34 C
Dhaka, BD
Home Blog

কোম্পানীগঞ্জে পৌরসভার লাইনম্যানের মরদেহ উদ্ধার

1

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক লাইনম্যানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মাইন উদ্দিন (৪৩) বসুরহাট পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের হাজী ছেলামত উল্যার বাড়ি ওরফে বাইউন্নাগো বাড়ির মৃত আবুল ওলা মিয়ার ছেলে। বসুরহাট বাজারের সড়কে যানজট নিরসনে লাইনম্যানের কাজ করতেন তিনি।

সোমবার (১২ এপ্রিল) রাত পৌনে ১১টায় উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেট সংলগ্ন হাজী ছেলামত উল্যার বাড়ি ওরফে বাইউন্নাগো বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এরআগে, রাত ৯টার দিকে নিজ বসতঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিক তার আত্মহত্যার কারণ জানাতে পারেনি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি জানান, পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর পাল্টা নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে ইরান

1

ইরানের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার হয়েছে। এতে তেহরানের পক্ষ থেকে পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ইরান সব ধরনের আলোচনা বাতিল করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ইরানের ৮ নাগরিকের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থেকে শুরু করে তাদের সম্পদ জব্দ করার মতো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর তিনি এ কথা বলেন।

যেসব ব্যক্তির ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তার মধ্যে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি রয়েছেন। এছাড়া তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও আনা হয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে তার কঠোর নিন্দা জানান ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। তিনি বলেন, ইউরোপীয় জোটের পক্ষ থেকে নেয়া এই পদক্ষেপের কোনো যৌক্তিকতা নেই।

ইরান মনে করে এই নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অমানবিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে ইরানি জনগণের অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। সাঈদ খাতিবজাদে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন নিষেধাজ্ঞা তাদের জন্য লজ্জা যারা মানবাধিকার রক্ষার দাবি করে থাকেন।

আজ ব্যাংক লেনদেন ৩টা পর্যন্ত

22

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারঘোষিত লকডাউনের আগে আজ (মঙ্গলবার) দেশের ব্যাংকগুলোতে শেষ লেনদেন। এদিন বেলা ৩টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা থাকবে।

লকডাউনের কারণে টানা সাতদিন ব্যাংক বন্ধের আগে ভিড় সামলাতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সোমবার (১২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে ব্যাংক বন্ধের সিদ্ধান্তের ফলে মঙ্গলবার ব্যাংকে ভিড় হতে পারে। এ কারণে এদিন সকাল ১০টা থে‌কে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেন চলবে। আর লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, লকডাউনের সাতদিন ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে এটিএম বুথ থেকে দিনে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ উত্তোলন করা যাবে। এর আগে বেশিরভাগ ব্যাংকে কার্ড দিয়ে দিনে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা যেত।

লকডাউনেও স্বাভাবিক মোংলা বন্দর

1

দেশের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সরকার ঘোষিত লকডাউনের মধ্যেও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমসহ সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

করোনার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধিতে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম স্বাভাবিক রাখতে দেশে উৎপাদিত পণ্য ও কাঁচামাল সরবরাহ ঠিক রাখতে মোংলা বন্দরে ২৪ ঘণ্টা স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে।

লকডাউনের এক সপ্তাহে বন্দরে জাহাজ আগমন করে ২১টি, গত বছর সমসাময়িক সময়ে জাহাজ আগমন করেছে ১৮টি। কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে ২৬০৫৬৭ মেট্রিক টন, গত বছর সমসাময়িক সময়ে ছিল ২০০০০৩ মেট্রিক টন। কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৩৭৩ টিইইউজ এবং ৭১১৭ মেট্রিক টন।

