17 C
Dhaka, BD
Home Blog Page 846

বিএনপির জন্য আরও বড় হার অপেক্ষা করছে : কাদের

0

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচন নিয়ে বিএনপির প্রতি উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তারা সব নির্বাচনের রেজাল্ট পর্যন্ত কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ করে। এটা তাদের পুরনো ভাঙা রেকর্ড। হেরে গিয়ে প্রলাপ বকা ছাড়া তাদের আর কি করার আছে। নির্বাচনে তারা হেরে গেছে।

কেসিসি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে (ধানের শীষ) বিপুল ভোটে হারিয়ে প্রাথমিকভাবে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) তালুকদার আবদুল খালেক।

এই প্রাথমিক ফল ঘোষণার আগেই মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

মঙ্গলবার রাতে নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে স্থাপিত নির্বাচনী ফলাফল সংগ্রহ ও ঘোষণা কেন্দ্র থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেককে বেসরকারিভাবে জয়ী ঘোষণা করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্র দখল নিয়ে বিএনপির অভিযোগ মনগড়া। এটা কি বিশ্বাস করবেন?

মির্জা ফখরুল ইসলাম অালমগীর অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ জনগণের চোখে ধুলো দিয়েছে এবং গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপনাদের (সাংবাদিক) চোখে কি ধুলো পড়েছে? আপনারা কি মিড়িয়ার বাইরে? আপনাদের প্রতিনিধিদের কি খুলনায় নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে? এটা তাদের মিথ্যাচার। হেরে গিয়ে তারা পাগল ও উন্মাদের মতো প্রলাপ বকছে। এখানেই নয় শুধু সামনে তাদের জন্য আরও বড় বড় হার অপেক্ষা করছে। জনবিচ্ছিন্ন হলে রাজনীতিতে কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে হয় আশা করি খুলনায় বিএনপি তা টের পেয়েছে। বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি যে দেশের মানুষ গ্রহণ করে নাই, তা বিএনপি সামনের দিনগুলোতে আরও ভালোভাবে বুঝবে।

নির্বাচন কমিশন সরকারে প্রতি একচোখা নীতি নিয়েছে বিএনপির এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, কুমিল্লায়তো তারা এ কথা বলে নাই। আমরাতো তখন বলি নাই ইসি বিএনপির দিকে একচোখা নীতি নিয়ে অবস্থান নিয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি জনগণের মতকে মিসলিড করেছে। তারা সবসময় মনে করতো জনগণ তাদের ভোট দেয়ার জন্য প্রস্তুত ও মুখিয়ে আছে। খুলনা থেকে তাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। খুলনার অন্য অঞ্চলে আওয়ামী লীগের বিজয়ের রেকর্ড থাকলেও শহরাঞ্চলে তেমন ছিল না। এবার দেখুন ভোটের অবস্থা। এটা হয়েছে জননেত্রীর শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অর্জনের কারণে। মানুষতো বোকা নয়। বিএনপি ক্ষমতায় থাককালে উন্নয়নের কোন দৃষ্টান্ত রয়েছে যে তার জন্য ভোট চাইতে পারে।

তিনি বলেন, কোনো পর্যবেক্ষক আজকের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাই। সেখানে নির্বাচন কমিশন বলেছে, বিএনপির অভিযোগ সঠিক নয়। বিএনপি ১০০ ভোটকেন্দ্র নিয়ে অহেতুক অভিযোগ তুলেছে, যার জবাব নির্বাচন কমিশন দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন যেখানে বলেছে, তারা হ্যাপি সেখানেতো আমাদের কিছু বলার নাই।

