22 C
Dhaka, BD
Home Blog Page 849

ধারাবাহিক দরপতন কমেছে পিই রেশিও

650

নিজস্ব প্রতিবেদক : ধারাবাহিক দরপতনে দেশের শেয়ারবাজার। শেষ সপ্তাহেও প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ মূল্যসূচক কমেছে। এর প্রভাবে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) দশমিক ১৫ পয়েন্ট কমে ১৫ দশমিক ১৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তবে পিই রেশিও ১৫ ঘরে বা তার নিচে থাকলে বিনিয়োগ নিরাপদ বলে মনে করেন শেয়ারবাজার বিশ্লেষকরা।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ডিএসইর পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৫ দশমিক ১৮ পয়েন্টে। এর আগের সপ্তাহে যার অবস্থান ছিল ১৫ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে। সে হিসাবে আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও কমেছে দশমিক ১৫ পয়েন্ট বা দশমিক ৯৮ শতাংশ।

সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক ট্রেইলিং পিই রেশিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯ দশমিক ১ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ৪৮ দশমিক ৪ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ১৯ দশমিক ৯ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ১৯ পয়েন্টে, খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতের ৩০ দশমিক ২ পয়েন্টে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১২ দশমিক ৬ পয়েন্টে, সাধারণ বীমা খাতে ১১ পয়েন্টে, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ২০ দশমিক ২ পয়েন্টে।

এছাড়া পাট খাতের পিই রেশিও মাইনাস ৩৪ দশমিক ৫ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ২৬ পয়েন্টে, এনবিএফআই খাতে ১৫ দশমিক ৯ পয়েন্ট, কাগজ খাতের মাইনাস ১০ দশমিক ২ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২০ দশমিক ১ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতের ৩২ দশমিক ৪ পয়েন্টে, চামড়া খাতের ১৭ দশমিক ৭ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতে ২৩ দশমিক ৪ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ২১ পয়েন্টে এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে মাইনাস ২৩ দশমিক ১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

পাল্টাপাল্টি অভিযোগে অনিশ্চিত উচ্চ মাধ্যমিকের বই ছাপা

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : উচ্চ মাধ্যমিকের বই ছাপানো নিয়ে নতুন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) নির্ধারণ করে দেয়া কাগজ ও বইয়ের মূল্য কম হওয়ায় বই ছাপাতে অনীহা দেখাচ্ছেন মুদ্রণকারীরা। ফলে নকল বইয়ে বাজার সয়লাব হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন তারা। অন্যদিকে মূদ্রণকারীদের অতি মুনাফার লোভে উচ্চ মাধ্যমিকের বই ছাপার কাজ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি কর্তৃপক্ষ। বাজার যাচাই-বাছাই করে দর নির্ধারণ করা হলেও কেউ দরপত্র ফেলেনি দাবি প্রতিষ্ঠানটির। এসব পাল্টাপাল্টি অভিযোগের কারণে শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হতে আর মাত্র দুই মাস সময় থাকলেও এখনও বই ছাপার কাজ শুরুই হয়নি।

