24 C
Dhaka, BD
Home Blog Page 853

মৌলভীবাজারে বেশির ভাগ নারী চা শ্রমিক জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত

0

জেলা প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার : চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে দেশের চা শ্রমিকরা। চা শ্রমিকদের মধ্যে ১৫ শতাংশ নারী প্রাথমিকভাবে জরায়ুমুখে ক্যান্সারে আক্রান্ত এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে গবেষণামূলক সংস্থা সিআইপিআরবির এক জরিপে। দেশে মোট চা বাগান ১৬৪টি। এতে প্রায় ৯ লক্ষ জনগোষ্ঠীর অর্ধেক নারী শ্রমিক। এই অর্ধেক নারী শ্রমিকের ১৫ শতাংশের শরীরে বাসা বেঁধেছে মরণব্যাধি ক্যান্সার।

মৌলভীবাজারের রাজঘাট, খেজুরীছড়া, আমরাইলছড়া, সাঁতগাও, হোসেনাবাদ, আলীনগর, শমসেরনগর, মিরতিংগা, মাধবপুরসহ ১০টি বাগানে পরিচালিত এক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেহেতু দেশের সব চা বাগানে একই কাজ ও বাসস্থানের পরিবেশ বিদ্যমান সেহেতু চা বাগানগুলোতে একই অবস্থা থাকার সম্ভবনা প্রবল।

ইতোমধ্যে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) অর্থায়নে জাতীয় স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও গবেষণামূলক সংস্থা সিআইপিআরবির কারিগরি সহযোগিতায় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে মৌলভীবাজার জেলার চা বাগানে প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে বিবাহিত নারীদের জরায়ুমুখের ক্যান্সার সনাক্তকরণের জন্য বিনামূল্যে ‘ভায়া’ টেস্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মৌলভীবাজার জেলার ফাঁড়ি বাগানসহ ৯৩টি চা বাগানের মধ্যে দশটি চা বাগানে মোট তিন হাজার নারীর ভায়া টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৫১৯ জন দূরারোগ্য ক্যান্সার নামক ব্যাধিটি পজিটিভও এসেছে।

এই ভায়া টেস্টের যে ভয়াবহ ফলাফল এসেছে তা চমকে দেয়ার মতো। তথ্যমতে চা বাগানে কর্মরত নারীদের শতকরা ১৫ জনের জরায়ুমুখে ক্যান্সারের লক্ষণ পাওয়া গেছে। এই কার্যক্রমে অংশ নেয়া নারীরা সাধারণত ২১ থেকে ৬৫ বছরের।

বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডে বসবাসকারী পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির নাম চা শ্রমিক। যেসব কারণে নারীদের জরায়ুমুখের ক্যান্সার হয় তার সব লক্ষণ রয়েছে চা বাগানে। দিনের পর দিন চা বাগানের শ্রমিকরা তাদের স্বাস্থ্য সেবাসহ মৌলিক অধিকার নিয়ে আন্দোলন করেও স্বাভাবিক জীবন পাচ্ছেন না। চা বাগানে শিক্ষার অভাব থেকে ক্যান্সার তথা স্বাস্থ্য নিয়ে অসচেতনতা, কাজের নোংরা পরিবেশ, অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্নতা যা জরায়ূমুখে ক্যান্সারের জন্য দায়ী।

বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, মূলত বাল্য বিবাহ, বেশি সন্তান নেয়া, অসচেতনতা, অপরিষ্কার, অপরিচ্ছন্নতা ও নিয়ন্ত্রণহীন যৌনাচারের ফলে জরায়ূমুখে ক্যান্সারের সূত্রপাত হয়।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্ত নারীদের লেটেস্ট ডায়াগনস্টিক টুল ভিডিও কল্পস্কোপির মাধ্যমে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এদের ‘ভিডিও কল্পস্কোপি’র মাধ্যমে ‘সারভাইকেল ক্যান্সার’ কোন স্টেজে আছে সে অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে জরায়ুমুখে ক্যান্সার সনাক্তকৃত মিরতিংগা চা বাগানের রুপা উরাং, অঞ্জনা ভূমিজ, রূপালী গোয়ালাসহ কয়েকজন নারীর সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, বিভিন্নভাবে চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত এই নারীরা প্রাথমিকভাবে ক্যান্সারের লক্ষণ ধরা পড়ার আগেই সচেতন হতে পারছেন। এবং চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ থাকার স্বপ্ন দেখছেন।

মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গাইনিকোলজিস্ট ডা. ফারজানা হক পর্ণা জানান, এই রোগের একটি বিশেষায়িত সেবা এখন বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে। তিনি জানান, জরায়ুমুখের ক্যান্সার সনাক্তকরণের নিমিত্তে লেটেস্ট ডায়াগনস্টিক টুল ‘ভিডিও কল্পস্কোপি’র মাধ্যমে ‘সারভাইকেল ক্যান্সার’ কোন স্টেজে আছে, তা প্রি-ইনভেসিভ কী না, বায়োপসি করা লাগবে কী না, এসব সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাওয়া যাবে।


সিআইপিআরবির জেলা সমন্নয়কারী মো. আলতাফুর রহমান জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ইউএনএফপিএ ও সিআইপিআরবি’র যৌথ উদ্যোগে দশটি চা বাগানে মোট তিন হাজার নারীর ভায়া টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৫১৯ জনের জরায়ুমুখের ক্যান্সারপূর্ব অবস্থা (ভায়া পজিটিভ) সনাক্তকরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জরায়ুমুখের ক্যান্সারপূর্ব অবস্থা সনাক্তকৃত ৫২৩ জন নারীকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক পার্থ সারথী দত্ত কাননগো জানান, সিলেট বিভাগের মধ্যে এই সেবাটি শুধু মৌলভীবাজারে দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাম ভোজন কৈরী জানান, আমরা বহুদিন ধরেই দারি করে আসছিলাম চা শ্রমিকরা আধুনিক ক্রীতদাস। এখানে সামান্য স্বাস্থ্যসেবাটুকুও ঠিকমতো মিলে না।

বাংলাদেশ চা সংসদের সিলেট ভ্যালির সভাপতি জি এম শিবলি বলেন, চা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সেবাসহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য আমরা কাজ করছি। স্বল্প সংখ্যক বাগান ছাড়া সব বাগানেই চিকিৎসার পরিপূর্ণ ব্যবস্থা আছে।

তিনি আরও জানান, আমরা শ্রমিকের চিকিৎসার প্রয়োজনে সব ধরনের প্রদক্ষেপ গ্রহণ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।

মহান মে দিবস আজ

0

ছবি: বিপ্লব দীক্ষিৎ

বিশেষ সংবাদদাতা : পহেলা মে, মহান মে দিবস। দিনটি বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামে উজ্জীবিত হওয়ার দিন। শ্রমিকদের ওপর শোষণ-বঞ্চনার অবসান ঘটবে, এমন স্বপ্ন দেখারও দিন এটি।

সারাবিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। মাঠেঘাটে, কলকারখানায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে রক্তঝরা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন। দীর্ঘ বঞ্চনা আর শোষণ থেকে মুক্তি পেতে ১৮৮৬ সালের এদিন বুকের রক্ত ঝরিয়েছিলেন শ্রমিকরা। বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামে অনুপ্রেরণার উৎস এদিন। মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা আর শ্রমিকদের শোষণ-বঞ্চনার অবসান ঘটার স্বপ্ন দেখারও দিন এটি।


এদিন শ্রমিকরা আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের সব শিল্পাঞ্চলে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন। সে ডাকে শিকাগো শহরের তিন লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ বন্ধ রাখেন। শ্রমিক সমাবেশকে ঘিরে শিকাগো শহরের হে মার্কেট রূপ নেয় লাখো শ্রমিকের বিক্ষোভের সমুদ্রে। এক লাখ ৮৫ হাজার নির্মাণ শ্রমিকের সঙ্গে আরও অসংখ্য বিক্ষুব্ধ শ্রমিক লাল ঝাণ্ডা হাতে সমবেত হন সেখানে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালালে ১১ শ্রমিক প্রাণ হারান।

হে মার্কেটের ওই শ্রমিক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে সারাবিশ্বে। গড়ে ওঠে শ্রমিক-জনতার বৃহত্তর ঐক্য। অবশেষে তীব্র আন্দোলনের মুখে শ্রমিকদের দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার।