আওয়ামী লীগের এই মুখপাত্র বলেন, আমরা রাজনীতি করে প্রোঅ্যাক্টিভ। বিএনপি নেতাদের বসে বসে মিথ্যাচার করা ছাড়া কোনো প্রোঅ্যাক্টিভ কাজ নেই। তারা দেশে কোনো প্রোঅ্যাক্টিব মুভমেন্ট গড়ে তুলতে পারে নাই। এখন তাদের মিথ্যাচারই সম্বল। আর মাঝে মাঝে কূটনৈতিকদের কাছে ধরনা দিয়ে সরকারের নামে নালিশ করা। এটাই তাদের কাজ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এইচটি ইমাম, রাশিদুল আলম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, আহমদ হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবদুস সোবহান গোলাপ, দেলোয়ার হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, আব্দুস সবুর, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ।

গ্রেনেড হামলার রায় শিগগিরই : আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর

0

অনুসন্ধান নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলার রায় শিগগিরই ঘোষণা হবে এবং এই জঘন্য হামলার জন্য দোষী ব্যক্তিরা শাস্তি ভোগ করবে।

তিনি বলেন, ‘এই হত্যার বিচার চলছে। আমি আশা করবো তাড়াতাড়িই এই বিচারের রায় হবে এবং এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তারা কঠিন শাস্তি পাক আমরা সেটাই চাই। আমরা এর ন্যায় বিচার চাই।’

মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের পরিবার এবং আহতদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তরকালে তিনি একথা বলেন।

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহত-আহতদের পরিবারের সদস্যদের ৬৯ জনের মধ্যে এদিন অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মায়া ঘোষ এবং সাবেক কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা মোশাররফ হোসেন ও আর্থিক সহযোগিতার চেক গ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রেক্ষাপট স্মরণ করে বলেন, সেদিন (২০০৪ সালের ২১ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর বিরুদ্ধে সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) মাজারে বোমা হামলার প্রতিবাদে সন্ত্রাস বিরোধী র‌্যালি হচ্ছিল। সেখানে দিনে দুপুরে এভাবে যে গ্রেনেড হামলা হতে পারে তা আমরা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। সেখানে আইভি রহমানসহ আমাদের ২২ জন নেতা-কর্মীকে হারাই এবং দুজন অজ্ঞাতনামা মারা যায়। আর আমাদের শতশত নেতা-কর্মীরা আহত হয়।

বোমার শব্দে তার কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও নেতা-কর্মীদের রচিত মানব ঢাল সেদিন প্রধানমন্ত্রীকে রক্ষা করে। তিনি বলেন, ‘যেহেতু হানিফ ভাইসহ কেন্দ্রীয় নেতারা আমাকে ঘিরে রেখেছিল তাই আমার গায়ে কোন স্প্রিন্টার লাগে নাই।’

প্রধানমন্ত্রী হামলার ধরনে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, যে আর্জেস গ্রেনেড যুদ্ধের ময়দানে ব্যবহার হয় তাই এই হামলায় ব্যবহৃত হয়েছিল, তাও দিনে দুপুরে। একটার পর একটা ১৩টা গ্রেনেড মারা হয়। এমনকি গ্রেনেড হামলার পর অন্য নেতা-কর্মীরা যখন হতাহদের উদ্ধার করতে গেছে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে, টিয়ার গ্যাস মেরেছে।

তিনি বলেন, এই রকম ঘটনা মনে হয় কেউ তখনো পৃথিবীতে শোনে নাই যে, এত বড় একটা গ্রেনেড হামলার পর এত সময় অতিবাহিত হলেও পুলিশ উদ্ধার কাজে তো আসলোই না উপরন্তু লাঠি চার্জ করলো, কাউকে পিটিয়েছে, কাউকে লাখি মেরেছে, টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে। আমাদের নেতাকর্মী যারা উদ্ধার করতে গেছে তাদের দিকে পাল্টা আক্রমণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তিনি তখন বিরোধীদলের নেত্রী থাকা অবস্থায় তাকে হত্যার জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়। সরকারে যারা থাকে এবং তাদের ছেলে পেলে যদি ষড়যন্ত্র করে তাহলে একটা দেশের কি অবস্থায় যেতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তখন আহতদের দেশে বিদেশে যেখানে পেরেছেন তাদের জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন উল্লেখ করে বলেন তখন অনেকেই তাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন এবং বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকেও তাদের সাহায্য করা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। যাদের অনেকেই এখনো শরীরে স্প্রিন্টারের দুঃসহ যন্ত্রণা নিয়ে বেঁছে রয়েছেন, অনেকে মারাও গেছেন যন্ত্রনা ভোগ করতে করতে।