এছাড়াও এ সময়ে বন্দর থেকে ২৭২টি গাড়ি ডেলিভারি করা হয়েছে। জাহাজ, কার্গো, গাড়ি ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের ক্ষেত্রে সকলসূচক ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ফলে বন্দরের আয় স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) জনাব মোস্তফা কামাল বলেন, করোনাকালীন সময়ে লকডাউনের মধ্যে মোংলা বন্দরের যে সকল পণ্য আমদানি-রফতানি হয়েছে তার মধ্যে ডাল, ছোলা, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট, কয়লা, হোয়াইট ক্লিংকার, পাথর, গ্যাস, কিচেন সিংক, ডাটা কেবল, ফেব্রিক্সস, এলইডি লাইট, ক্যালসিয়াম কাবোর্নেট, অ্যালুমিনিয়াম শিট, এমএসি স্টিল, লেনটাইলস, মেশিনারিজ, চাল ও গাড়ি।

মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, ইতোমধ্যে মোংলা বন্দরের সকল কর্মকর্তা -কর্মচারীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে সর্তকতা হিসেবে মোংলা বন্দর নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে,। স্বাস্থ্যবিধি মেনে দর্শনার্থী প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে, অফিসে প্রবেশের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা পরীক্ষা, বন্দরের অফিস সমূহে এবং বন্দর এলাকায় করোনা সতর্কীকরণসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যানার স্থাপন, বন্দরের মসজিদ সমূহে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ আদায় করার জন্য সকলকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, লকডাউনের মধ্যে বন্দর কার্যক্রম সচল রাখতে মোংলা বন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ, ব্যাংক, শিপিং এজেন্ট, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, স্টিভের্ডস ও অন্যান্য বন্দর ব্যবহারকারীর সমন্বয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আমরা যেহেতু বন্দরে সকল স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয়ে কাজ করছি ফলে করোনার মধ্যে মোংলা বন্দরে কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চলমান থাকবে।

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

1

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড হয়েছে। সোমবার (১২ এপ্রিল) রাত নয়টায় দেশে ১৩ হাজার ৩৭৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে; যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) পরিচালক (জনসংযোগ) সাইফুল হাসান চৌধুরী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘সোমবার রাত নয়টায় সারাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৩ হাজার ৩৭৭ মেগাওয়াট। আমরা উৎপাদনও করেছি ১৩ হাজার ৩৭৭ মেগাওয়াট। এ সময় চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ায় কোথাও লোডশেডিং ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে ১৪ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত উৎপাদন করতে পারবো।’
এর আগে শনিবার (১০ এপ্রিল) দেশে ১৩ হাজার ৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল। তার আগে ৩ এপ্রিল রাত নয়টায় ১৩ হাজার ১৮ মেগাওয়াট এবং ১ এপ্রিলে ১২ হাজার ৮৯৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল।

মিয়ানমারে মরদেহ নিতে সেনাবাহিনীকে দিতে হচ্ছে ৮৫ ডলার

3

মিয়ানমারের পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ থেকে আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। বিক্ষোভ, সংঘাতে দেশটির রাজপথ রঞ্জিত হয়ে উঠেছে। একের পর এক অভিযানে সেনাবাহিনীর হাতে শত শত মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে।

সম্প্রতি একটি পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, গত শনিবার মিয়ানমারের বাগো শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৮০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। অভিযানের পর নিহতদের মরদেহ সরিয়ে ফেলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

অভিযানে নিহত বিক্ষোভকারীদের মরদেহ পেতে স্বজনরা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। কিন্তু সহজেই তারা স্বজনদের এক নজর দেখতে পারছেন না। সেনাবাহিনীকে টাকা দিয়ে তারপরেই মরদেহ নিতে পারবেন তারা।

সিএনএন’এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিটি মরদেহ নেয়ার জন্য ৮৫ ডলার করে সেনাবাহিনীর কাছে দিতে হবে। বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ সংস্থাও এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ইয়াঙ্গুন শহর থেকে ৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বাগো শহরে কমপক্ষে ৮২ জন নিহত হয়। গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ৭ শ’র বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য সামরিক বাহিনী দমন-পীড়নের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটির সেনাবাহিনী এক বছর ব্যাপী জরুরি অবস্থা জারি করেছে। তখন থেকেই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ।