১৮৮৯ সালের ১৪ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে শিকাগোর রক্তঝরা অর্জনকে স্বীকৃতি দিয়ে ওই ঘটনার স্মারক হিসেবে ১ মে ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৮৯০ সাল থেকে প্রতি বছর দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ‘মে দিবস’ হিসাবে পালন করতে শুরু করে।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশে বিপুল উদ্দীপনা নিয়ে মে দিবস পালিত হয়। ওই বছরই সদ্য স্বাধীন দেশে পহেলা মে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়।


দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পৃথক বাণী দিয়েছেন।

সরকারি ছুটির দিন আজ। সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব তফসিলি ব্যাংক ও কলকারখানা বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন ও বেতারগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র ও নিবন্ধ প্রকাশ করবে।

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রাষ্ট্রীয়ভাবে মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সকাল ৭টায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। র্যালিটি দৈনিক বাংলা থেকে শুরু হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হবে। মহান মে দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন।


আগামী বৃহস্পতিবার ৩ মে সকাল সাড়ে ১০টায় মে দিবস উপলক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক।

এছাড়া মে দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে র্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

মে দিবস উপলক্ষে এদিন সকাল ১০টায় নয়াপল্টনের বিএনপির কার্যালয় থেকে র্যালি বের করবে বিএনপি। এটি শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হবে।


এছাড়া মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিক লীগ, জাতীয় শ্রমিক জোট, শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ- স্কপ, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, গণতন্ত্রী পার্টি, কর্মজীবী নারী, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, জাসদ, গণফোরাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন, শ্রমিক ঐক্য, জেএসডি, বাসদ, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাব), গণসংস্কৃতি ফ্রন্ট, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন- টাফ, বাংলাদেশ বস্ত্র পোশাকশিল্প শ্রমিক লীগ, বাংলাদেশ গার্মেন্টস মজদুর ইউনিয়ন, জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, জাতীয় শ্রমিক পার্টি, বাংলাদেশ সংযুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স (বিএনএ), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) উভয় অংশ, জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, গ্রিন বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন, বাংলাদেশ পথনাটক পরিষদ, বাংলাদেশ আওয়ামী মোটরচালক লীগ এবং পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের বিভিন্ন সংগঠন পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করবে।

২৫ আসনে পরিবর্তন এনে সংসদীয় আসন চূড়ান্ত

625

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদীয় আসন চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার ২৫টি আসনে পরিবর্তন আনা হয়েছে।’

সোমবার দুপুরে আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সচিব।

সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসের জন্য নির্বাচন কমিশন গত ১৪ মার্চ ৩৮টি আসনের সীমানা পরিবর্তন এনে ৩০০ আসনের খসড়া গেজেট আকারে প্রকাশ করে। এর পক্ষে-বিপক্ষে দাবি ও আপত্তি গ্রহণ করে কমিশন। এতে আপত্তি জানিয়ে ৪০৭টি এবং ইসির পক্ষ সমর্থন করে ২২৪টি আবেদন জমা পড়ে। এসব আপত্তির পর গত শনিবার থেকে শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে সোমবার চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে ইসি।

যেসব অাসনে পরিবর্তন অানা হয়েছে সেগুলো হলো- নীলফামারী-৩ ও ৪, রংপুর- ১, ২ ও ৩, কুড়িগ্রাম- ৩ ও ৪, সিরাজগঞ্জ ১ ও ২, খুলনা ৩ ও ৪, জামালপুর ৪ ও ৫, নারায়ণগঞ্জ ৪ ও ৫, সিলেট ২ ও ৩, মৌলভীবাজার ২ ও ৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫ ও ৬, কুমিল্লা ৯ ও ১০ এবং নোয়াখালী ৪ ও ৫।

জাতীয় সংসদের পুনঃনির্ধারিত নির্বাচনী এলাকার চূড়ান্ত তালিকা-২০১৮

মধ্যপ্রাচ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতে তৈরি হচ্ছে পণ্য তালিকা

