19 C
Dhaka, BD
Home Blog Page 857

২০১৯ বিশ্বকাপে শেবাগের বাজি ভারত

0

স্পোর্টস ডেস্ক : ইংল্যান্ডের মাটিতে হবে ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। বিরুপ কন্ডিশন, উপমহাদেশের দেশগুলোর জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জই। তবে এই বিশ্বকাপে উপহমহাদেশের দল ভারতকে ফেবারিট মনে করছেন বীরেন্দর শেবাগ। ভারতের সাবেক এই ওপেনার মনে করছেন, বিশ্বকাপ জেতার মতো ভারসাম্যপূর্ণ দল রয়েছে তাদের।

শেবাগ মূলত আশাবাদী হয়ে উঠেছেন উত্তরসূরীদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স দেখে। বিরাট কোহলির নেতৃত্বধীন ভারত বিদেশের মাটিতেও ভালো করা শুরু করেছে। সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার কঠিন কন্ডিশনে দারুণ লড়াই করে ২-১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজে হেরেছে তারা। ভারতের সাবেক ওপেনার তাই রাখঢাক না রেখেই বলছেন, ‘২০১৯ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের ফেবারিট ভারত।’

দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজটি ভারত জিততেও পারতো, মনে করছেন শেবাগ। উত্তরসূরীদের পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতের বাইরে টেস্ট জেতার সামর্থ্য আছে এই দলটির। আমরা প্রথম অথবা দ্বিতীয় টেস্টে জিততে পারতাম, যদি একটি সেশনে ভালো ব্যাটিং করতাম।’

ভারত মূলত ব্যাটিংনির্ভর দল। অনেকটা দিন বোলিং নিয়ে আফসোস ছিল তাদের। তবে বিরাট কোহলির অধীনে বর্তমান দলটির বোলিং বিভাগও বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। পেস আক্রমণে জাসপ্রিত বুমরাহ, ভুবনেশ্বর কুমাররা থিতু হয়ে গেছেন। স্পিনে উঠে আসছেন কুলদ্বীপ যাদব, যুজবেন্দ্র চাহালরা।

সেরা বোলাররা সবাই একসঙ্গে খেলতে পারছে, এটাকেই বর্তমান দলটির বড় শক্তি মনে করছেন শেবাগ। তিনি বলেন, ‘আমাদের সময়ে শ্রীনাথ, জহির, আগারকার আর নেহরা ছিল। তবে তারা খুব কমই একসঙ্গে খেলতে পারতো। যখন তারা সেটা পেরেছে, ২০০৩ সালে আমরা কিন্তু বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছি। বড় ব্যাপার হলো এখনকার দলটি যে কোনো কন্ডিশনেই ভালো করতে পারে।’

কিরগিজস্তানে নতুন প্রধানমন্ত্রী

524

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মুখাম্মেদকালি আবিলগাজিয়েভের নাম ঘোষণা করেছে দেশটির সংসদ।

সাপার ইসাকোভের মন্ত্রিসভা গেল সপ্তাহে অনাস্থা ভোটে হেরে যাওয়ার পর তার স্থলাভিষিক্ত হলেন আবিলগাজিয়েভ।

গত বছরের নভেম্বরে কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরই পূর্বসূরি আলমাজবেক আতামবায়েভের বিভিন্ন নিয়োগে রদবদল শুরু করেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দিয়ে সে ধারাই পূর্ণ হলো।

কিরগিজস্তানের জনসংখ্যা মাত্র ৬০ লাখ। সাবেক এই সোভিয়েত রাষ্ট্রটিতে একটি রুশ সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ভেঙে যাওয়ার পর ভৌগোলিকভাবে মধ্য এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যে ৫টি দেশ তার মধ্যে কিরগিজস্তানকেই সবচেয়ে বেশি গণতান্ত্রিক বলে মনে করেন অনেক; যদিও এই দেশটিই রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি অস্থিতিশীল তারপর।

সরকারবিরো্ধী আন্দোলনের মুখে ২০০৫ সালে ও ২০১০ সালে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াতে হয় তৎকালীন দুই প্রেসিডেন্টকে।

