24 C
Dhaka, BD
Home Blog Page 854

এবার ক্রিকেটীয় বিজ্ঞাপনে ভ্রু কাঁপানো সেই প্রিয়ার জাদু

3

বিনোদন ডেস্ক : একটি চলচ্চিত্রে ভ্রু কাঁপিয়ে বিশ্ব মাতিয়েছেন মালয়ালাম অভিনেত্রী প্রিয়া প্রকাশ ভারিয়ার। এবার তাকে দেখা গেল একটি বিজ্ঞাপনে। সেখানেও তার ট্রেডমার্ক ভ্রু কাঁপানো চোখের নাচন দেখা গেছে। সম্প্রতি প্রচারে এসেছে বিজ্ঞাপনটি। সেটিও এসেছে আলোচনায়।

সেই বিজ্ঞাপনটি ছিলো চকোলেটের। সেখানে ক্রিকেটীয় বিজ্ঞাপনে চোখের জাদু চালালেন প্রিয়া। সাধারণ দর্শকের মনে এখন আইপিএল। চলতি মরসুমের উত্তাপ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই বিশেষভাবে তৈরি হয়েছে এই বিজ্ঞাপন।

বিজ্ঞাপনটি শুট হয়েছে একটি স্টেডিয়ামের ভিতর। যেখানে ক্রিকেট প্র্যাক্টিস চলছে। একদিকে বাউন্ডারি লাইনের ধারে বসে চকোলেট খাচ্ছেন প্রিয়া। হঠাৎ একজন প্লেয়ারের হিটে বল এসে পড়ে বাউন্ডারি লাইনে প্রিয়ার কাছে। অন্য এক প্লেয়ার এসে তার কাছে বলটি চান। তখন চোখের জাদু চালিয়ে প্রিয়া বলেন, ‘ম্যায় ফেকি হুয়ি চিজে, নেহি উঠাতি।’

এই বিজ্ঞাপনের ভিডিওটির ভিউ ৫ দিনে ৬১ হাজার ৭৫১। যা প্রিয়ার সেই ২৬ সেকেন্ডের ভিডিওর ভিউ থেকে অনেকটাই কম।

‘ওরু আডার লাভ’ ছবির মানিক্য মালরায় পুভি গানে প্রথম দেখা গেছিল প্রিয়াকে। সেই ভিডিওতে মাত্র ২৬ সেকেন্ড ছিল তার উপস্থিতি। আর তাতেই নিজের চোখ ও হাসির জাদুতে দর্শকদের ঘায়েল করে রাতারাতি সোশাল মিডিয়া সেনসেশন হয়ে উঠেছিলেন প্রিয়া।

আইপিএল জিতলে গেইলদের বিশেষ কিছু দেবেন প্রীতি

2

স্পোর্টস ডেস্ক : আইপিএলের প্রথম আসর থেকেই কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মালিকানা নিজের কাছে রেখেছেন ভারতীয় অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। দশটি আসর পেরিয়ে গেলেও আইপিএল শিরোপায় চুমু খাওয়া হয়নি এই বলিউড তারকার। তাই চলতি মৌসুমের শিরোপা জিততে পারলে গেইল-রাহুলদের জন্য বিশেষ কিছু করার ঘোষণা দিয়ে রাখলেন প্রীতি।

ক্রিস গেইল-লোকেশ রাহুলের ব্যাটে চড়ে এখনো পর্যন্ত খেলা ৫ ম্যাচের ৪টিতেই জিতেছে পাঞ্জাব। তারা অবস্থান করছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। সবশেষ ম্যাচে শনিবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে মাত্র ১১ ওভারেই ১২৫ রান তাড়া করে জেতে পাঞ্জাব। টানা তিন ম্যাচে পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস খেলেন গেইল। সবমিলিয়ে তাদের পারফরম্যান্সে ভীষণ খুশি দলের কর্ণধার প্রীতি জিনতা।

এই পারফরম্যান্সের ধারা বজায় রেখে টুর্নামেন্টে শেষ হাসিটা হাসতে পারলেই পাঞ্জাবের খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ কিছু নিয়ে হাজির হবেন প্রীতি। কলকাতার বিপক্ষে ম্যাচে জয়ের পর মজার এক কথোপকথনে মেতে ওঠেন প্রীতি এবং পাঞ্জাবের ওপেনার রাহুল। তখনই এই তথ্য জানান বলিউড অভিনেত্রী।