118

নিজস্ব প্রতিবেদক : সৌদি আরব, কতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও ওমানে রফতানিযোগ্য পণ্যের ওপর শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা পেতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) শর্ত অনুযায়ী এসব দেশে এ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ কারণে ওই ছয়টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত গলফ কর্পোরেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) সচিবালয়ে এ সুবিধা চেয়ে শিগগির পণ্য তালিকাসহ একটি আবেদন পাঠাবে বাংলাদেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব পণ্য ওইসব দেশে রফতানি হয় সেসব পণ্যে যেন এ সুবিধা পাওয়া যায় সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। তা না হলে দেখা যাবে তারা কাটছাঁট করে বেশকিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা দিল কিন্তু সেসব পণ্য বাংলাদেশ রফতানি করে না। এতে বাংলাদেশের তেমন কোনো লাভ হবে না।

সূত্র জানায়, গত ৫-৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের চতুর্থ সভা আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেশটিতে রফতানিযোগ্য পণ্যের ওপর শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আরব আমিরাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলে, তারা জিসিসিভুক্ত দেশ, তাই এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য জিসিসি সচিবালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ যেসব পণ্যে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা চায় সেসব পণ্যের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ওই তালিকায় এখন পর্যন্ত ১৩৭টি পণ্য রাখা হয়েছে।

এ তালিকায় পণ্য সংযোজন বা বিয়োজনের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, ডিসিসিআই, এমসিসিআইসহ সংশ্লিষ্টদের নিকট সুচিন্তিত মতামত চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, গলফ কর্পোরেশন কাউন্সিলের অন্তর্ভুক্ত ছয়টি দেশে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) শর্ত অনুযায়ী শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা পাওয়ার যোগ্য বাংলাদেশ। তাই ওইসব দেশে এ সুবিধা পাওয়ার দাবি জানিয়ে জিসিসি সচিবালয়ে একটি পণ্য তালিকাসহ শিগগিরই আবেদন পাঠানো হবে। ইতোমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১৩৭টি পণ্য রেখে তালিকা প্রণয়ন করেছে। তবে ১৩৭টি পণ্য রাখাই ভালো হবে নাকি আরও কমানো বা বাড়ানো হবে- সে বিষয়ে পরামর্শ চেয়ে সংশ্লিষ্টদের নিকট চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাদের সুচিন্তিত মতামত পেলে পণ্য তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা যদি এসব দেশে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা পায় তাহলে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বেশি বেশি পণ্য সেসব দেশে রফতানি করে লাভবান হবেন। ফলে অন্য সব প্রতিযোগী দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে আমরা সক্ষম হব। পাশাপাশি সেসব দেশের জনগণও কম মূল্যে গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য কিনতে পারবে।

‘আমরা যদি ১৩৭টি পণ্যের তালিকা পাঠাই তারপরও সব পণ্যে তো তারা এ সুবিধা নাও দিতে পারে। সেজন্য পণ্যের তালিকা প্রস্তুতে সকলের মতামত নেয়া হচ্ছে।’

ওইসব দেশে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতে বাংলাদেশ কতটুকু আশাবাদী- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আইন অনুযায়ী তো আমরা এ সুবিধা পাই। কিন্তু সুবিধা দিলে আমাদের সমপর্যায়ের অন্যান্য দেশকেও এ সুবিধা দিতে হবে। তাই এ সুবিধা পেতে একটু সমস্যাও রয়েছে। তবে আমরা আশা করছি কিছু সংখ্যক পণ্যে হলেও আমরা সুবিধা পাব।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি তালিকায় যেসব পণ্য রাখা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- নারী ও পুরুষের জন্য তৈরি পোশাক ও অ্যাপারেল পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ফল ও সবজির জুস, হিমায়িত মাছ; বেকারি পণ্যের মধ্যে রয়েছে- ব্রেড, পেস্ট্রি, কেক ও বিস্কিট; মিনারেল ওয়াটার, কটনের তৈরি টয়লেট লাইলেন ও কিচেন লাইলেন, সুইট বিস্কিট, প্লাস্টিক পণ্য ও টেক্সটাইল পণ্য ইত্যাদি।


এ বিষয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্স ফেলো ড. নাজনিন আহমেদ বলেন, ‘ওই ছয়টি দেশে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা পেলে রফতানি বাড়বে। ফলে বেশি বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে। যা দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করবে।’