সূত্র : বাসস

আপাতত মুক্তি পাচ্ছেন না খালেদা জিয়া

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তবে জামিন পেলেও খালেদার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় শোন অ্যারেস্ট থাকায় আপাতত তিনি কারাবন্দি থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বুধবার খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রাখার রায় ঘোষণার পর এক প্রতিক্রিয়ার ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত খালেদা জিয়া জামিন বহাল রেখেছেন। তবে তার (খালেদা জিয়া) বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় শোন অ্যারেস্ট থাকায় আপাতত মুক্তি পাচ্ছেন না।

তিনি আরও বলেন, তবে আমরা আশা করছি শিগগিরই তিনি কারামুক্তি পাবেন। কারণ, সুপ্রিম কোর্টে জামিন পাওয়ার পর আশা করি নিম্ন আদালতেও তিনি জামিন পাবেন।

জানা গেছে, ঢাকায় ২টি, কুমিল্লায় ২টি এবং নড়াইলে ১টি মামলাসহ মোট ৬টি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে শোন অ্যারেস্ট রয়েছে। ফলে দণ্ডপ্রাপ্ত মামলায় জামিন পেলেও খালেদা জিয়া কারাবন্দি থেকে মুক্তি পেতে হলে এসব মামলায় জামিন পেতে হবে।

আজ (বুধবার) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মুহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

হাইকোর্টের দেয়া খালেদার জামিন বাতিল চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়ে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ৩১ জুলাই মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ১২ মার্চ দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। পাশাপাশি এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা কেন বাড়ানো হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেন আদালত।

এরপর ১৯ মার্চ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ ৮ মে পর্যন্ত জামিন স্থগিতের আদেশ দেন। একই সঙ্গে পরবর্তি দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আইনজীবীদের আপিলের সার-সংক্ষেপ জমা দিতে বলেন।

এর আগে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয় আসামির প্রত্যেককে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। রায়ের দিনই খালেদা জিয়াকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

খালেদার জামিন বহাল

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

বুধবার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মুহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

হাইকোর্টের দেয়া খালেদার জামিন বাতিল চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়ে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ৩১ জুলাই মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ১২ মার্চ দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। পাশাপাশি এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা কেন বাড়ানো হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেন আদালত।

এরপর ১৯ মার্চ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ ৮ মে পর্যন্ত জামিন স্থগিতের আদেশ দেন। একই সঙ্গে পরবর্তি দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আইনজীবীদের আপিলের সার-সংক্ষেপ জমা দিতে বলেন।

এর আগে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয় আসামির প্রত্যেককে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। রায়ের দিনই খালেদা জিয়াকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

0

ছবি-ফাইল

অনুসন্ধান নিউজ ডেস্ক : ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর রাজশাহী ও ময়মনসিংহের অনেক স্থানে স্থায়ীভাবে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমী স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়া সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। এছাড়া বর্ধিত পাঁচদিনের বৃষ্টির প্রবণত বাড়াতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

গতকাল (রোববার) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল নিকলি ৩৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুিলিয়া ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ (সোমবার) ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ১৬ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩৪ মিনিটে।

ভোট দিলেন মঞ্জু

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে রহিমা খাতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে তিনি তার ভোট প্রদান করেন।

ভোটকেন্দ্র থেকে বের হয়ে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জু বলেন, আমার কাছে খবর এসেছে সকাল থেকে অন্তত ৩০ কেন্দ্র থেকে বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। এমনকি তাদের মারধরের ঘটনাও ঘটেছে। এসময় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে ব্যাবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