রাহুল তাকে জিজ্ঞেস করেন যদি আমরা (পাঞ্জাব) আইপিএল জিতে যাই তাহলে কি করবেন প্রীতি? জবাবে প্রীতি বলেন, ‘হ্যাঁ! আমি অবশ্যই বিশেষ কিছু করবো। এখনই বলতে চাচ্ছিনা সেটি কি হবে। আমরা শিরোপা জয়ের পথে এগুচ্ছি এবং যদি আমরা জিতে যাই, তাহলে আমি অবশ্যই বিশেষ কিছু করবো।’

প্রীতি এখনই জানাননি কি করবেন তিনি। তবে পাঞ্জাবের খেলোয়াড়সহ ভক্ত-সমর্থকদের সবাই-ই অধীর আগ্রহে আছে প্রীতির বলা ‘বিশেষ কিছু’ দেখার জন্য। তবে সেজন্য আগে পাঞ্জাবকে জিততে হবে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম আইপিএল শিরোপা।

পুলিশ দম্পতি হত্যা : গৃহপরিচারিকা সুমির রায় ৬ মে

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুলিশ দম্পতি খুনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মেয়ে ঐশীকে সহযোগিতা করার অপরাধে গৃহপরিচারিকা খাদিজা আক্তার সুমির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৬ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকা প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আল মামুন রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিউপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। মামলায় ৪৯ জন সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ২৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

উল্লেখ, ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগে নিজেদের বাসা থেকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (রাজনৈতিক শাখা) পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মা-বাবা খুন হওয়ার পর পালিয়ে যায় ঐশী। এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ১৭ আগস্ট নিহত মাহফুজুর রহমানের ছোট ভাই মো. মশিউর রহমান রুবেল পল্টন থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। একই বছরের ১৭ আগস্ট ঐশী রমনা থানায় আত্মসমর্পণ করেন। এরপর ২৪ আগস্ট আদালতে খুনের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন ঐশী।

২০১৪ সালের ৯ মার্চ গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. আবুল খায়ের মাতুব্বর আসামিদের বিরুদ্ধে দুইটি পৃথক চার্জশিট দাখিল করেন। সুমি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় কিশোর আইনে এবং ঐশীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আরেকটি চার্জশিট দাখিল করেন। সুমির মামলার বিচার কার্যক্রম কিশোর আদালতে পরিচালনা হয়। ২০১৪ সালের ২০ মে সুমির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধান আসামি তাদের মেয়ে ঐশী রহমানকে ডাবল মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন ঢাকার চার নং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। অপর দুই আসামি ঐশীর বন্ধু রনিকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও জনিকে খালাস দেন।

২০১৭ সালের ৫ জুন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ঐশী রহমানের সাজা কমিয়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।

এইচএসসির ভূগোল দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা স্থগিত

2

নিজস্ব প্রতিবেদক : উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার আগামীকালের ভূগোল দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। নেত্রকোণার দুর্গাপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে আজ ভূগোল প্রথম পত্রের প্রশ্নের পরিবর্তে স্থানীয় ট্রেজারি থেকে ভুলবশত দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন বিতরণ করা হয়। স্থানীয় জেলা প্রশাসন বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অবহিত করলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহবার হোসাইন পরীক্ষা স্থগিত করেন।

তিনি বলেন, অভিন্ন পদ্ধতিতে এ পরীক্ষা আয়োজিত হওয়ায় আগামীকালের ভূগোল দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে অন্যান্য পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে চলবে।

ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জিয়াউল হক বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করে বলেন, অনিবার্যবশত কারণে ভূগোল দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১৪ মে এ পরীক্ষা নেয়া হবে। এ বিষয়ে দুইটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একটি স্থানীয় জেলা প্রশাসক ও অন্যটি ঢাকা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অধীনে হবে। কমিটি সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করবে।

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে ২ এপ্রিল শুরু হবে। চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১৩ মে। ১৪ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ২৩ মে শেষ হবে।

ইয়াবাসহ নারী ক্রিকেটার আটক

1

জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার শাহ আমানত সেতুর গোলচত্বর থেকে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ নাজবীন খান মুক্তা নামে এক নারী ক্রিকেটারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার ভোর ৫টায় তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান বাকলিয়া থানার ওসি প্রণব চৌধুরী।