‘তবে এ সুবিধা পাওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে কোন কোন পণ্যে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা দিচ্ছে দেশগুলো। বাংলাদেশ থেকে সেসব দেশে যেসব পণ্য রফতানি হয় সেসব পণ্যে এ সুবিধা পাওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে জানা গেছে, ওইসব দেশে রফতানি হওয়া পণ্যের বড় অংশ হচ্ছে সবজি, ফলসহ বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য (চিপস, মসলা, আচার, বাদাম); পাট ও পাটজাত পণ্য। এর বাইরে বেশি রফতানি হয় হিমায়িত খাদ্য, তৈরি পোশাক, হোম টেক্সটাইল, এগ্রো পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।

মধ্যরাতে ইবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের মারধর

411

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ইবি, কুষ্টিয়া : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে মধ্যরাতে শিবির সন্দেহে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিমের কর্মীরা। শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ক্রিকেট খেলার সময় ছাত্রলীগের ৫-৭ জন নেতাকর্মী তার উপর চড়াও হয়।

জানা যায়, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মীরা রাত ১২টার দিকে প্রধান ফটকে ক্রিকেট খেলতে যান। তাদের সঙ্গে খেলতে আসেন প্রধান ফটক সংলগ্ন হোয়াইট হাউস মেসের সানাউল্লাহ নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। এ সময় প্রধান ফটকে যায় সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মী বিপুল খান, মোশাররফ হোসেন নীল, ফজলে রাব্বি এবং বিশাল। বিপুল খান খেলারত অবস্থায় থাকা সানাউল্লাহকে হঠাৎ করেই কলার চেপে ধরে বলেন, ‘তুই লিস্টেড শিবির, ক্যাম্পাসে কী এত রাতে?’ পরে বিপুলের সঙ্গে থাকা অন্যরাও ওই শিক্ষার্থীকে উপর্যুপুরি কিল ঘুষি মারতে থাকে। এতে ওই শিক্ষার্থী মাথায় আঘাত পায়।

বিপুল খান বলেন, ‘আমাদের কাছে শিবিরের যে লিস্ট আছে তাতে ওর (সানাউল্লাহ) নাম রয়েছে। আর এত রাতে ছাত্রলীগ কর্মীদের সঙ্গে কোনো খারাপ উদ্দেশ্য ছাড়া খেলতে আসার কথা নয়।’

তবে সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমি কখনও কোনোদিন শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। আমার মুখে দাঁড়ি আছে এটাই আমার দোষ।’

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিম বলেন, ‘ওই ছেলে শিবির করে এমনটি আমি জেনেছি। এ ক্যাম্পাসে শিবিরের কোনো ঠাঁই নাই।’

অধিনায়ক ধোনির আরেক কীর্তি

597

স্পোর্টস ডেস্ক : ধোনি যে এখনো ফুরিয়ে যায়নি তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে এবারের আইপিএলে। পাঞ্জাবের বিপক্ষে ৭৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলকে জয় এনে দিতে না পারলেও বুধবার ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে ৭০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে এনে দেন দুর্দান্ত জয়। জয়ের এ ম্যাচে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৫০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ক্যাপ্টেন কুল খ্যাত ধোনি।

দশ দিন আগে পাঞ্জাবের বিপক্ষে ঠিক একই অবস্থায় ছিল ধোনি। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দলটির প্রয়োজন ছিল ১৭ রানের। তবে তার দল ১৩ রানের বেশি করতে পারেনি। ফলে হারের স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় এই তারকাকে।

ঠিক এমন অবস্থা ছিল কোহলি-ডি ভিলিয়ার্সদের ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষেও। ২০৫ রানের বিপক্ষে ব্যাট করতে নামা ধোনির দলের শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৭ রানের। এবার আরও ভুল করেননি ফিনিশার খ্যাত এই ব্যাটসম্যান। ব্রাভোর ব্যাট থেকে ১১ আসার পর চতুর্থ বলে ছয় মেরে দলকে জয়ের আনন্দে ভাসান ধোনি।

এদিকে এ ম্যাচের মধ্য দিয়ে অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে প্রথম ৫০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন ধোনি। এছাড়া এ ম্যাচে সাতটি ছয় আসে তার ব্যাট থেকে। যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছয়।

সালমানের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ও ডোমকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের শেষ হচ্ছে না। এবার সালমান শাহর মরদেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ও ডোমকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিলেন আদালত।

আদালতের এ অনুমতির ফলে হায়দার আলী প্লাবো মেডিকেলের তৎকালীন চিকিৎসক (সালমানের ময়নাতদন্তকারী) ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডোম রমেশ চন্দ্রকে এখন এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিাবর (২৬ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস এ আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০ আগস্ট নতুন করে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