এর আগে সকাল ৮টার দিকে শহরের পাইওনিয়ার গালর্স স্কুল কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক।

এসময় এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না বিএনপির এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, আসলে তারা কেন্দ্রে আসছেনই না। দূর থেকে কেবল অভিযোগ করছেন।

প্রসঙ্গত মঙ্গলবার সকাল ৮টায় খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটাররা জড়ো হয়েছেন তাদের নবম নগরপিতাকে ভোট দিয়ে নির্বাচনের জন্য। নারী-পুরুষ সবার মধ্যেই এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হামিদুল বাহিনীর প্রধান নিহত

0

জেলা প্রতিনিধি, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হামিদুল বাহিনীর প্রধান হামিদুল ইসলাম (৪৫) নিহত হয়েছেন। র‌্যাবের দাবি হামিদুল শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় র‌্যাবের ২ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র গুলি ও ম্যাগজিন উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে শহরের গড়াই নদীর বাঁধ সংলগ্ন চর মিলপাড়ার বালুর মাঠে এ বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। ২০০৭ সালে হামিদুল বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড তার ছোট ভাই রাশিদুল ইসলামও ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছিলেন।

র‌্যাব-১২ কোম্পানি কমান্ডার এম মুহাইমিনুর রশিদ জানান, গড়াই নদীর পাড় সংলগ্ন বালুরমাঠে সন্ত্রাসীদের একটি দল অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদ পেয়ে র‌্যাবের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জবাবে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালালে বন্দুকযুদ্ধে একজন গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

র‌্যাবের দাবি, হামিদুল ইসলাম পুলিশের তালিকাভুক্ত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আহত দুই র‌্যাব সদস্যকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশি ও একটি বিদেশি পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলি ও ২টি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত হামিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ইটভাটা এলাকার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে।

স্যানিটেশনে বরাদ্দে বৈষম্য, ব্যয় হয় না পুরো অর্থ

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা তথা স্যানিটেশনে বরাদ্দে চরম বৈষম্য ও অসমতা রয়েছে। একই সঙ্গে বছর বছর এ খাতে বরাদ্দের অর্থ পুরোপুরি ব্যয় হয় না। এ জন্য দায়ী বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর অক্ষমতা। এই অবস্থায় মধ্য আয়ের দেশ গড়তে স্যানিটেশনে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি তা বাস্তবায়নের সক্ষমতা অর্জন করা প্রয়োজন।

ওয়াটার এইড ও ইউনিসেফের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন কথা বলা হয়েছে। রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য দেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ওয়াটার এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর খায়রুল ইসলাম, ওয়াটার সাপ্লাইর কর্ডিনেটর এসএম আনোয়ার কামাল, জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) প্রতিনিধি ডারা জনথন, পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা (এফএসএম) নেটওয়ার্কের প্রতিনিধি হাসিন জাহান প্রমুখ।

সংস্থাটি বলছে, সরকারের আন্তরিকতা সত্ত্বেও নিরাপদ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত পয়োনিষ্কাশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ হওয়া প্রয়োজন তা হয়নি। বরাদ্দের সিংহভাগই ছিল মহানগরের জন্য। এ জন্য এডিপিতে অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সমতা অনুসরণ করা উচিত।

লিখিত বক্তব্যে ড হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ওয়াশ কর্মসূচিতে মহানগরগুলোতেই সিংহভাগ বরাদ্দ হয়েছে। ২০১৭-২০১৮ সালের বাজেটে বিগত বাজেটের তুলনায় বরাদ্দ বেশি হলেও মহানগরে ছিল ৪ হাজার ৪২০ কোটি টাকা। আর পাহাড়ি, উপকূলীয়, চরাঞ্চলসহ দেশের সব গ্রামের জন্য ছিল মাত্র ৯৩৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে ছোট শহরগুলোর সম্মিলিত বরাদ্দ ছিল মাত্র ৮৩৫ কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে স্থানভিত্তিক অর্থ বরাদ্দে বড় ধরনের বৈষম্য দেখা গেছে।