সূত্র: রয়টার্স ও রেডিও ফ্রি ইউরোপ।

কোটি টাকার সম্পত্তি ছেড়ে সন্ন্যাসী হবেন তিনি

310

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কোটি টাকার সম্পত্তি ছেড়ে সন্ন্যাসী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ২৪ বছর বয়সী মুখেশ শেঠ মুম্বাইয়ের একটি স্বনামধন্য ব্যবসায়িক পরিবারের ছেলে। তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট হিসেবে কর্মরত। নিজের বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে সন্ন্যাস জীবন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

অর্থ-বৈভব ছেড়ে তিনি জৈন সম্প্রদায়ের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করবেন। মুখেশ শেঠের পারিবারিক ব্যবসা জেকে কর্পোরেশনের হীরা, ধাতব পণ্য এবং চিনির ব্যবসা রয়েছে।

শুক্রবার সকালে গান্ধীনগর-আহমেদাবাদ রোডে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জৈন ধর্মে দীক্ষা নেন তিনি। মুখেশ শেঠ বলেন, তিনি এখন থেকে হিসাব বিজ্ঞানের বই-পত্র রেখে একজন নম্র শিক্ষার্থী হিসেবে জৈন ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করবেন।

তিনি আরও বলেন, যখন আমার বয়স ১৫ বছর তখনই আমি প্রথম ভেবেছিলাম যে, আমি জৈন সন্ন্যাসী হতে চেয়েছি। আমি মানসিকভাবে শান্তি চাই যা এই বস্তুজগত আমাকে দিতে পারবে না।

তিনি আরও জানান, তিনি শুধু নিজের শান্তি চান না বরং তিনি সবার শান্তি চান। মুখেশ শেঠের পরিবারের আদি নিবাস ছিল গুজরাটের দেসাতে। পরে তারা মুম্বাইতে থাকতে শুরু করেন এবং দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে এখানেই থাকছেন। তার বাবা সন্দীপ এবং চাচা গিরিস শেঠ যৌথ পরিবারেই থাকেন।


মুখেশ তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার বড়। তিনি ওয়াকেস্বরের মানব মন্দীর স্কুলে দশম শ্রেণিতে ৯৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে প্রায় ৮৫ ভাগ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হন।

মুখেশের চাচা গিরিস শেঠ বলেন, মুখেশ আট বছর আগে থেকেই জৈন সন্ন্যাসী হওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছিল। তখন আমরা তাকে বুঝিয়েছিলাম যে, আগে পড়াশুনা শেষ করো এবং পৃথিবী সম্পর্কে জানো।

আমাদের পরিবারের দুইশো বছরের ইতিহাসে মুখেশই প্রথম পুরুষ হিসেবে সন্ন্যাসধর্ম গ্রহণ করছে। তবে এর আগে এই পরিবারের আরও পাঁচ নারী জৈন সাধ্বী হয়েছেন।

ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হয়ে এখন ‘রাজমিস্ত্রী’ ওয়ার্নার

0

স্পোর্টস ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার মান সম্মান ধুলোয় লুটিয়েছেন। বল টেম্পারিং কান্ডে মূল হোতা ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। মারকুটে এই ওপেনারকে এক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ক্রিকেট ছেড়ে এখন তিনি করছেনটা কি? ওয়ার্নার শুরু করেছেন রাজমিস্ত্রীর কাজ।

ডেভিড ওয়ার্নারের পৃথিবীটা এখন অন্ধকার। অস্ট্রেলিয়ার সহ-অধিনায়ক পদ হারিয়েছেন, নিষিদ্ধ হয়েছেন, আইপিএলেও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ নেয়নি তাকে। সরে গেছে স্পন্সররাও। ওয়ার্নার কি তবে এখন সব হারিয়ে ফকির হয়ে গেছেন? রাজমিস্ত্রীর কাজ শুরু করলেন যে!