তদন্ত সংস্থা পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত সিকদার প্রতিবেদন দাখিলেরে জন্য এ দিন ধার্য করেন। এর আগে ২০১৬ সালের ৭ ডিসেম্বর পিবিআইকে পুনঃতদন্তের জন্য নির্দেশ দেন আদালত।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। ওই সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে- অভিযোগ করে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে উল্লেখ করা হয়। ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে ওই চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা করেন। ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠান আদালত। এরপর প্রায় ১২ বছর মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে ছিল।

২০১৪ সালের ৩ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতের বিচারক বিকাশ কুমার সাহার কাছে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক। ওই প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে ‘অপমৃত্যু’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীর ছেলের মৃত্যুতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন এবং ওই তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন বলে আবেদন করেন।

২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নীলা চৌধুরী ঢাকা মহানগর হাকিম জাহাঙ্গীর হোসেনের আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের নারাজির আবেদন দাখিল করেন।

নারাজি আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১১ জন তার ছেলে সালমান শাহের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। আদালত নারাজি আবেদনটি মঞ্জুর করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে তদন্তভার প্রদান করেন। মামলাটিতে র্যাবকে তদন্ত দেয়ার আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল মহানগর দায়রা জজ আদালতে একটি রিভিশন মামলা করেন।

সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ-৬ এর বিচারক ইমরুল কায়েস রাষ্ট্রপক্ষের রিভিশনটি মঞ্জুর করেন এবং র্যাব মামলাটি আর তদন্ত করতে পারবে না বলে আদেশ দেন।

দুই সিটির নির্বাচন নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে ইসি

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সভা শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

সভায় উপস্থিত থাকার জন্য মহাপুলিশ পরিদর্শক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ/র্যাব/আনসার ও ভিডিপি/ডিজিএফআই/এনএসআইয়ের মহাপরিচালক/ স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ঢাকার অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক, ঢাকা ও খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা ও খুলনা রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক, দুই সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এদের প্রায় সবাই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।

জানা গেছে, এই দুই সিটিতে পুলিশ, র্যব, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। সাধারণ কোন্দ্রে ২২ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪ জন করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ভোটের আগে-পরে চারদিন তারা মাঠে থাকবেন।

এছাড়া প্রার্থীদের আচরণবিধি তদারকিতে থাকবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং গুরুতর অপরাধের শাস্তির জন্য সামারি ট্রায়াল করে বিচার করবে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। ইতোমধ্যে আচরণবিধি মনিটরিংয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সিটি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত হিসেবে টহল শুরু করেছে।

একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্র পাহারায় থাকবে পুলিশ, আমস পুলিশ ব্যাটালিয়ান ও আনসার ও ভিডিপি। এসব বাহিনীর সদস্যদের সংখ্যা সাধারণ ভোটকেন্দ্রে এসআইয়ের নেতৃত্বে ২২ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪ জন।

উল্লেখ্য, আগামী ১৫ মে খুলনা ও গাজীপুর সিটিতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ৫৭টি সাধারণ ও ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৪২৫ জন। আর ৩১টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে খুলনা সিটি করপোরেশনের ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৯৩ হাজার ৪৫৪ জন।

রোহিঙ্গাদের জন্য এসেছে ৪৪ লাখ টন ত্রাণ, ৪৫৯ কোটি টাকা

2

নিজস্ব প্রতিবেদক : নিপীড়নের মুখে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য দেশি-বিদেশি মিলিয়ে ৪৪ লাখ ২৫ হাজার টন ত্রাণ (খাদ্যসামগ্রী) ও ৪৫৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা সহায়তা হিসেবে পাওয়া গেছে।

‘বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) জন্য চলমান ত্রাণ কার্যক্রম, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ অন্যান্য কার্যক্রমের হালনাগাদ তথ্যাদি’র প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ প্রতিবেদন পাঠানো হয়।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ত্রাণ নিয়ে আমরা কী করব, কী করছি, আগে কী করেছি, কারা কী করছে এবং ভবিষ্যতে কী করতে হবে- সবকিছুই আমরা সময়ে সময়ে সরকারকে অবহিত করি। তা না হলে হঠাৎ করে খাদ্যের ঘাটতি হলে, রোহিঙ্গাদের সমস্যা হলে সরকারের ইমেজ (ভাবমূর্তি) নষ্ট হবে। তাই আমরা আগে থেকেই সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।’