সিটি কর্পোরেশনগুলোতে বরাদ্দের ক্ষেত্রে অসমতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশের ৮টি সিটিতে ওয়াসার বরাদ্দসহ মোট বরাদ্দ ছিল ৩ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। বরাদ্দ বাড়লেও ৩ সিটিতে (খুলনা, বরিশাল, গাজীপুর) ওয়াশ প্রকল্পে কোনো অর্থই বরাদ্দ করা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে হাসিন জাহান বলেন, ২০০৭-০৮ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বার্ষিক বাজেট পর্যালোচনায় দেখা যায়, দুটি অর্থবছরে (২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪) ওয়াশ কর্মসূচিতে কোনো বরাদ্দকৃত অর্থের সম্পূর্ণ খরচ হয়নি।

তিনি বলেন, উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে খরচের ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে পরিবীক্ষণ ও তদারকি প্রয়োজন।

ইউনিসেফের প্রতিনিধি ডারা জনথন বলেন, উন্নয়ন কর্মসূচির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার খুবই আন্তরিক। আমরা আশা করি বৈষম্য-অসমতার ঘাততি দূর হবে। একই সঙ্গে দক্ষতাও বাড়বে।

সংবাদ সম্মেলনে কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়। সুপারিশগুলো হলো- টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বাজেটে অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে হবে। পিছিয়ে থাকা গ্রামাঞ্চলের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি, পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অর্থ বরাদ্দ করতে হবে। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও স্থানীয়দের সচেতন করতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিতে হবে।

কূটনীতিকদের কাছে বিএনপির উদ্বেগ প্রকাশ

4

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএনপি। রোববার বিকেলে ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের নিয়ে বৈঠক করে দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা।

বিকেল গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই কিছু জানায়নি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় সূত্র জানায়, বৈঠকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মৌখিকভাবে সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরলেও এ সংক্রান্ত লিখিত কপিও কূটনীতিকদের দেয়া হয়। দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে কূটনীতিকদের ব্রিফ করা হয়। বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলা, কারাবাস, অসুস্থতা, চিকিৎসা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিচার বিভাগ, স্থানীয় সরকার নির্বাচন, আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রভৃতি বিষয়ে বিএনপি নেতারা বিদেশি কূটনীতিকদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করেন।

বিএনপির দাবি, খালেদা জিয়া, বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটকে অগ্রাহ্য করে সরকার আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচন একতরফাভাবে করার জোর প্রচেষ্টা করছে।

খালেদা জিয়ার জামিনের শুনানির দীর্ঘসূত্রতার কথা উল্লেখ করে বিএনপির পক্ষ থেকে এজন্য সরকারকে দায়ী করা হয়। বলা হয়, মাইনাস ওয়ান ফর্মুলার মাধ্যমে কারাবন্দি দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সরকার রাজনীতি থেকে চিরতরে নির্বাসিত করতে চায়।

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত এক দশক ধরে তিনটি এজেন্ডা বাস্তবায়নের জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।

প্রথমত, ১৯৭৫ সালে তার পিতা যেমন একদলীয় বাকশাল গঠন করেছিলো তার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চান। দ্বিতীয়ত, যে কোনো বিরোধী পক্ষকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে তারা জামায়াতে ইসলামীকে সহিংস চরমপন্থী আখ্যা দিয়ে উৎখাত করেছে। এমনকি মৌলবাদীদের সহযোগী অভিযোগ করে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। তৃতীয়ত, সংবিধান পরিবর্তন করে নির্বাচন প্রক্রিয়া তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা।