মুক্তা ময়মনসিংহের ত্রিশাল মঠবাড়ি এলাকার আবুল খায়ের কাজলের মেয়ে।
ঢাকাতে সেগুনবাগিচায় থাকছিলেন। মুক্তা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আনসার দলের নিয়মিত ক্রিকেটার।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি হলেও অনিয়মিত হওয়ায় ভর্তি বাতিল হয়।

ওসি বলেন, কক্সবাজার থেকে গ্রীনলাইন পরিবহনের এসি বাসে ঢাকা যাচ্ছিলেন নারী ক্রিকেটার মুক্তা। শাহ আমানত সেতুর গোলচত্বর এলাকায় তাকে তল্লাশি করে ১৪ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কক্সবাজারের নাহিদ নামের একজনের কাছ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকায় তার সহযোগী রিপনকে সরবরাহ করার কথা মুক্তা স্বীকার করেছেন বলেও জানান ওসি প্রণব চৌধুরী।

নতুন চুক্তিভুক্ত তিন ক্রিকেটারের একজন লিটন দাস!

0

বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলা সাহিত্যের ছোট গল্পের মত শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না। ক্রিকেটারদের সঙ্গে বোর্ডের বাৎসরিক চুক্তি নিয়ে কথা বার্তা চলছেই। যদিও বোর্ড থেকে প্রথম দিনই বলে দেয়া হয়েছে, পারফরমেন্সকে মানদণ্ড ধরেই চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটারের সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে। গত এক বছর যাদের পারফরমেন্স ভালো ছিল না, তাদের চুক্তির বাইরে রাখা হয়েছে। যারা অন্তত দুই বা এক ফরম্যাটে জাতীয় দলের হয়ে নিয়মিত খেলেছেন, তারাই চুক্তির কোটায় স্থান পেয়েছেন।

আর যারা টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি কোন ফরম্যাটেই সুযোগ পান না, তাদের জায়গা হয়নি ১০ জনে। তাই তিন ফরম্যাটের অটোমেটিক চয়েজ তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর মোস্তাফিজুর রহমান আছেন চুক্তিতে। সঙ্গে দুই টেস্ট স্পেশালিষ্ট মুমিনুল হক, তাইজুল ইসলাম, ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি আর তিন ফরম্যাটেই যারা বিবেচনায় থাকেন সেই মেহেদী হাসান মিরাজ ও রুবেল হোসেনই শুধু নতুন চুক্তিতে আছেন।

দুই বাঁ-হাতি ওপেনার ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, দুই মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান রুম্মন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আর পেসার তাসকিন আহমেদ ও কামরুল ইসলাম রাব্বি বাদ পড়েছেন।

বলার অপেক্ষা রাখে না, ক্রিকেটারদের সঙ্গে বোর্ড যত বছর ধরে চুক্তি করে আসছে তার মধ্যে এবারই প্রথম এক সঙ্গে ছয়জন ক্রিকেটার চুক্তির বাইরে ছিটকে পড়লেন। প্রতি বছর কিছু সংযোজন ঘটে। আবার কাউকে বাদও দেয়া হয়। কিন্তু এক সঙ্গে এতগুলো ক্রিকেটার বাদ পড়ার ঘটনা এই প্রথম। এক সঙ্গে ছয়জন ক্রিকেটারকে চুক্তির বাইরে ঠেলে দেয়ার কারণেই শুধু নয়, আরও একটি বিশেষ কারণে এবারের চুক্তি নিয়ে কথা হচ্ছে বেশি। কারণ এবার যে ১০ জনকে চুক্তির আওতায় রাখা হয়েছে, সেটাও আগের যে কোন বারের চেয়ে ছোট। আগে কখনই এত কম ক্রিকেটারের সঙ্গে চুক্তি করা হয়নি। গড়পড়তা ১৬/১৮ এমনকি ২০/২২ জন ক্রিকেটারের সঙ্গেও চুক্তি করা হয়েছে আগে।

১০ জন প্রাথমিকভাবে চুক্তির আওতায় থাকলেও বলা হয়েছে আরও তিনজনের সঙ্গে চুক্তি করা হবে। মানে এই সংখ্যা দশ থেকে বাড়িয়ে ১৩‘তে উন্নিত করা হবে। যে সভায় চুক্তি ভুক্ত ক্রিকেটারদের সংখ্যা ১৬ থেকে কমিয়ে ১০‘এ আনা হয়েছে , গত ১৮ এপ্রিল হওয়া বোর্ড পরিচালক পর্ষদের সেই সভায় নতুন করে আরও তিনজনের সাথে চুক্তি করার কথা বলা হয়েছে। সভা শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন তা উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনেও বলেছেন।

