পরবর্তীতে অল্প সময়ের মধ্যে দেশের বীমা শিল্পের উন্নয়নে ‘ইন্স্যুরেন্স করপোরেশন আইন-১৯৭৩’ প্রণয়ন করে এই চারটি করপোরেশনকে ভেঙে ‘জীবন বীমা করপোরেশন’ এবং ‘সাধারণ বীমা করপোরেশন’ নামে দুটি পৃথক বীমা করপোরেশন গঠন করেন। এ দুটি করপোরেশন এখনও দেশে বীমা ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে দেশের জনগণকে বীমা সেবা দিয়ে আসছে। পাশাপাশি বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বীমা অধিদপ্তর গঠন করা হয়।

সরকারপ্রধান বলেন, বীমা শিল্পের উন্নয়নে জাতির পিতার দেখানো পথ অনুসরণ করে ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে আওয়ামী লীগ সরকার বীমার গুরুত্ব ও সুফল জনগণের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। পুরাতন বীমা আইন-১৯৩৮ কে রহিত করে সময়োপযোগী ‘বীমা আইন-২০১০’ এবং ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন-২০১০’ প্রণয়নপূর্বক তৎকালীন বীমা অধিদপ্তরকে বিলুপ্ত করে ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ’ গঠন করা হয়। ‘জাতীয় বীমা নীতি-২০১৪’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বীমা খাতের বিকাশে আমাদের সরকার যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে বিদেশগামী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য প্রবাসী কর্মী বীমা, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি মোকাবিলায় হাওড় এলাকায় সীমিত পরিসরে আবহাওয়া সূচকভিত্তিক শস্য বীমা চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার জন্মশতবর্ষে তার স্মৃতিবিজড়িত আজকের এই দিনে বীমার শুভবার্তা দেশের সব নাগরিকের কাছে পৌঁছে যাক, দেশের সব মানুষ এবং সম্পদ বীমা সেবার আওতায় আসুক– এই প্রত্যাশায় আমি জাতীয় বীমা দিবসের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।’

ভারতের কাছ থেকে ভিসার নিশ্চয়তা পেয়েছে পাকিস্তান

3

স্পোর্টস ডেস্ক : ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে আগামী টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। যেখানে পাকিস্তান অংশ নিতে পারবে কি পারবে না তা নিয়ে চলছিল বড় একটি দ্বীধা-দ্বন্দ্ব। বিশেষ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আইসিসির কাছে বারবারই বলা হচ্ছে, তারা যেন ভারতের কাছ থেকে ভিসা নিশ্চয়তা এনে দেয় এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এনে দেয়।

শুধুমাত্র পাকিস্তানি ক্রিকেটারই নয়, কর্মকর্তা এবং ক্রিকেট সমর্থকদের ভিসা প্রাপ্তির বিষয়েও যেন নিশ্চয়তা এনে দেওয়া হয়। কয়েকদিন আগেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান এহসান মানি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ভিসার নিশ্চয়তা না পেলে তারা ভারত থেকে বিশ্বকাপ সরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানাবেন।

শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের দাবি মেনে নিয়েছে ভারত। আইসিসি ভারতের কাছ থেকে পাকিস্তানের দাবির ব্যাপারে নিশ্চয়তা পেয়েছে বলে জানিয়েছে। বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন খোদ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান এহসান মানি নিজেই।

পিসিবি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, আইসিসি তাদেরকে জানিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তানি ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, সমর্থন এবং সাংবাদিকদের ভিসা দিতে রাজি হয়েছে। এ ব্যাপারে পূর্ণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

এহসান মানি একই সঙ্গে এটাও জানিয়েছেন, আগামী জুনে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টটি পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। কারণ, যদি ভারত আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে, তাহলে।

এহসান মানি বলেন, ‘আমি আমাদের বোর্ডকে জানিয়েছি যে, বিসিসিআই আমাদেরকে ভিসার নিশ্চয়তা দেওয়ার কথা ছিল ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে। কিন্তু তা হয়নি। কারণ, তাদের বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ২ বার হসপিটালাইজড হয়েছেন। তবে আমি বিষয়টা যখন আবারও আইসিসির কাছে তুললাম এবং তাদের (বিসিসিআই) সাথে বিষয়টা নিয়ে আলাপ করলাম, তখন আইসিসি আমাদেরকে নিশ্চয়তা দিয়েছে যে, বিসিসিআই দাবি মেনে নিয়েছে। আমি আগামীকাল (সোমবার) এ নিয়ে আরও একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করবো।’