ব্যাপারটা এমন নয়। ওয়ার্নার আসলে এই ফাঁকা সময়টায় নিজের বাড়ির কাজ ধরেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা মিলেছে রাজমিস্ত্রী ওয়ার্নারের, যিনি হাতে ড্রিল মেশিন আর মাথায় সুরক্ষা হেলমেট পরে কাজ করছেন।

ওয়ার্নারের বাড়িটা সিডনির বিচের ধারেই। গত বছরেই কাজ ধরার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু সময় করে উঠতে পারছিলেন না। এবার অবসর পেয়ে কাজটা শুরুই করে দিলেন। ওয়ার্নারের স্ত্রী কেন্ডিস ওয়ার্নার ‘ইনস্টাগ্রাম’-এক একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যাতে দেখা যাচ্ছে ড্রিল মেশিন নিয়ে বাড়ি বানানোর কাজে লেগে গেছেন অসি ওপেনার। এ সময় তার মুখে চওড়া হাসিটাও লেগেই ছিল।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, সুরক্ষা হেলমেট পরে বাবার সঙ্গে কাজে নেমে পড়েছেন তাদের দুই কন্যা- তিন বছর বয়সী আইভি মায় এবং দুই বছরের ইন্ডি রায়ও। কি সুখী পরিবার!

কম দামে নেয়ার বুদ্ধিতেই গেইলকে প্রথমে কেনেনি পাঞ্জাব

3

স্পোর্টস ডেস্ক : এবারের আইপিএল নিলামে ক্রিস গেইলকে ভিত্তিমূল্য ২ কোটি রুপিতেই কিনে নেয় কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। এত কম মূল্যে তাকে দলে নিয়ে এবার বাজিমাত করে দিয়েছে বীরেন্দর শেবাগের দল। গেইলের মতো একজন খেলোয়াড় নিলামে দুই দফা অবিক্রিত ছিলেন, তারপর তাকে নিয়ে নেয় পাঞ্জাব। প্রথমে কেন তাকে চেষ্টা করা হয়নি? পাঞ্জাব কোচ শেবাগের সরল স্বীকারোক্তি, কম দামে নিতেই অপেক্ষায় ছিলেন তারা।

টি-টোয়েন্টি ফরমেটের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনার ক্রিস গেইল। তবে চোট আর অফফর্মের কারণে গত আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু বেশি ম্যাচ খেলায়নি তাকে। এবার তো কেউ কেনারই আগ্রহ দেখায়নি। শেষ পর্যন্ত নামমাত্র মূল্যে তাকে দলে ভেড়ায় পাঞ্জাব। প্রথম দুই ম্যাচে তারা বসিয়েও রাখে ক্যারিবীয়ান ওপেনারকে।

জবাবটা ব্যাট হাতেই দিয়েছেন গেইল। সুযোগ পেয়ে প্রথম ম্যাচে ৩৩ বলে ৬৩ আর দ্বিতীয় ম্যাচে ৬৩ বলে হার না মানা ১০৪ রানের দুটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

গেইলকে দলে নেয়ার সময় কি এমনটা চিন্তা করেছিলেন? যদি করেই থাকেন তবে প্রথমে কেন তাকে নিলেন না? পাঞ্জাব কোচ বীরেন্দ্রর শেবাগ এমন প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘তার মতো এন্টারটেইনার আর কেউই হবে না। এটা আসলে একটা কৌশল ছিল। কারণ আমাদের আরও খেলোয়াড় কিনতে হয়েছে। প্রথমেই তাকে নিলে আমাদের অনেক বেশি খরচ পড়তো।’

শেবাগের বয়স ৩৯, খেলা ছেড়ে এখন তিনি কোচ। ৩৮ বছর বয়সী গেইলকে কেউ এবার কিনবে না, ধরেই রেখেছিলেন শেবাগ। সেই অপেক্ষাতেই ছিলেন জানিয়ে পাঞ্জাব কোচ বলেন, ‘গত বছর সে পিঠের ব্যথার কারণে অনেকগুলো ম্যাচ মিস করেছে। কোহলিও তাকে একাদশে রাখেনি। আমি আশা করেছিলাম, এবার কেউ তাকে কিনবে না। কারণ তার বয়স আমার সমান। আমি ভেবেছি, যদি আমরা তাকে দলে নেই, তবে মার্কেটিংটা ভালো হবে। সবাই ক্রিস গেইলকে পছন্দ করে। এখন তো সে পাঞ্জাবের বড় সম্পদ।’

লেগস্পিন করতে গিয়ে ক্যারিয়ারটাই শেষ অশ্বিনের!