ত্রাণের মধ্যে রয়েছে সরকারি চাল ৪৯০ টন, বেসরকারি চাল দুই হাজার ১১৪ টন, ডাল ২০ টন, তেল ৭৬ হাজার ৩২৬ লিটার, লবন ২৮৫ টন ও চিনি ৩৮৪ টন।

অর্থ সহায়তা হিসাবে সরকারি জিআর ক্যাশ ৩০ লাখ টাকা, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ২০ লাখ টাকা এবং চলতি হিসাবে বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তি দিয়েছেন ৪৫৮ কোটি ৪২ লাখ ৭৫ হাজার ৬১৯ টাকা।

মিয়ানমার নাগরিকদের জন্য মানবিক সহায়তা নামে সোনালী ব্যাংকের কক্সবাজার শাখায় একটি চলতি হিসাব (হিসাব নং- ৩৩০২৪৬২৫) খোলা হয়েছে বলে জানান বিভাগীয় কমিশনার।

এছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি, দল ও সংস্থা ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছেন বলে প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।

মালয়েশিয়া, মরক্কো, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, ইরান, সৌদি আরব, সুইজারল্যান্ড, জাপান, চীন, ইংল্যান্ড, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, ইটালি, সিঙ্গাপুর, আরব আমিরাত ও স্লোভাকিয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণসামগ্রী দিয়েছে। দেশগুলো চাল, ডাল, তেল, লবন, আলু, চিনি, মুড়ি, আটা, হাই এনার্জি বিস্কুটসহ মোট ৪৩ লাখ ৪৫ হাজার ৬১৯ টন ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে।

ডাব্লিউএফপি খাদ্য সহায়তা দিয়েছে ৩৯ হাজার ৮৫৮ টন। আয়ারল্যান্ড দিয়েছে ৩৬ হাজার ৬৯৫ টন। ডাব্লিউএফপি চারটি অস্থায়ী খাদ্যগুদাম নির্মাণ করে দিয়েছে। সেখানে খাদ্যসামগ্রী মজুদ করা হচ্ছে বলে বিভাগীয় কমিশনার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন।


এছাড়া ইউনিসেফ শিক্ষা কার্যক্রম, শিশুখাদ্য ও স্যানিটেশনে সহায়তা দিচ্ছে। সংস্থাটি ১০ হাজার টয়লেট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে নির্মিত হয়েছে সাড়ে সাত হাজারটি।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ও মানবতাবিরোধী ধ্বংসযজ্ঞের কারণে রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলা এবং বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী ক্যাম্পসহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

মিয়ানমারের সীমান্তে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে নতুন করে রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। তখন থেকে রোহিঙ্গারা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে।

গত ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা মোট ১১ লাখ তিন হাজার। এছাড়া রামু, কক্সবাজারের পৌরসভাসহ অন্যান্য এলাকা, বান্দরবার, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে বলে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এক প্রতিবেদনে জানান।

বর্তমানে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৪টি ক্যাম্প এবং ক্যাম্পগুলোতে ২৩টি ব্লক রয়েছে। দুই লাখ শেল্টার নির্মাণের কার্যক্রম প্রায় শেষ হওয়ার পথে। উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ও বালুখালী এলাকায় চার হাজার একর জমিতে ক্যাম্প স্থাপন করা হচ্ছে।

৬২৩ রোহিঙ্গার শাস্তি

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান জানান, কক্সবাজার জেলায় গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসার সদস্যদের সহায়তায় নিয়মিত চারটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইতোমথ্যে ৬২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়েছে।


রোহিঙ্গারা যাতে অন্যত্র ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য জেলা পুলিশ ১১টি চেকপোস্ট বসিয়েছে। এর মাধ্যমে ৫২ হাজার ৮৮৫ রোহিঙ্গাকে ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জেলা থেকে তিন হাজার ২০ জনকে কুতুপালং এলাকায় ফেরত পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নসহ (এপিবিএন) প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য, ২২০ জন আনসার সদস্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে এবং সেনাবাহিনীর এক হাজার ৭০০ সদস্য পর্যায়ক্রমে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সহায়তা করছে বলেও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