পিসিবি জানাচ্ছে, ভারতের কাছ থেকে ভিসা নিশ্চয়তা চাওয়াটা তাদের অধিকার এবং কারও কোনো ক্ষমতা নেই যে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ থেকে দুরে রাখবে। এহসান মানি বলেন, ‘হয় আমরা পূর্ণ প্রটোকল সহকারে যাব টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে, না হয় বিশ্বকাপই ভারত থেকে সরে যেতে বাধ্য হবে।’

রাজশাহীর দুই পৌরসভায় আ. লীগ প্রার্থীর জয়

0

জেলা প্রতিনিধি, রাজশাহী : রাজশাহীর চারঘাট ও দুর্গাপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয় লাভ করেছেন। রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) চতুর্থ ধাপে ইভিএম পদ্ধতিতে এই দুই পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র মতে, চারঘাট পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩০ হাজার ১২৯, কেন্দ্র ১০টি এবং প্রার্থী ছিলেন ২ জন। দুর্গাপুর পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ২১হাজার ১২৬, কেন্দ্র ছিল ১১টি এবং প্রার্থী ছিলেন ৪জন। দুইটি পৌরসভায় ভোট পড়েছে ৬৬ দশমিক ৯২ শতাংশ।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য মতে, দুর্গাপুর পৌরসভায় ৮ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন। এই নির্বাচনে বিজয়ের মধ্য দিয়ে তোফাজ্জল হোসেন তৃতীয় বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জারজিস হোসেন সোহেল পেয়েছেন ৬ হাজার ৪০১ ভোট। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হোসেনুজ্জামান শান্ত পেয়েছেন ১ হাজার ২০৭ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন কবির পেয়েছেন ১৩৪ ভোট। এই পৌরসভায় মোট ২১ হাজার ১২৬ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১৬ হাজার ৫৫০ জন। ভোট পড়েছে ৭৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, ভোট চলাকালীন সময়ে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীদের সহযোগিতায় ও ভোটারদের অংশগ্রহণে দুর্গাপুর পৌরসভার নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

এদিকে চারঘাট পৌরসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী একরামুল হক। নৌকা প্রতীক নিয়ে একরামুল হক পেয়েছেন ১৪ হাজার ৯৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেয়র প্রার্থী জাকিরুল ইসলাম বিকুল ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৮১২ ভোট। এই পৌরসভায় মোট ৩০ হাজার ১৯২ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১৭ হাজার ৭৯৩ জন। ভোট পড়েছে ৫৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

বগুড়া পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি প্রার্থীর জয়

1

জেলা প্রতিনিধি, বগুড়া : বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উপজেলায় ইভিএম এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়।

রেজাউল করিম বাদশা মোট ভোট পেয়েছেন ৮২ হাজার ২১৭ টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জগ প্রতিকে আব্দুল মান্নান আকন্দ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯০টি ভোট।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতিকে আবু ওবায়দুল হাসান ববি পেয়েছেন ভোট ২০ হাজার ৮৯ টি ভোট। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বগুড়ার সহ সভাপতি মাও. আব্দুল মতিন হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ১৯১ টি ভোট। নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ১১২ জন, যা ৫৯.৮৫ শতাংশ।

রবিবার রাত পৌনে নয়টার দিকে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ্ এই বেসরকারি ফলাফল প্রকাশ করেন। এসময় সহকারী রিটার্নিং অফিসার এসএম জাকির হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে সাধারণ কাউন্সিলর পদে জয় পেয়েছেন ১নং ওয়ার্ডে শাহ মো. মেহেদী হাসান হিমু, ২নং ওয়ার্ডে তৌহিদুল ইসলাম বিটু, ৩নং ওয়ার্ডে কবিরাজ রুণ কুমার চক্রবর্তী, ৪নং ওয়ার্ডে আব্দুল মতিন সরকার, ৫নং ওয়ার্ডে রেজাউল করিম ডাবলু, ৬নং ওয়ার্ডে পরিমল চন্দ্র দাস, ৭নং ওয়ার্ডে দেলোয়ার হোসেন পশারী হিরু, ৮নং ওয়ার্ডে এরশাদুল বারী এরশাদ, ৯নং ওয়ার্ডে শেখ, ১০ নং ওয়ার্ডে আরিফুল ইসলাম আরিফ, ১১ নং ওয়ার্ডে সিপার আল বখতিয়ার, ১২ নং ওয়ার্ডে এনামুল হক সুমন, ১৩ নং ওয়ার্ডে আল মামুন, ১৪ নং ওয়ার্ডে এম আর ইসলাম রফিক, ১৫ নং ওয়ার্ডে আমিনুল ইসলাম, ১৬ নং ওয়ার্ডে আমিন আল মেহেদী,১৭ নং ওয়ার্ডে ইকবাল হোসেন রাজু, ১৮ নং ওয়ার্ডে রাজু হোসেন পাইকাড়, ১৯ নং ওয়ার্ডে লুৎফর রহমান মিন্টু, ২০ নং ওয়ার্ডে রুস্তম আলী, ২১ নং ওয়ার্ডে রুহুল কুদ্দুস ডিলু।