0

স্পোর্টস ডেস্ক : সীমিত ওভারের দল থেকে জায়গা হারিয়েছেন ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ভারতের হারের পর। এবার টেস্টেও রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বাদ দেয়ার চিন্তাভাবনা চলছে, এমন ইঙ্গিতই মিলল ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) ঘনিষ্ট এক সূত্র থেকে। সূত্রটি জানিয়েছে, এ বছর জুলাইয়ে ভারতের ইংল্যান্ড সফরেই অশ্বিনের টেস্ট ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যাবে।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর সীমিত ওভারের দল থেকে অশ্বিনের সঙ্গে জায়গা হারিয়েছেন আরেক স্পিনার রবীন্দ্র জাদেজা। তাদের বদলে সুযোগ পেয়ে যুজবেন্দ্র চাহাল আর কুলদ্বীপ যাদব নিজেদের মেলে ধরেছেন। গত এক বছরে ভারতের একাদশে নিয়মিতই খেলছেন তারা। ৩১ বছর বয়সী অশ্বিনের তাই সাদা বলের ক্রিকেটে ফেরার সম্ভাবনা প্রায় শেষ।

দলে জায়গা ফিরে পেতে অফস্পিন ছেড়ে এখন লেগস্পিন ধরেছেন অশ্বিন। ঘরোয়া লিগে এটা পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করেছেন, করছেন এবারের আইপিএলেও। তবে এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা দলে জায়গা করে নেয়ায় কোনোই কাজে আসবে না, মনে করছে বিসিসিআইয়ের সূত্রটি।

‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিসিআইয়ের কর্তা অশ্বিনের লেগস্পিন নিয়ে বলেছেন, ‘আমরা খুবই হতাশ, উদ্বিগ্ন। সে খুব বেশি জিনিস নিয়ে কাজ করছে। আমরা জানি না, কেন সে এসব চেষ্টা করছে। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বৈচিত্র্যের জন্য আপনি মাঝেমধ্যে লেগস্পিন করতে পারেন, কিন্তু সে তো এটা প্রতি ম্যাচেই করে যাচ্ছে।’

অশ্বিনের টেস্টের জায়গাটাও খুব সহজেই এখন কুলদ্বীপ-চাহালরা নিয়ে নিতে পারেন, মনে করছেন বিসিসিআইয়ের ওই কর্তা। তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই অশ্বিনের ৩০০ টেস্ট উইকেটের কথা মনে রাখব। তবে টেস্টে কুলদ্বীপ এবং চাহালকে নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টিতে তারা ভালো করছে। যেভাবে তারা এগিয়ে চলেছে, ইংল্যান্ডেও সুযোগ পেতে পারে।’

যদি সেটাই হয়, তবে হয়তো ইংল্যান্ডে টেস্ট না খেলেই ক্যারিয়ারটার শেষ দেখা হয়ে যেতে পারে অশ্বিনের।

বাংলাদেশকে নিয়ে নিদাহাস ট্রফি খেলে অবিশ্বাস্য আয় শ্রীলঙ্কার

4

 

স্পোর্টস ডেস্ক : গত মার্চে ঘরের মাঠে নিদাহাস ট্রফি আয়োজন করে ব্যাপক লাভের মুখ দেখেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)। বাংলাদেশ এবং ভারতকে নিয়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটি দারুণ দর্শকপ্রিয়তার সঙ্গে বড় অংকের অর্থও এনে দিয়েছে তাদের।

এই এক টুর্নামেন্টে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের আয়ের অঙ্কটা শুনলে চোখ কপালে উঠবে যে কারও। তারা আশা করেছিল ১৯৫ মিলিয়ন রুপি লাভ হবে এই টুর্নামেন্ট থেকে। বাস্তবে লাভটা হয়েছে ৪৮০ ভাগ বেশি। এসএলসি জানিয়েছে, এই টুর্নামেন্ট থেকে তাদের লাভ হয়েছে ৯৪০ মিলিয়ন রুপি।

শুক্রবার এই সংবাদ সম্মেলনে লাভের খবরটি জানিয়েছেন এসএলসির প্রেসিডেন্ট থিলাঙ্গা সুমাথিপালা। তিনি বলেন, ‘এটা ছিল শ্রীলঙ্কার মাটিতে এখন পর্যন্ত আয়োজিত সবচেয়ে সফলতম টুর্নামেন্ট।’

প্রত্যাশা ছিল নিদাহাস ট্রফি থেকে ৬৫০ মিলিয়ন রুপির মতো আয় হবে। সেটা হয়েছে ১.৩৬ বিলিয়ন রুপি। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক মিডিয়া স্বত্ত্ব আর স্পন্সর থেকেই এসেছে ১.২৬ বিলিয়ন রুপি। টিকিট বিক্রি থেকে এসেছে বাকি অর্থ।