এছাড়া ‘এশিয়ান ডিজাস্টার প্রিপিয়ার্ডনেস সেন্টার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’র যৌথ উদ্যোগে সম্ভাব্য ভূমিধস ও পাহাড়ি ঢলে আক্রান্ত হতে পারে এমন এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় প্রায় এক লাখ লোককে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের জন্য কুতুপালং ও বালুখালী নতুন ক্যাম্প এলাকার সীমানা পশ্চিম দিক বরাবর সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পনের বছর পর জুটি বাঁধলেন আলেকজান্ডার-মুনমুন

1

বিনোদন প্রতিবেদক : অনেকটা সময় চলচ্চিত্র থেকে দূরে ছিলেন চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মুখ আলেকজান্ডার বো ও মুনমুন। তবে তারা আবারও চলচ্চিত্রে ফিরেছেন। দুজনেই বেশ কিছু ছবিতে কাজ করছেন। সেগুলোর কোনোটা শুটিং শেষে রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়, কোনোটার আবার চলছে শুটিং।

তবে সবগুলোতেই আলাদা আলাদা করে কাজ করেছেন আলেকজান্ডার ও মুনমুন। এবারে জানা গেল, তারা জুটি বাঁধতে চলেছেন একটি নতুন ছবিতে। আর এর মধ্য দিয়ে প্রায় ১৫ বছর পর জুটি বাঁধছেন এই দুই তারকা।

হারুন-উজ-জামান পরিচালিত ‘পদ্মার প্রেম’ সিনেমায় নায়ক-নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করছেন আলেক-মুনমুন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আলেকজান্ডার বো। তাদের এই ছবিতে আরেকটি জুটি হিসেবে দেখা যাবে সুমিত-আইরিনকে।

আলেকজান্ডার বলেন, ‘এরই মধ্যে সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়েছে। শেষও হয়ে গেছে প্রথম লটের শুটিং। অনেকদিন পর মুনমুনের সঙ্গে কাজ করলাম। দুজনই বেশ আনন্দ নিয়ে কাজ করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ছবিটির গল্প দারুণ। সবগুলো চরিত্রই বেশ চমৎকার। দর্শকদের মনে দাগ কাটবে ছবিটি এই বিশ্বাস করছি। চলতি বছরেই ছবিটি মুক্তি দেয়া হবে বলে পরিচালক জানিয়েছেন।’

প্রসঙ্গত, ঢাকাই চলচ্চিত্রের অ্যাকশন হিরো হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন আলেকজান্ডার বো। ১৯৯৫ সালে শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত ‘লম্পট’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার যাত্রা শুরু হয়। এ পর্যন্ত তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

অন্যদিকে রূপ আর সাহসিকতার গুণে ঝড় তোলা নায়িকা মুনমুন ১৯৯৬ সালে চলচ্চিত্রে অভিষিক্ত হন। ক্যাপ্টেন এহতেশাম পরিচালিত ‘মৌমাছি’ সিনেমায় প্রথম কাজ করেন তিনি। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৯৭ সালে। এরপর ‘টারজান কন্যা’, ‘মৃত্যুর মুখে’, ‘রাজা’, ‘মরণ কামড়’, ‘রানী ডাকাত’, ‘আজকের সন্ত্রাসী’সহ অসংখ্য সুপারহিট সিনেমায় অভিনয় করেন মুনমুন। বর্তমান সময়ের দেশ সেরা নায়ক শাকিব খানের প্রথম ব্যবসাসফল সিনেমার নায়িকাও ছিলেন মুনমুন। সিনেমাটির নাম ‘বিষে ভরা নাগিন’।

আলেক-মুনমুন ‘ক্ষ্যাপা’ নামের সিনেমার মাধ্যমে প্রথম জুটি বাঁধেন। এরপর ২০০৩ সালে ‘মহিলা হোস্টেল’ সিনেমায় জুটি বেঁধে অভিনয় করেন তারা। এটিই ছিল এই জুটির শেষ সিনেমা।

Dhaka, BD
mist
24 ° C
24 °
24 °
73 %
1.5kmh
40 %
শুক্র
25 °
শনি
26 °
রবি
26 °
সোম
26 °
মঙ্গল
26 °

সর্বাধিক পঠিত