জানা গেছে, একাদশ শ্রেণির প্রায় ৩০টি বিষয়ের মধ্যে বাংলা সাহিত্য, বাংলা সহপাঠ (উপন্যাস ও নাটক) এবং ইংরেজি প্রথম পত্র (ইংলিশ ফর টুডে) এ তিনটি বই এনসিটিবি নিজস্ব লেখক দিয়ে প্রস্তুত করে বেসরকারি প্রকাশকদের মাধ্যমে ছাপানো হয়। এর বিনিময়ে এনসিটিবি প্রতি বছর প্রায় পাঁচ কোটি টাকা রয়্যালটি (সম্মানী) পায়। এবার প্রায় ২৪ লাখ বই ছাপার জন্য ২৪টি লটে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। গত ৩ মে দরপত্র খোলা হলে বই ও কাগজের মূল্য কম হওয়ায় ছাপাকারীদের কেউই দরপত্র জমা দেয়নি। ফলে এনসিটিবির কর্মকর্তারা রীতিমতো ‘থ’হয়ে যান। একটি প্রতিষ্ঠানও এতে অংশ না নেয়ায় সমঝোতার মাধ্যমে কাজ দেয়ার চেষ্টা হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তা-ও আটকে যায়। প্রকাশকরা বলছেন, এনসিটিবির দায়িত্বহীনতা এই সংকটের পেছনে দায়ী। তারা জানান, সারা দেশে এসব বইয়ের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বাজারে প্রচুর নকল বই বিক্রি হয়। এনসিটিবির ছাপানোর আগেই বাজার নকল বইয়ে সয়লাব হয়ে যায়। গত বছর প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের এক থেকে দেড় লাখ বই বিক্রি হয়নি। তা এখনো গোডাউনে পড়ে আছে। এছাড়া চলতি বছর আন্তর্জাতিক বাজারে কাগজের দাম টন প্রতি ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা বেড়েছে। কাগজ তৈরির পাল্প, কালিসহ শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে। কিন্তু এনসিটিবি গত বছরের দামে এ টেন্ডার আহ্বান করেছে।

এনসিটিবির কর্মকর্তারা জানান, ২০১৩ সাল পর্যন্ত এনসিটিবি নিজেই এসব বই বাজারজাত করত। এতে প্রতি বছর লোকসানের কারণে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে অফারিং পদ্ধতিতে ১৭ জন প্রকাশকের মাধ্যমে বাজারজাত শুরু করে। গত বছর প্রকাশকদের চাপে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ায়। এবার কোনো প্রতিষ্ঠান টেন্ডারে অংশ না নেয়ায় এ বইয়ের ভবিষ্যৎ কী তা এখনও অনিশ্চিত। চলতি বছর তিনটি বই ছাপার জন্য ২৪টি লটে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। প্রতিটি লটে ১ লাখ ২৫ হাজার বই ছাপা হয়। প্রায় ৩০ লাখের বেশি বই ১১৫ টাকা দরে ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা খরচ হবে। প্রতি লটের জন্য ১৮-২০ লাখ টাকা রয়্যালটি পায় এনসিটিবি। সে হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি এখান থেকে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা রয়্যালটি পাবে। এ টাকা সরকারের ফান্ডে জমা দেয়া হয় না। বিভিন্ন বোনাস, নানা খাত, উপ-খাত দেখিয়ে এ টাকা ভাগবাটোয়ারা করা হয়।

বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ বলেন, এনসিটিবি কাগজের দাম ও বইয়ের নির্ধারিত মূল্য কম দেয়ায় আমরা কেউ দরপত্র প্রদান করিনি। এ দরে কাজ করলে আমাদের লোকসান হবে, লোকসানে তো কেউ কাজ করবে না। তিনি বলেন, বাজারে নকল বই বন্ধ করতে লাইব্রেরি মালিকদের কমিশন বেশি দিয়ে আসল বই বিক্রি করতে হয়। বিশ্ব বাজারে কাগজের দাম কমে গেছে। সব খরচ বেড়েছে। এনসিটিবি প্রতিনিয়ত বৈষম্য সৃষ্টি করছে। তারা নিজেরাই ৪০ হাজার টাকা বেশি দামে কাগজ কিনছে, আর আমাদের ক্ষেত্রে আগের বছরের দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে। তারা কারও কারও দ্বারা প্ররোচিত হয়ে বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন রেট ঘোষণা করছে। তিনি আরও বলেন, যেসব ছাপাখানার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তাদের ডেকে কাজ দেয়া হচ্ছে। এনসিটিবি’র এসব দুর্নীতির কারণে উচ্চ মাধ্যমিকের নকল বইয়ে বাজার সয়লাব হবে। শিক্ষার্থীদের বাধ্য হয়ে নকল বই কিনে পড়তে হবে বলে জানান মূদ্রণ শিল্প সমিতির এ সভাপতি।