এর আগে রবিবার সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় শেষ হয়। ১৬ প্লাটুন বিজিবি সহ র‌্যাব, পুলিশ, স্ট্রাইকিং ফোর্স ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ সার্বক্ষণিক টহল দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কড়া নিরাপত্তার কারণে বগুড়া পৌর নির্বাচনে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

বগুড়া জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, নতুন ভোটার নিয়ে চলতি বছরে ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭০ জন।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফয়সাল মাহমুদ জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

জার্মানিতে হংকং অ্যাক্টিভিস্টদের চাপে রাখছে চীন

9

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হংকংয়ের ৭২০ জন মানুষ এরই মধ্যে ইউরোপের দেশ জার্মানিতে বসবাসের অনুমোদন পেয়েছে। দুই বছর আগে হংকংয়ে গণতন্ত্রপন্থি বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এই বাসিন্দাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে চীন। জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে মানবাধিকার বিষয়ক কমিটিতে তথ্যটি জানানো হয়েছে।

সংসদের মানবাধিকার বিষয়ক কমিটির প্রধান গাইডে জেনসেনের কাছে চিঠিটি পাঠানো হয়। জার্মানিতে থাকা হংকংয়ের বাসিন্দাদের হুমকির বিষয়ে তথ্য নেওয়া এবং চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেলকে মানবাধিকার নিয়ে চীনের ব্যাপারে কঠোর হওয়ার চাপ বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

চিঠিতে উদাহরণ হিসেবে ২০১৯ সালের ১৭ আগস্ট হামবার্গে হংকংয়ের নেতাকর্মীদের সমর্থনে একটি প্রতিবাদ সমাবেশের কথা বলা হয়েছে। সেখানে চীনা সরকার সমর্থিতরা ‘সম্ভবত ভয় দেখানোর জন্য’ বিক্ষোভকারীদের ছবি ও ভিডিয়ো ধারণ করে রাখেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, হংকংয়ে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে জার্মানিতে চীনা নেতাদের চীন সরকারের পক্ষে জনমতকে প্রভাবিত করার পাশাপাশি বিক্ষোভ সমর্থনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্রমবর্ধমান প্রচেষ্টা দেখা গেছে।

জার্মানির এফডিপি পার্টির সদস্য জেনসেন বলেন, জার্মান সরকার বুঝতে পেরেছিল যে, চীন সরকারের পক্ষের লোকজন নির্বাসিত হংকংবাসীদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। আমি মনে করি, আমাদের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর নেওয়া ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্তদের কার্যকরভাবে রক্ষা করতে যথেষ্ট।

অন্য দিকে বার্লিনে থাকা চীনা দূতাবাস এ ব্যাপারে কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি। রয়টার্সের থেকে এ ব্যাপারে ই-মেইলে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়ার পরেও উত্তর মেলেনি।

খুলনায় হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

0

জেলা প্রতিনিধি, খুলনা : খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামের ওষুধ ব্যবসায়ি আকবর আলী হত্যা মামলার রায়ে পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন। এছাড়া প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সকালে রায়ে ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলও। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হল- মামুন গাজী, মোশারফ হোসেন, নুরুর রহমান, শেখ সাজিদুর রহমান ও শেখ মতিয়ার রহমান। এছাড়া অন্য এক আসামী কামরুল ইসলাম মারা গেছে।

পুলিশ জানায়, জমি সংক্রান্তের জেরে ২০১৩ সালের ২৬ জুলাই ভোরে আকবর আলীকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ২১ জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য শেষে আদালত এই রায় দেন।

Dhaka, BD
haze
22 ° C
22 °
22 °
73 %
1.5kmh
0 %
বৃহঃ
34 °
শুক্র
36 °
শনি
37 °
রবি
33 °
সোম
36 °

সর্বাধিক পঠিত