প্রসঙ্গত, শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে শেষ বলে বাংলাদেশকে হারিয়ে এবারের নিদাহাস ট্রফিটি জিতেছে ভারত। স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা প্রথম রাউন্ড থেকেই বাদ পড়ে গিয়েছিল।

কাদেরের বক্তব্য ভয়ঙ্কর অশনি সংকেত : ফখরুল

0

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘হায়াত-মউত আল্লাহর হাতে’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম অালমগীর। তিনি বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেবের এই বক্তব্য ভয়ঙ্কর অশনি সংকেত।’

শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অায়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল একথা বলেন।

কারাগার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে তার দায়-দ্বায়িত্ব পুরোটাই সরকারকে বহন করতে হবে বলেও জানান তিনি। খালেদা জিয়াকে নিয়ে নোংরা রাজনীতি না করে সোজা পথে তাকে মুক্তি দিয়ে সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা করার অাহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।

এর আগে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতির বিষয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘হায়াত-মউত আল্লাহ’র হাতে, এখানে কারও হাত নেই।’

মির্জা ফখরুল বলেন, কারাগারে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আমরা যে খবর পাচ্ছি তাতে সারাদেশ উৎকণ্ঠিত। গতকাল (২০ এপ্রিল) তার পরিবারের সদস্যবৃন্দ আগে থেকে অনুমতি নিয়েও সাক্ষাৎ করতে পারেনি। এর আগে ১৮ এপ্রিল আমিসহ আমাদের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খানকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। অথচ সুস্পষ্টভাবে কোনো কারণ দেখানো হয়নি। জেলার ভেতর থেকে টেলিফোনের মাধ্যমে মির্জা আব্বাসকে জানান যে, ‘আজ সম্ভব হচ্ছে না।’ প্রায় ১০ দিন যাবৎ পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং দল দেশনেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পায়নি। এতে করে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের গণমানুষের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। মিথ্যা সাজানো মামলায় তাকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে তাকে এবং তার দলকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া। গণবিচ্ছিন্ন ও রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে যাওয়া সরকারের ২০১৪ এর মতো একতরফা নির্বাচনের প্রহসনের মধ্য দিয়ে আবারও ক্ষমতা দখলই মূল উদ্দেশ্য। আইনের বিধানকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে দেশনেত্রীকে জামিন না দেয়া, কারাগারে তাকে প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা, সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা- এটা অমানবিক।

তিনি বলেন, যে কারাগারে, যে কক্ষে তাকে রাখা হয়েছে তা সংবিধান পরিপস্থী। সরকারি ডাক্তারদের সুপারিশকৃত অর্থোপেডিক বেড তাকে সরবরাহ না করা, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের দিয়ে তাঁর চিকিৎসা না করানো, দলের নেতৃবৃন্দ ও পরিবারের সদস্যদের তার সঙ্গে দেখা না করতে দেয়া অত্যন্ত হীনউদ্দেশ্যমূলক।

বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকারের মন্ত্রীদের এ বিষয়ে মন্তব্য এবং কটুক্তি সকল শিষ্টাচার বহির্ভূত এবং চক্রান্তের বহিঃপ্রকাশ। সরকার দেশনেত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, বেগম জিয়াকে রাজনীতি থেকে এবং আসন্ন নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চায়। এত ভয় কেন?

সরকারকে উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সাহস আপনাদের নেই, আপনারা এখন জনগণ থেকে একারণেই বিচ্ছিন্ন।তাই বল প্রয়োগ করে দেশনেত্রীকে কারাগারে আটকে রেখে ২০১৪ এর মতো একতরফা নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চান এবং ক্ষমতা দখল করে রাখতে চান। বাংলাদেশের সচেতন গণতন্ত্রকামী মানুষ আপনাদের সে সুযোগ দেবে না। এখনও সময় আছে অবিলম্বে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিয়ে তাকে তার পছন্দনীয় চিকিৎসক দ্বারা এবং হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন এবং দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করুন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা অাব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, অামীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

ফের জলাবদ্ধতার আশঙ্কা!