কোনো প্রতিষ্ঠান টেন্ডারে অংশ না নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, আমরা আবার টেন্ডার আহ্বান করব। মুদ্রণকারীরা অতি মুনাফা লাভের জন্য টেন্ডার ফেলেনি। তাদের অতি লোভের কারণে আমাদের বিপাকে পড়তে হয়। চেষ্টা চলছে তাদের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করার। কাগজের দাম ও বইয়ের মূল্য কম হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে চেয়ারম্যান বলেন, বাজার যাচাই করে দর নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে যদি কম হয় তবে তাদের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে কাগজের দাম ও বইয়ের মূল্য নির্ধারণ করা হবে। তারা আমাদের কিছু না জানিয়ে চুপচাপ বসে থাকলে তো সমাধান হবে না। তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি, আগামী সপ্তাহের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বই ছাপানোর কাজ শুরু করার। যদি তা হয় তবে পরবর্তী এক মাসের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিকের বই ছাপার কাজ শেষ হয়ে যাবে। তাই বাজারে নকল বই সয়লাব হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, আগামী ১৩ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত চলবে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন কার্যক্রম। ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে ভর্তি। আগামী ১ জুলাই ক্লাস শুরু হবে।

মি. নুডলস সায়েন্স ফিকশন ফেস্টিভ্যাল শুরু হচ্ছে শুক্রবার

5

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীতে শুক্রবার শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সায়েন্স ফিকশন ফেস্টিভ্যাল ২০১৮। শাহবাগে পাবলিক লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

ওইদিন সকালে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটির আয়োজনে এ ফেস্টিভ্যাল তৃতীয়বারের মতো পৃষ্ঠপোষকতা করছে ‘মি. নুডলস’।

অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে মি. নুডলসের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা তোষন পাল জানান, ‘বিজ্ঞান চর্চাকে উৎসাহিত করা ও বিজ্ঞানের প্রতি শিশুদের আগ্রহ বাড়াতে এ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়েছে। খুদে বিজ্ঞানীদের উৎসাহ দেয়া ও সায়েন্স ফিকশন রাইটারদের জন্যও এটি চমৎকার একটি প্লাটফর্ম। এ ফেস্টিভ্যালের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত’।

ফেস্টিভ্যাল উদ্বোধনী দিনে সায়েন্স ফিকশন সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হবে। উৎসবে দর্শকরা মুহম্মদ জাফর ইকবাল, মোশতাক আহমেদ, আসিফ মেহেদিসহ আরও অনেক জনপ্রিয় সায়েন্স ফিকশন লেখকদের সঙ্গে আড্ডার সুযোগ পাবেন। অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে থাকছে বিভিন্ন প্রকাশনার বিজ্ঞান বিষয়ক বইয়ে ২৫ শতাংশ ছাড় এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক বই ক্রেতার জন্য বিশেষ পুরস্কার।

এবারের বিজ্ঞান উৎসবে বিশেষ আকর্ষণ মানুষের মতো দেখতে রোবট ‘ইবো’। অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে রয়েছে এলিয়েন উৎসব, সিমিউলেশন ভিডিও গেইম প্রতিযোগিতা, মাস্টার টাইপার প্রতিযোগিতা। এছাড়াও শনিবার থাকবে সায়েন্স ফিকশন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল।

সায়েন্স ফিকশন ফেস্টিভ্যাল প্রতিদিন বেলা ১১টায় শুরু হয়ে চলবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। আগ্রহীরা বিনামূল্যে উৎসব প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন।

চার ম্যাচ নিষিদ্ধ বার্সার রবের্তো

0

স্পোর্টস ডেস্ক : চলতি মৌসুমের রিয়াল-বার্সার শেষ এল ক্লাসিকো শেষ হয়েছে ২-২ সমতায়। তবে পুরো ম্যাচ জুড়েই ছিল উত্তেজনা। দুর্দান্ত গোল, অসাধারণ পাসিং, দু’দলের খেলোয়াড়দের মারামারি! মার্সেলোকে ধাক্কা মারায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল সার্জিও রবের্তোকে। এবার সেই অপরাধে চার ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বার্সেলোনার এই ডিফেন্ডারকে।