জানা গেছে ঐ ১০ জনের বাইরে আরও তিনজনকে চুক্তির আওতায় আনা হবে। ঐ তিন ক্রিকেটার কারা? এখন তাই রাজ্যের কৌতূহল, কোন তিনজনকে নতুন করে চুক্তির আওতায় আনা হবে? ভেতরের খবর, বোর্ড থেকে ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির কাছে তিনজন ক্রিকেটারের নাম চেয়ে পাঠানো হয়েছে। ক্রিকেট অপস তা নির্বাচকদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে।

প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে তারা তিনজনের নাম চূড়ান্ত করে পাঠাবেন বোর্ডে। জাগো নিউজের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচকের কাছে প্রশ্ন ছিল, কোন তিন ক্রিকেটার নতুন ভাবে চুক্তিভুক্ত হতে যাচ্ছেন। আপনারা কাদের নাম বোর্ডে পাঠাবেন, প্রধান নির্বাচকের জবাব, ‘এখনো ঠিক হয়নি। তবে আমরা ক্রিকেটার নির্বাচনের কাজ শুরু করেছি। কিন্তু এখনো তা চূড়ান্ত হয়নি।’

আজ (রোববার) সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে প্রধান নির্বাচক কারও নাম উল্লেখ না করলেও ভেতরের খবর, লিটন দাসের চুক্তির আওতায় থাকা শতভাগ নিশ্চিত। তিনজনের তালিকায় প্রথম নামটিই থাকছে লিটন দাসের। বাকি দুজনের মধ্যে একজন পেস বোলারের কথা শোনা যাচ্ছে।

বাদ পড়া ছয়জনের মধ্য থেকে কাউকে কাউকে নবীন ক্রিকেটারের কোটায় চুক্তিতে রাখা হতে পারে, ক্রিকেট পাড়ায় এমন গুঞ্জনও আছে। এটাকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করে মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, না না বাদ পড়াদের কারও তিনজনের ভেতরে থাকার কোনই সম্ভাবনা নেই। আমর তার বাইরে থেকে তিনজনকে বেছে নিব।

শুধু সৌম্য, ইমরুল, সাব্বির, মোমাদ্দেক, তাসকিন ও কামরুল ইসলাম রাব্বিই নন, নান্নুর কথায় পরিষ্কার পেসার শফিউল ইসলামও বিবেচনায় নেই। তবে তার কথা বার্তায় সুস্পষ্ট ইঙ্গিত লিটন দাস থাকছেন চুক্তিতে।

এ বছর মানে ২০১৮ সালে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ যে দুটি টেস্টে অংশ নিয়েছে তার দুটিই খেলেছেন লিটন ( শ্রীলঙ্কার সাথে গত জানুয়ারি- ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা ও চট্টগ্রামে)। সঙ্গে আরেকজন পেস বোলারকেও রাখা হবে। এবছর দেশের হয়ে পাঁচ ওয়ানডের একটিতেও একাদশে জায়গা না পেলেও এ সময়ের মধ্যে লাল সবুজ জার্সি গায়ে পাঁচ টি-টোয়েন্টির সবটাই খেলেছেন লিটন দাস। অন্তত দুই ফরম্যাটে জাতীয় দলে থাকা ও নিয়মিত খেলা ক্রিকেটাররা এবারের চুক্তিতে বিশেষ বিবেচনায় এসেছেন। তাদেরকেই অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। তাই টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি দলে নিয়মিত সদস্য বনে যাওয়া উইকেটকিপার কাম ব্যাটসম্যানের চুক্তির আওতায় আসার সম্ভাবনা খুব বেশি। আর চুক্তির আওতায় তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে উইকেটকিপার কাম হার্ড হিটার নুরুল হাসান সোহান এবং বাঁ-হাতি স্পিনার নাজমুল অপুও নাকি আছেন বিশেষ বিবেচনায়। তাদের দেখা গেলে অবাক হবার কিছু থাকবে না।

মাঝ আকাশে বিমানের জানালা ভেঙে আহত ৩

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রচণ্ড ঝাঁকুনিতে মাঝ আকাশে বিমানের জানালা ভেঙে তিন যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের সরকারি বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের একটি ফ্লাইটে।