এখন পর্যন্ত বিক্ষোভে অংশ নেয়া প্রায় তিন হাজার মানুষকে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। সামরিক বাহিনীর আতঙ্কে বিভিন্ন সংস্থার কর্মীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, সৈন্যরা ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছিল এবং এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়েছে। তারা নিরস্ত্র মানুষের ওপর রাইফেল, রকেট গ্রেনেড এবং হ্যান্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, শুক্রবারের অভিযানে অনেক বাসিন্দাই পালিয়ে আশেপাশের বিভিন্ন গ্রামে আশ্রয় নিয়েছেন। শুক্রবার থেকেই পুরো শহরে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আশেপাশের অন্যান্য এলাকাতেও তল্লাশি চালাচ্ছে সেনাবাহিনী।

বাগো ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের এক ফেসবুক পোস্ট অনুযায়ী, সেনা অভিযানে নিহতদের মরদেহ নিতে তাদের স্বজনদের ৮৫ ডলার বা মিয়ানমারের টাকায় ১ লাখ ২০ হাজার কিয়াত খরচ করতে হচ্ছে।

বিধিনিষেধের আওতার বাইরে যেসব কার্যক্রম-প্রতিষ্ঠান

0

বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে আগামী ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আটদিনের লকডাউন (বিধিনিষেধ) দিয়েছে সরকার। সোমবার (১২ এপ্রিল) এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বিধিনিষেধের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কিছু সেবা ও প্রতিষ্ঠানকে বিধিনিষেধের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

এতে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।

শিল্পকারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেয়া নিশ্চিত করতে হবে।

সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ও সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং এ সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সকল প্রকার পরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে, পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এই আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

হাটহাজারীতে ইউএনও’র উদ্যোগে কালভার্ট নির্মাণ

37

১৯৯৪ সালে নির্মিত কালভার্ট দিয়ে যাতায়াত করছিল চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক হাজার বাসিন্দা। কিন্তু গত আড়াই বছর আগে থেকে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়লে বিপাকে পড়েন তারা। চিকিৎসা কিংবা অন্যান্য জরুরি কাজেও তারা গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করতে পারছিলেন না।

সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ে নতুন কালভার্ট নির্মাণের জন্য এলাকাবাসী ঘুরেছেন অনেক জনপ্রতিনিধির কাছে। কিন্তু তাতে সমাধান হয়নি। হতাশ হয়েই কিছুদিন আগে তারা যোগাযোগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দফতরে।

ইউএনও এলাকাবাসীর সমস্যার কথা চিন্তা করে উদ্যোগ নেন ভিন্ন উপায়ে কাজটি বাস্তবায়নের। কাজ দ্রুত করতে তিনি টেন্ডার কিংবা বাজেটের দিকে না গিয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি ‘প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি’ করেন। সেই কমিটির হাতেই আলোর মুখ দেখল কালভার্টটি। কিছুদিনের মধ্যেই চলাচল উপযোগী হয় এটি।

ইউএনওর এমন উদ্যোগে খুশি এলাকাবাসী। তারা বলছেন, ‘আমরা কল্পনাও করিনি এত দ্রুত কালভার্ট নির্মাণ হবে। ইউএনও মহোদয়ের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাত্র এক লাখ ২৫ হাজার টাকায় এটি নির্মিত হয়েছে। অথচ এরকম একটি কালভার্ট টেন্ডারের মাধ্যমে নির্মাণ করলে খরচ হতো তিন লাখেরও বেশি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাটহাজারীর ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, ‘এলাকাবাসীর সমস্যার কথা শুনে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করেছি। এছাড়া হাজ্বী মফজল মিয়া সড়কটি চওড়া করা হয়েছে। স্থানীয়দের উপস্থিতিতেই সম্প্রতি কাজটি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় ইউপি সদস্য বেশ সহযোগিতা করেছেন।’

এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ

2

গৃহস্থালি রান্নায় ব্যবহৃত লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। মূসকসহ বেসরকারি খাতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপি গ্যাসের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৯৭৫ টাকা। আর রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৯১ টাকা।