রেফারি হার্নান্দেজ তার রিপোর্টে জানিয়েছেন, ‘বল ওই সময় নাগালের বাইরে ছিল। রবের্তো ইচ্ছাকৃতভাবেই প্রতিপক্ষকে কনুই দিয়ে আঘাত করেছেন। অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করেছেন।’

এদিকে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, রবের্তো আরএফইএফ’র ডিসিপ্লিনারি কোডের ৯৮.১ ধারা লঙ্ঘন করেছেন। এ ধারা লঙ্ঘনে খেলোয়াড়কে ৪ থেকে ১২ ম্যাচ নিষিদ্ধের সঙ্গে ক্লাবকে ১৪০০ ইউরো এবং সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে ৩০০৫ ইউরো জরিমানার বিধান রয়েছে। তবে রবের্তোকে শুধু চার ম্যাচই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে চলতি মৌসুমে আর মাঠে নামা হচ্ছে না রবের্তোর। লা লিগায় ভিয়ারিয়াল, লেভান্তে এবং রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না তিনি। স্প্যানিশ সুপারকাপের প্রথম লেগে সেভিয়ার বিপক্ষেও মাঠে নামা হবে না তার। এদিকে রবের্তোর শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছে বার্সেলোনা।

কতদিনে পৌঁছাবে বঙ্গবন্ধু-১

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু- ১ মহাকাশে উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কয়েক দফা তারিখ পরিবর্তনের পর শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল লঞ্চপ্যাড থেকে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ৩টা) এটি উৎক্ষেপণের কথা। বিশেষ এ মুহূর্তের সাক্ষী হতে অনেকেই চেয়ে আছেন টেলিভিশন কিংবা অনলাইন দুনিয়ায়।

বঙ্গবন্ধু-১ কবে নাগাদ পৌঁছাবে তার নিজস্ব কক্ষপথে; সে বিষয়ে অনেকের আগ্রহ রয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎক্ষেপণের ৩০ দিনের মধ্যে এটি নিজস্ব অরবিট বা কক্ষপথে পৌঁছাবে।

এছাড়া পুরো উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়া শেষ হবে দুটি ধাপে। প্রথম ধাপ, লঞ্চঅ্যান্ড আরলি অরবিট ফেজ (এলইওপি) এবং দ্বিতীয় ধাপ হচ্ছে স্যাটেলাইট ইন অরবিট।

গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের দিনক্ষণ ঠিক করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা ভেস্তে যায়। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে হারিকেন আরমা আঘাত হানে। এতে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ পিছিয়ে দেয়া হয়। পরে ৫ মে উৎক্ষেপণের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়।

স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় এবারও তারিখ পিছিয়ে ৭ মে নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু এদিনও আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকতে পারে এমন আশঙ্কায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেয়া হয়। তার আগে ৪ মে (শুক্রবার) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর পরীক্ষামূলক সফল উৎক্ষেপণ চালানো হয়।

ওইদিন অরল্যান্ডোর কেনেডি স্পেস সেন্টারে সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালানো হয় ফ্যালকন-৯ রকেটের। এসময় কেনেডি স্পেস সেন্টারের ব্লক ৫ থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।

পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের পর তথ্য পর্যালোচনা করে স্পেসএক্স। ফলাফল ইতিবাচক হওয়ায় ১০ মে বঙ্গবন্ধু-১ মহাকাশে ডানা মেলবে বলে জানায়।

উল্লেখ্য, স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ মহাকাশে পাঠানোর লক্ষ্যে রাশিয়ার উপগ্রহ কোম্পানি ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে কক্ষপথ (অরবিটাল স্লট) কেনে বাংলাদেশ। ২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি রাশিয়ার কাছ থেকে মহাকাশের ১১৯ দশমিক ১ পূর্ব দ্রাঘিমায় দুই কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি প্রায় ২১৯ কোটি টাকায়) কেনা হয়েছে এ স্লট।