অমৃতসর থেকে রাজধানী নয়াদল্লিগামী ওই বিমানটির যাত্রীরা এসময় তীব্র শ্বাস-কষ্টে ভুগেন। পরে তাদের অক্সিজেন মাস্ক সরবরাহ করা হয় বলে রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার (ভিটিএএনআই) মাঝ আকাশে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধরে প্রচণ্ডভাবে কাঁপতে থাকে। এ নিয়ে বিব্রত পরিস্থিতি তৈরি ঘটনার তদন্তে নেমেছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, এআই-৪৬২ ফ্লাইটটি এতটাই কাঁপতে শুরু করে একজন যাত্রী কেবিনের ওপরের অংশে ধাক্কা লেগে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। এছাড়া আরো দু’জন যাত্রী হালকা আহত হয়েছেন।

বিমানটির জানালার প্যানেলের (১৮-এ) একটি অংশ ভেতরে খুলে পড়ে। তবে জানালার বাইরের অংশ ভেঙে না পড়ায় স্বস্তি দেখা দিলেও অনেক যাত্রী স্বাভাবিকভাবেই ভীত হয়ে পড়েন।

ঝুঁকিতে হাকালুকি হাওরের জীববৈচিত্র্য

0

জেলা প্রতিনিধি মৌলভীবাজার : বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলায় বিস্তৃত। বাংলাদেশের প্রধান চারটি ‘মাদার ফিশারিজ’র মধ্যে হাকালুকি হাওর অন্যতম। বিভিন্ন আকারের ২৭৬টি আন্তঃসংযুক্ত বিলের সমন্বয়ে গঠিত এই হাওরের আয়তন ১৮ হাজার ১১৫ হেক্টর। হাকালুকি হাওরের বিশাল জায়গাজুড়ে রয়েছে জলজ বন। বিভিন্ন ধরনের জলজ ভাসমান উদ্ভিদ, শেকড়ধারী উদ্ভিদ, ওষুধি উদ্ভিদ ও অতিরিক্ত জলসহিষ্ণু উদ্ভিদ প্রচুর জন্মে। এ অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য উদ্ভিদ প্রজাতির মধ্যে রয়েছে হিজল, করচ, বরুণ, বনতুলসী, নলখাগড়া, পানিফল, হেলেঞ্চা, বল্লুয়া, চাল্লিয়া প্রভৃতি। এছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির নানা ওষুধিসহ বৈচিত্র্যপূর্ণ ছোট ছোট বিভিন্ন প্রজাতির জলজ গাছ। বিভিন্ন ধরনের বন্যপ্রাণী ও পাখির আবাসস্থল এ বন। সঠিক পরিকল্পনার অভাব এবং গরু-মহিষের অবাধ বিচরণ ও বনের গাছপালা কেটে নেওয়ায় ঝুঁকির মুখে পড়েছে বনের জীববৈচিত্র্য। নানা সংকটের কারণে বিশাল এ জলজ বন রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই হুমকির শেষপ্রান্তে হাকালুকির জীববৈচিত্র্য।

বন বিভাগ ও মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভৌগলিকভাবে উত্তরে ভারতের মেঘালয়, পূর্বে ভারতের আসাম ও মণিপুর পাহাড় এবং দক্ষিণে ত্রিপুরা ও মিজোরাম পাহাড়ের পাদদেশ। ভূ-তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের কারণে উজানে প্রচুর পাহাড় থাকায়, পাহাড়ি ঢলে প্রতিবছরই হাকালুকি হাওর প্লাবিত হয়। এ সময় ছোট, মাঝারি ও বড় ২৭৬টি বিল পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে একটি বিশাল জলরাশিতে পরিণত হয়। এ সময় হাওরের আয়তন দাঁড়ায় প্রায় ১৮ হাজার ১১৫ হেক্টর। আর শুষ্ক মৌসুমে শুধু বিলের আয়তন প্রায় ৪ হাজার ৯২৫ হেক্টর। হাকালুকি হাওর বৃহত্তর মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা (৪০%), কুলাউড়া ও জুড়ী (৩০%) এবং বৃহত্তর সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ (১৫%), গোলাপগঞ্জ (১০%) এবং বিয়ানীবাজার (৫%) অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত। এই হাওরাঞ্চলকে ঘিরে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার মানুষ জীবনযাপন করছে। হাকালুকি হাওরের মৎস্য সম্পদ অত্যন্ত সমৃদ্ধ।