সোমবার (১২ এপ্রিল) এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ দাম ঘোষণা করে বিইআরসি। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ নিয়ে গণশুনানি করে জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল বলেন, গণশুনানি শেষে সবকিছু বিচার-বিবেচনা ও দাখিল করা তথ্য যাচাই করে একাধিক সভার মাধ্যমে দাম চূড়ান্ত করেছে কমিশন। এই দাম আজ থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

বিইআরসির আদেশে আরও বলা হয়, গাড়িতে ব্যবহৃত এলপি গ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৪৭ টাকা ৯২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, দাম সারাদেশে অভিন্ন থাকবে। ভোক্তারা বাড়তি দাম দেবেন না। কমিশনের আদেশ বাস্তবায়ন করতে লাইসেন্সধারীরা বাধ্য। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সদস্য মোহম্মদ আবু ফারুক, মকবুল ই ইলাহি চৌধুরী, মোহাম্মদ বজলুর রহমান, মো. কামরুজ্জামান।

গত বছরের ডিসেম্বরে বিইআরসিতে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় এলপি গ্যাস সরবরাহকারী কোম্পানিগুলো। গণশুনানির আগে তাদের প্রস্তাব মূল্যায়ন করে বিইআরসি গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি। এরপর গণশুনানিতে সরবরাহকারী কোম্পানির প্রস্তাব, কারিগরি কমিটির মূল্যায়ন নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে।

বিইআরসির তথ্য অনুযায়ী, বাসা-বাড়িতে রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপি গ্যাসের ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৯ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেয় বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলো। আর সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৬০০ থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করার কথা বলে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি এলপি গ্যাস লিমিটেড (এলপিজিএল)। তবে বিইআরসি গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি জানায়, বেসরকারি খাতে ৮৬৬ টাকা ও সরকারি খাতে এলপিজিএলের দাম ৯০২ টাকা করা যেতে পারে।

বেসরকারি খাতে প্রায় ২০ বছর ধরে এলপি গ্যাসের ব্যবসা চলে আসছে। তবে গত কয়েক বছর ধরে বাজারে এর চাহিদা বাড়ছে। ফলে বাড়ছে ব্যবসার পরিধিও। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও গ্রাহকের জন্য এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ করতে পারেনি বিইআরসি। অবশেষে উচ্চ আদালতের আদেশে বাধ্য হয়ে দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু করে বিইআরসি।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) রিট আবেদনের ভিত্তিতে এক মাসের মধ্যে গণশুনানির মাধ্যমে দাম পুনর্নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দাখিল করতে গত ২৫ আগস্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন উচ্চ আদালত। নির্ধারিত ওই সময়ের মধ্যে দাম নির্ধারণ করতে না পারায় আদালতের কাছে ক্ষমা চেয়ে সময় বাড়িয়ে নেয় বিইআরসি। ২০১৬ সালে জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেছিল ক্যাব।

বিধিনিষেধে আদালতসমূহের নির্দেশনা জারি করবে সুপ্রিম কোর্ট

566

আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আট দিনের জন্য বিধিনিষেধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। সোমবার (১২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর বিধিনিষেধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সময়ে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি সব অফিস বন্ধ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত বিধিনিষেধে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

যদিও করোনা সংক্রমণ বাড়ার প্রেক্ষাপটে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সীমিত পরিসরে ভার্চুয়ালি তিনদিন (রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার) চলবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নির্দেশক্রমে রোববার (১১ এপ্রিল) আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. বদরুল আলম ভূঞা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মামলার শুনানি চলবে।

এছাড়াও আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত চলবে দুই দিন এবং হাইকোর্ট বিভাগে চারটি বেঞ্চে ভার্চুয়ালি শুনানি চলছে। এদিকে, দেশের সর্বোচ্চ আদালতসহ সকল আদালতে রমজানের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এখন অপেক্ষা সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী নির্দেশনার।

Dhaka, BD
haze
34 ° C
34 °
34 °
46 %
6.2kmh
0 %
মঙ্গল
41 °
বুধ
41 °
বৃহঃ
41 °
শুক্র
38 °
শনি
38 °

সর্বাধিক পঠিত