ক্লাস নিলেন জেলা প্রশাসক

0

জেলা প্রতিনিধি, ফরিদপুর : ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া বলেছেন, আমরা বদলে দেবো, বদলে যাবো। এ দেশটা আমাদের, সমাজটা আমাদেরই গড়তে হবে। সততা ও নিষ্ঠা আমাদের সফলতা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আমরা পরিবার থেকে প্রাথমিক শিক্ষা নেই। এরপর বিদ্যালয় থেকে একাডেমিক শিক্ষা গ্রহণ করি। নৈতিক শিক্ষাপ্রাপ্তরাই প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠতে পারে।

বুধবার সকালে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক শহরের গোয়ালচামট এলাকায় অবস্থিত সারদা সুন্দরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রীদের ‘নৈতিক শিক্ষা ও দেশপ্রেম’বিষয়ক এক ঘণ্টার বিশেষ ক্লাস নেয়ার সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশ্যে কথাগুলো বলেন। জেলা প্রশাসক ওই বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিরও সভাপতি।

জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা যেমন আমাদের জন্মদাতা মাকে ভক্তি, শ্রদ্ধা করি ও ভালোবাসি, তার প্রতি দায়িত্ব পালন করি। একইভাবে মাতৃভূমিকে মা হিসেবে দেখতে হবে। আর মানুষকে ভালোবাসতে পারলে সোনার মানুষ হওয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, বড় লোক নয়, বড় মানুষ হও।

তিনি আরও বলেন, আগামী প্রজন্মকে প্রকৃত শিক্ষা দান, দেশ ও মানবপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে এবং তাদের সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে মানসম্মত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানসম্মত শিক্ষা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসককে নিজেদের মাঝে শিক্ষক হিসেবে পেয়ে আনন্দিত ও উৎসাহিত বোধ করে।

বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহমিদা ইয়াসমিন ঝুমুর জানায়, ডিসি স্যারের ক্লাস আমাদের অনেক ভালো লেগেছে। আমরা দারুণভাবে উৎসাহিত হয়েছি। তার গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও পরামর্শে নিজেদেরকে দেশের সুনাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে অনন্য ভূমিকা পালন করবে।


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম বলেন, এ এক বিস্ময়কর ব্যাপার। নারী শিক্ষার উন্নয়নে জেলা প্রশাসকের এ ধরনের পদক্ষেপ খুবই প্রশংসনীয়।

জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া বলেন, এ বিদ্যালয়ে কিছু সময় পড়াতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছে। শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। পুরো সমাজকে বদলে দিতে পারেন শিক্ষকরা। আদর্শ পাঠদান ও মূল্যবোধ শাণিত করে আমাদের নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হবে। তারই সামান্য প্রচেষ্টা করেছি মাত্র বলে তিনি জানান।

পরে দুপুরে জেলা প্রশাসক ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি উম্মে সালমা তানজিয়ার সভাপতিত্বে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অন্যদের মধ্যে প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম, কমিটির সদস্য মো.ওহিদুর রহমান, মোস্তাফিজুল হক, হারুন-অর-রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাত্যহিক সমাবেশে যোগ দেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।

প্রসঙ্গত, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদানের পর থেকে প্রশাসনকে জনবান্ধব করার লক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেন উম্মে সালমা তানজিয়া। জেলা ই-সেবা কেন্দ্র, ইউডিসি, ইউনিয়ন পরিষদের সেবাসমূহ অটোমেশন, অফিস আধুনিকায়ন, ডিজিটাল ভূমি অফিস, হেল্প ডেস্ক, জয়িতা অঙ্গন, ডিজিটাল হাজিরা, শিক্ষক বাতায়নসহ নানা ধরনের জনসেবামূলক কর্মসূচি চালু ও সেবার মান উন্নয়নসহ প্রশাসনকে গতিশীল করার উদ্যোগ নেন তিনি। ছাত্র-ছাত্রীদের আধুনিক ও নৈতিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলার জন্য ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকদের সমন্বয়ে নানামুখী কর্মসূচিও গ্রহণ করেন উম্মে সালমা তানজিয়া। তিনি জেলার ৩০০টিরও বেশি স্কুল-কলেজে এ পর্যন্ত মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম প্রতিষ্ঠা করেছেন।