বিশাল এ হাওরের জলজ জীববৈচিত্র্য রয়েছে হুমকির মুখে, ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে হাওরের প্রাকৃতিক পরিবেশ। হাওর পাড়ের মানুষের সঙ্গে আলাপ করলে তারা জানান, বিভিন্নভাবে এই বনকে ধ্বংস করা হচ্ছে। বনের বড় বড় গাছগুলো কেটে নিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারসহ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু বন বিভাগের কোনো লোক তা দেখাশোনা করে না। বনের গাছপালা বর্ষায় হাওরের ঢেউ ঠেকায় যার ফলে তীরবর্তী বাড়িঘর-রাস্তাঘাট রক্ষা পায়। বর্ষা মৌসুমে মাছের খাদ্য ও আবাসস্থল হয়। বনের ভেতরে বন্যপ্রাণী ও পাখি আশ্রয় নিয়ে থাকে। বিভিন্ন মাছের খাবার এই জলজ উদ্ভিদ। মিঠা পানির সব প্রজাতির ছোট-বড় সুস্বাদু মাছ, অতিথি ও দেশীয় পাখি, নানা প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, গুল্মলতা, নলখাগড়া ইত্যাদিতে ভরপুর ছিল হাকালুকি হাওর। পাওয়া যেত নানা জাতের ওষুধি লতাপাতা। বর্তমানে এ সব কিছুই ধ্বংসপ্রাপ্ত।


হাকালুকি হাওরের প্রাণিবৈচিত্র্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির শীতকালীন পরিযায়ী পাখিসহ প্রায় ৫৫৮ প্রজাতির বন্যপ্রাণী শনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে বিপন্ন, শংকটাপন্ন ও বিরল প্রজাতির বিভিন্ন বন্যপ্রাণী এ অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায়। এসব বন্যপ্রাণীর মধ্যে স্তন্যপায়ী, পাখি, উভচর ও সরীসৃপ উল্লেখযোগ্য। স্তন্যপায়ী বন্যপ্রাণীর মধ্যে এখানে রয়েছে- মেছোবাঘ, শিয়াল, গন্ধগোকুল, বেজী, ইঁদুর ইত্যাদি। পাখির মধ্যে রয়েছে বিরল প্রজাতির প্যালাসেস ঈগল ও বড় আকারের গ্রে কিংস্টর্কসহ বালিহাঁস, লেঞ্জা হাঁস, বেগুনি কালেম, পাতি কুট, মরিচা ভুতিহাঁস, পিয়ংহাস, পান্তামুখী, লালচেমাথা ভুতি হাঁস, লালশির, ডুবুরি, পানকৌড়ি, ডাহুক, সাদাবক, মাছরাঙা, বাংলা শকুন, সারস, শঙ্খচিল ইত্যাদি। এছাড়া উভচরের মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েক প্রজাতির ব্যাঙ ও সরীসৃপের মধ্যে রয়েছে কয়েক প্রজাতির কচ্ছপ, সাপ, গিরগিটি ইত্যাদি। এছাড়াও এক হাজারেরও বেশি অমেরুদণ্ডি প্রাণীর আবাস রয়েছে এ হাওরাঞ্চলে।

হাওর পাড়ের প্রবীণদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একসময় নানা প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ ও গুল্মলতায় ভরাট ছিল প্রতিটি বিল। শীতকালে প্রতিটি বিল সিংরা, পানিফল, এরালী, শ্যাওলা ইত্যাদি নানা প্রজাতির গুল্মলতায় ভরপুর থাকতো। এসব গুল্মলতা এতো বেশি ছিল বা তাদের ঘনত্ব এতো বেশি ছিল যে, বাহির থেকে বিলে পানি দেখা যেত না। মাছের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি বিলে প্রচুর পরিমাণ নানা প্রজাতির জলচর প্রাণী ও কীটপতঙ্গ ছিল। যা মাছ ও অতিথি পাখির খাবার জোগান দিতো। যেমন- ছোট-বড় শামুক, ঝিনুক, গুগাইল, ফোটকোনাসহ নাম না জানা অসংখ্য কীটপতঙ্গ। প্রতিটি বিল ছিল গভীর; তাতে বড় বড় সুস্বাদু রুই, কাতলা, মৃগেল, কালো বাউস, আইড়, বোয়াল, শোল, গজার, পাঙ্গাস, ঘনিয়া ও ছোট প্রজাতির কই, মাগুর, পাবদা, সিং, পুটি, টেংরা, ভেড়া, মলা, রানি, বাঁচা মাছসহ সব প্রজাতির মাছ। এককালে ইলিশাও পাওয়া যেত। এককথায় এমন কোনো প্রজাতির মাছ ছিল না, যা হাওরে পাওয়া যেত না। অনেক প্রজাতির মাছ এখন বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং যাচ্ছে। যেমন- পাঙ্গাস, ঘনিয়া, পাবদা, রানি, সিং, মাগুরসহ আরও অনেক।