1

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসছে বর্ষা মৌসুম। আর বর্ষা মানে বৃষ্টি, বৃষ্টি মানেই জলাবদ্ধতা। এবার বৈশাখের শুরু থেকেই শুরু হয়েছে ঝড়–বৃষ্টি। গত কয়েকদিন রাজধানীর আকাশে হঠাৎ কালো মেঘ, সঙ্গে মেঘের গর্জন, একপর্যায়ে ঝুম বৃষ্টি। আর এ বৃষ্টিতে রাজধানীর নিচু স্থানগুলোতে পানি জমে থাকতে দেখা যায়।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, আসল বর্ষা শুরু হলে পরিস্থিতি তখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে- সেটা আঁচ করতে হয়তো আর বেশিদিন অপেক্ষার প্রয়োজন হবে না। তারা বলছেন, মুষলধারে নয়, থেমে থেমে এখন সামান্য যে বৃষ্টি হচ্ছে তাতেই ডুবে যাচ্ছে মহানগরী। জলমগ্ন হচ্ছে রাস্তাঘাট, কাঁচাবাজার, দোকানপাট, স্কুল, বাসস্ট্যান্ড আর পাড়া-মহল্লা। পুরোদমে বর্ষা শুরু হলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে- প্রশ্ন তাদের।

প্রতি বছরই জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় রাজধানীবাসীকে। নগরীর অলিগলি ও ছোট পরিসরের রাস্তাগুলোতেও জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। ড্রেন থেকে আবর্জনা উঠে সয়লাব হয় সে সময়। কোনো কোনো সড়কে থাকে হাঁটুপানি।

ড্রেনেজ লাইন নিয়মিত পরিষ্কারের পর্যাপ্ত উদ্যোগ না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় রাজধানীর রাস্তাগুলো। ফলে একটু ভারি বর্ষণে প্রতি বছর ছন্দপতন হয় রাজধানীবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

রাজধানীর পানি নিষ্কাশন পথগুলো আবর্জনায় ভরাট হয়ে থাকে। শত শত কোটি টাকা খরচ করে এসব আবর্জনা পরিষ্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার ও উন্নয়ন করলেও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মেলে না ঢাকাবাসীর। বর্তমান সময়েও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে ব্যাপক কার্যক্রম চলছে। এরপরও যেন স্বস্তি নেই। কারণ রাজধানীর অবশিষ্ট খালগুলো নিয়মিত দখল হচ্ছে, ড্রেন ও জলাশয় আবর্জনায় ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই তাই জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।

জলাবদ্ধতা থেকে উত্তোরণের ব্যর্থতা হিসেবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতি বছর জলাবদ্ধতায় একে-অপরের ওপর দোষ চাপানোয় অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে সেবা সংস্থাগুলো।

আসছে বর্ষা মৌসুমে রাজধানীতে জলাবদ্ধতা থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে খোদ ঢাকা পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (ওয়াসা)। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে পানি সরবরাহের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে এক আলোচনা সভায় এমন আশঙ্কার কথা জানায় ঢাকা ওয়াসা।

সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান সে সময় বলেন, রাজধানীতে মূলত ১২ শতাংশ জলাভূমি থাকার কথা। কিন্তু সেখানে আছে মাত্র দুই শতাংশ। শহরের অধিকাংশ মাটি কার্পেটিং করা এবং নিম্নাঞ্চল ভূমিদস্যুদের দখলে। এসব কারণে ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসন কিছুটা অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ঢাকায় ৬৫টি খাল ছিল, চারটি নদী ছিল, এখন সেগুলো নেই। এর উত্তর কে দেবে?

তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী বর্ষা মৌসুমে মুষলধারে বৃষ্টি না হয়ে যদি টিপটিপ বৃষ্টি হয় তাহলে টানা ১০ দিন ধরে পড়লেও জলাবদ্ধতা হবে না। তবে কয়েক ঘণ্টা মুষলধারে বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। কিন্তু তা তিন ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হবে না।

প্রতি বছরই জলাবদ্ধতার বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা বা অন্য সংস্থাগুলো একে-অপরের ওপর দোষ চাপায়। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে স্যুয়ারেজ ও ড্রেনেজ সিস্টেমকে একক কর্তৃত্বে নিয়ে আসতে হবে। অপরিকল্পিত নগরায়ন ও সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর সমন্বয়হীনতাই রাজধানীর জলাবদ্ধতার বড় কারণ।