গত ২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বর ফরিদপুরে যোগদানের এক বছরের কিছু বেশি সময় পর তিনি নাগরিক সেবায় ‘দেশ সেরা’ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হন।

টাঙ্গাইলে ডলার প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

0

জেলা প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলে ডলার প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- সিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. ওয়াসিম (২৬), মৃত ছমেদ আলীর ছেলে মো. রফিক (২৫), ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার ঘোড়শাইল গ্রামের মো. ইসরাফিলের ছেলে মো. রাশেদ (২৫) ও একই জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার দেবগ্রাম বিড়ালশাক গ্রামের মো. আব্বাস আলীর ছেলে আমিরুল (২২)।

বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার কার্যালয় সভা কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) শরিফুল হক।

তিনি জানান, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা ও ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা এলাকার সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় বনের ভেতর একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ডলার কেনা-বেচার কথা বলে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। গত ৩ মে ডলার প্রতারণার শিকার হয়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খলিসাকুড়া গ্রামের মো.মহর উদ্দিনের ছেলে মো. শামীম রেজা। ওইদিনই তিনি মধুপুর থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার ভিত্তিতে ওই ডলার প্রতারক চক্রের সদস্যদের ধরতে মাঠে নামে মধুপুর থানা পুলিশের কয়েকটি দল। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশের পাতা ফাঁদে সহকারী পুলিশ সুপার মধুপুর সার্কেল কামরান হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলার বাদারবাক এলাকা থেকে ডলার প্রতারণাকালে চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) শরিফুল হক জানান, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে। সেই সঙ্গে আমরা টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ এ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের ধরার চেষ্ঠা করছি। আশা করছি খুব দ্রুত তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে পারবো।

অভিযোগ সত্য হলে তুরিনের বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে আইন মন্ত্রণালয়

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ মানবতাবিরোধী এক অপরাধীর সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেছেন বলে যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে তা যদি সত্য হয়, তাহলে আইন মন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে। রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এ কথা জানিয়েছেন।

বুধবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল এ কথা জানান।

মাহবুবে আলম বলেন, ‘অভিযোগ সত্য হলে মন্ত্রণালয় পদক্ষেপ নেবে। আমি তো আর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের যাই না বা তাদের মামলাও পরিচালনা করি না। এ ব্যাপারে আমার পক্ষে বলা সম্ভব না।’

‌‘প্রসিকিউশন টিম ঢেলে সাজানোর কথা আমি সবসময় বলি। আইনজীবীদের দক্ষতা প্রতিদিনই পরীক্ষার ব্যাপার। আমাকেও প্রতিদিন পরীক্ষা দিতে হয়। কোনো একটি মামলায় ভালো আর্গুমেন্ট করতে পারলাম কি-না এসব বিষয়ে-’ বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং পাসপোর্ট অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হককে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গত ২৪ এপ্রিল গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠান।

ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে করা মামলা পরিচালনার দায়িত্ব ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে দেয়া হয় গত ১১ নভেম্বর। এরপর প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে এই ওই আসামির সঙ্গে গোপনে বৈঠক করার অভিযোগ উঠে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের সংশ্লিষ্টরা।

এক দিনে দুই দেশে খেলবেন কোহলি!