একসময়ের সারি সারি হিজল গাছ এখন আর নেই। নিয়ম-কানুন অমান্য করে জ্বালানী কাঠের জন্য হিজল গাছ কেটে নেওয়ায় হাকালুকি হারিয়েছে তার যৌবন, বিপন্ন হয়েছে জীববৈচিত্র্য। হাকালুকি হাওরের সব হিজল গাছ সাবাড় হয়ে বর্তমানে এ অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। অথচ সমগ্র হাকালুকি হাওরে হাজার হাজার হিজল গাছ ছিল। পার্শ্ববর্তী গ্রামের লোকেরা জ্বালানি হিসেবে বাড়ির পাশের গুল্মলতা কেটে নিতে থাকায় তা-ও আজ সম্পূর্ণ উজাড় হয়ে গেছে।

পরিবেশকর্মী কবির আহমদ জানান, এরই মধ্যে গাছ কাটার বিষয়টি প্রশাসন, বন বিভাগ ও পুলিশের কর্মকর্তাদের কাছে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। গোপনে গাছ কাটা ও বনের ভেতর গরু-মহিষের অবাধ বিচরণে এখন বন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ।


সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মিহির কুমার দে জানান, একজন বনরক্ষী দিয়ে গরু-মহিষের অবাধ বিচরণ রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি এই বিশাল হাওরের গাছ কাটাও বন্ধ করা যাচ্ছে না। এর জন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এছাড়া হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন বিভাগ কাজ করছে। আরো কিছু বনভূমি সৃষ্টির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ৩ জুন

1

ছবি-ফাইল

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩ জুন নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৫৬ বারের মত পেছাল।

আাজ রোববার (২২ এপ্রিল) মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলাম নতুন এ দিন ধার্য করেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সারোয়ার ওরফে সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার রুনা ওরফে মেহেরুন রুনি দম্পতি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় খুন হন।

সাগর-রুনি খুন হওয়ার পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আইডিয়ালে ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : উত্তরপত্র ঘষামাজা করে নম্বর বেশি দিয়ে ভর্তি করানোর অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি মাধ্যমিক শাখার উপ-সচিব কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, রাজধানীর আইডিয়াল স্কুলের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু অনেক শিক্ষার্থীর উত্তরপত্রে ভুলগুলো রাবার দিয়ে মিশিয়ে সঠিক উত্তর লিখে পাস করানো হয়েছে। এসব উত্তরপত্র জব্দ করে যাচাই-বাছাই করা হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের (বিদ্যালয়) যুগ্মসচিব সালমা জাহান জাগো নিউজকে বলেন, আইডিয়াল কলেজের মতিঝিল, বনশ্রী এবং মুগদা শাখায় দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নম্বর বাড়িয়ে পাস করানোর অভিযোগ এসেছে। ফলে বিষয়টি তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরকে (মাউশি) পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বলেন, খাতা দেখা আমার কাজ নয়। আমি পরীক্ষার হলে ডিউটিও দেই না। তাহলে আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ কেন আসবে? আমার স্কুলের শিক্ষকরাই খাতা দেখেন, তারাই ফলাফল দেন, আমি কেবলমাত্র স্বাক্ষর করি। অপরাধ করলে তারা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয় তদন্ত করে অপরাধীকে বের করুক, তারপর জানা যাবে কে অপরাধ করেছে।

Dhaka, BD
haze
24 ° C
24 °
24 °
53 %
0kmh
0 %
শুক্র
24 °
শনি
26 °
রবি
26 °
সোম
26 °
মঙ্গল
26 °

সর্বাধিক পঠিত