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে বলা হয়, দিন দিন তার স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে। চিকিৎসকরা তার প্যারালাইসিস, অন্ধত্ব ও সব ধরনের কাজ করার সার্মথ্য হারিয়ে ফেলার ঝুঁকি রয়েছে বলে মত দিয়েছেন। তিনি হাঁটতে পারছেন না। চোখের কর্ণিয়া শুকিয়ে যাচ্ছে যার ফলে তিনি চিরতরে অন্ধ হয়ে যেতে পারেন। এত অসুস্থতার কথা জানিয়ে বার বার বলার পরেও সরকার তার সুচিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালের ব্যবস্থা করেনি।

শুধু তাই নয় গত ৮ মে আদালতে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, এসব অসুখ নিয়েও তিনি এতদিন রাজনীতিতে সচল ছিলেন তাই স্বাস্থ্যগত কারণে তাকে বেইল দেয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি অভিযোগ করেন, খালেদা জিয়ার বেইল হেয়ারিং নিয়ে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে। এমনকি তার মামলার বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো প্রতিক্রিয়া কানে তুলছে না সরকার।

কূটনীতিকদের আরও বলা হয়, নির্বাচনের পরিবেশ তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এমন টের পেলেই সেই নির্বাচন স্থগিত করে দেয়। এর আগে ঢাকা উত্তর ও পরে গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিজেদের পরাজয় ঢাকতে আদালতকে প্রভাবিত করে স্থগিত ঘোষণা করেছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিহিংসা রাজনীতি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বিএনপিকে রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করার সব কৌশল বাস্তবায়নে সরকার তৎপর বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

বিকেল সোয়া ৪টায় শুরু হয়ে বৈঠক চলে সোয়া ৫টা পর্যন্ত। বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ও পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, স্পেন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জাপান, রাশিয়া, ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধি ও ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টরসহ ১৮ দেশের কূটনৈতিক প্রধান উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, রিয়াজ রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, নির্বাহী সদস্য জেবা খান ও তাবিথ আউয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে মাতৃদুগ্ধ পানের হার কম

0

অনুসন্ধান নিউজ ডেস্ক : দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের শিশুরা মাতৃদুগ্ধ পানের সুযোগ কম পায় বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ। সংস্থাটির সর্বশেষ রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মা দিবস উপলক্ষে গতকাল (রোববার) এ রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়।

রিপোর্টে বলা হয়েছে বুকের দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার মায়েরা সবার থেকে এগিয়ে। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মায়েরা প্রতিবেশি দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে আছে।

এতে উল্লেখ করা হয় ভুটান, নেপাল ও শ্রীলংকায় ৯৯ শতাংশ এবং আফগানিস্তানে ৯৮ শতাংশ শিশু শৈশবে বুকের দুধ খাওয়ার সুযোগ পায়। বাংলাদেশ ছাড়া এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশে এই হার ৯৪ থেকে ৯৭ শতাংশ।

রিপোর্টে বলা হয়েছে বাংলাদেশে মাত্র ৫১ শতাংশ নবজাতককে জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করা হয় এবং ছয় মাসের কম বয়সী ৫৫ শতাংশ শিশুকে কেবল বুকের দুধ খাওয়ানো হয়।

ইউনিসেফের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিয়ে বেড়ে ওঠা এবং মৃত্যুর হার কমাতে জন্মের পর থেকে তাদের দুই বছর এবং সম্ভব হলে তার বেশি সময় বুকের দুধ খাওয়ানো প্রয়োজন। শুধু তাই নয় দীর্ঘ সময় ধরে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো মায়ের স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। একজন মা এক বছর পর্যন্ত সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে তার স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি ৬ শতাংশ কমে যায়। সূত্র : বাসস

Dhaka, BD
mist
17 ° C
17 °
17 °
88 %
0kmh
40 %
শনি
25 °
রবি
26 °
সোম
26 °
মঙ্গল
26 °
বুধ
27 °

সর্বাধিক পঠিত