রাজধানীর মিরপুর কাজীপাড়ার বাসিন্দা রনি আহমেদ জলবদ্ধতার বিষয়ে বলেন, সমান্য বৃষ্টিতেই কাজীপাড়া এলাকা তলিয়ে যায়। সৃষ্টি হয় যানজট। হাঁটুপানি নিয়ে এলাকাবাসীর ভোগান্তির শেষ থাকে না। প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পর এমন চিত্র থাকে কাজীপাড়ায়। কিন্তু এটার কোনো স্থায়ী সমাধানে কাজ করে না কর্তৃপক্ষ।

শুধু কাজীপাড়া নয়, এ সমস্যা পুরো রাজধানীজুড়ে। জলাবদ্ধতার সম্মুখীন হওয়ার পর সিটি কর্পোরেশন দোষ দেয় ওয়াসাকে, আর ওয়াসা দেয় অন্য কোনো সংস্থাকে। কিন্তু সাধারণ মানুষকে এ সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় না কেউই- যোগ করেন তিনি।

বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা দূরীকরণের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমের প্রস্তুতি হিসেবে ইতোমধ্যে আমাদের ড্রেন-নর্দমা পরিষ্কারের কাজ চলছে। বাজেট অনুযায়ী দ্রুত কাজ সম্পন্নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, রাজধানীতের দিন দিন জনসংখ্যা বাড়ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে স্যুয়ারেজ কিংবা ড্রেনেজ সিস্টেম নষ্ট করে, পানি প্রবাহের খালগুলো দখল করে অপরিকল্পিত বাড়িঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ চলছে। খালগুলো দখলমুক্ত রাখার উল্লেখযোগ্য কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। পাশাপাশি নিয়মিত বক্স-কালভার্ট ও ড্রেনের ময়লা পরিষ্কার করা হচ্ছে না। ফলে এবারও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তির তেমন সম্ভাবনা নেই।

‘আমরা ইচ্ছা করলেই সব কাজে হাত দিতে পারি না। এর কারণ সমন্বয়হীনতা। এছাড়া পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় প্রয়োজনীয় কাজগুলোও সময় মতো শেষ করা সম্ভব হয় না’- যোগ করেন তিনি।

পৃথিবী যা দিতে পারে দীপিকাই তার সেরা।ভিন ডিজেল

11

 

বিনোদন ডেস্ক : বলিউডের অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোন এখন টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ জন প্রভাবশালীর একজন। তিনিই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি এ তালিকায় জায়গা করে নিলেন।

দীপিকার জন্য যেমন এটা একটা মহাখুশির খবর, তেমনি তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্যও। আর দীপিকার এ অর্জনে ভিন ডিজেলের চেয়ে বেশি খুশি বোধহয় আর কেউ হননি। ‘এক্সএক্সএক্স: দ্য রিটার্ন অব জেন্ডার কেজ’ এই সিনেমাটির মধ্যে দিয়ে ডিজেলের সঙ্গে হলিউডে প্রথম পা রেখেছিলেন দীপিকা।

৩২ বছর বয়সী দীপিকার প্রশংসায় কোনো কার্পণ্য করেননি ভিন ডিজেল। ডিজেল লিখেছেন, এই পৃথিবী যা কিছু দেয়ার মতো আছে দীপিকাই তার সেরা। তিনি কেবল ভারতকেই প্রতিনিধিত্ব করেন না, তিনি পুরো বিশ্বকে প্রতিনিধিত্ব করেন।

জবাবে ভিন ডিজেলকে ট্যাগ করে ইনস্টাগ্রামে দীপিকা লিখেছেন, ‘চিরকৃতজ্ঞ।’

দীপিকার পাশাপাশি আরও দুই ভারতীয় টাইম ম্যাগাজিনের পাতায় জায়গা করে নিয়েছেন। তারা হলেন- ক্রিকেটার বিরাট কোহলি এবং ওলার সহপ্রতিষ্ঠাতা ভাবিস আগারওয়াল।

Dhaka, BD
mist
19 ° C
19 °
19 °
77 %
0kmh
3 %
শনি
25 °
রবি
26 °
সোম
26 °
মঙ্গল
26 °
বুধ
26 °

সর্বাধিক পঠিত