0

স্পোর্টস ডেস্ক : বর্তমান সময়ের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। সারা বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট চলতেই থাকে তাদের। এর মাঝে আবার মাস দুয়েক সময় নিয়ে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আইপিএল। এমতাবস্থায় দু’দণ্ড বিশ্রাম নেয়ারও সময় মেলে না বিরাট কোহলিদের।

তবে এবার অদ্ভূত এক সমস্যাতেই পড়ছেন ভারতীয় অধিনায়ক। ফিটনেস নিয়ে সদা সচেতন কোহলি, ইনজুরির কারণে মিস করেন না কোনো ম্যাচ। তাই বলে একই দিনে দুই দেশের দুই প্রান্তে ক্রিকেট খেলার কথা কি ভাবেন কেউ? আগামী জুন মাসে ব্যস্ত সূচি কোহলিকে দাঁড় করিয়েছে এমনই এক অবস্থার সামনে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে কোহলিকে অধিনায়ক করে স্কোয়াড ঘোষণা করলে। যুক্তরাজ্য সফরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের আগে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২৭ এবং ২৯ জুন দুইটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে ভারত। এই সিরিজে কোহলিকে অধিনায়ক করে স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বিসিসিআই।

এদিকে আইপিএল শেষে সারে ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেট খেলার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন কোহলি। ইংলিশ ক্লাব কাউন্টি তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, দলের সাথে যোগ দেয়ার পর মৌসুমের সব ম্যাচ খেলবেন কোহলি। যার শেষটি শুরু হবে আগামী ২৫ জুন, শেষ হবে ২৮ জুন।

ফলে ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে সারের শেষ ম্যাচে কোহলি মাঠে নামলে ম্যাচের তৃতীয় দিনে তাকে পড়তে হবে ঝামেলায়। কেননা তৃতীয় দিন অর্থাৎ ২৭ জুন আবার আয়ারল্যান্ড সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করার কথা তার। ফলে সারের পক্ষ থেকে নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার আগ পর্যন্ত ২৭ জুনে একই দিনে দুই দেশে দুইটি ম্যাচ অপেক্ষা করছে ভারতীয় অধিনায়কের জন্য।

এমপি রানার উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ : মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা

0

জেলা প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার পঞ্চমবারের সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মামলার প্রধান আসামি টাঙ্গাইল-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আমানুর রহমান খান রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সাক্ষ্য গ্রহণ ও বাদীর জেরা শুরু হয়। দুপুর দেড়টায় এ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। আগামী ২৭ জুন এই মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন আদালতের বিচারক।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল আদালতের পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি এমপি আমানুর রহমান খান রানার উপস্থিতিতে বুধবার বেলা ১১টার দিকে টাঙ্গাইল প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া এজলাসে ওঠেন।

এরপর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ ও বাদীর জেরা শুরু হয়। আদালতে মামলার বাদী ও নিহতের স্ত্রী নাহার আহমদের জেরা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বাকি আরও দুই সাক্ষী নিহতের ছেলে আহমেদ মজিদ সুমন ও মেয়ে ফারজানা আহমেদ মিথুনের হাজিরা আদালতে দাখিল করা হয়। পরে আদালতে বাদী নিহতের স্ত্রী নাহার আহমদের জেরা সমাপ্ত হয়। আগামী ২৭ জুন এই মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন।

কারাগার থেকে এ মামলার প্রধান আসামি এমপি রানাসহ টাঙ্গাইল কারাগারে থাকা আরও তিন আসামি মোহাম্মদ আলী, আনিছুর রহমান রাজা ও সমিরকে আদালতে হাজির করা হয়। এছাড়া জামিনে থাকা আসামি নাসির উদ্দিন নুরু, মাসুদুর রহমান মাসুদ ও ফরিদ আহম্মেদ আদালতে হাজিরা দেন। গত ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে চাঞ্চল্যকর এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।

দীর্ঘ ২২ মাস পলাতক থাকার পর এমপি রানা গত ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এই আদালতেই আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার-১ এ কারাবন্দি রয়েছেন। বেশ কয়েক দফা উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালতে আবেদন করেও জামিন পাননি তিনি।

উল্লেখ্য, বিগত ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটি টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরবর্তীতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে এবং গত বছর ৩ ফেব্রুয়ারি এমপি রানা ও তার তিন ভাইসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ।

Dhaka, BD
haze
22 ° C
22 °
22 °
64 %
0kmh
14 %
শুক্র
22 °
শনি
25 °
রবি
26 °
সোম
26 °
মঙ্গল
26 °

সর্বাধিক পঠিত