এমপিওতে ভুল তথ্য, তাহলে যাচাই করলেন কী?

0
304

নিজস্ব প্রতিবেদক : এমপিওর সঙ্গে জড়িত অদক্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মনে করেন সাবেক শিক্ষা সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় পেলেও এমপিওভুক্তির নির্ভুল তালিকা করতে না পারার দায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুই হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে আদেশ জারি করা হয়। এই তালিকায় থাকা অনেক প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিতর্ক ওঠে।

সাবেক এ শিক্ষা সচিব বলেন, ‘এমপিও তালিকাভুক্তিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অদক্ষতায় গড়পড়তা সমালোচনা শুনতে হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারকে। দেখলাম প্রায় অস্তিত্বহীন, যুদ্ধাপরাধী প্রতিষ্ঠিত, সরকারীকৃত প্রতিষ্ঠানও এমপিওর তালিকায়। শুধু তাই নয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধন হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় দক্ষতার সঙ্গে পুরো তালিকা ওয়েবসাইটে দিতে পারেনি। সনাতন পদ্ধতিতে নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দিয়েছে যা শুনে মন খারাপ হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, দুই হাজার ৭৩০ প্রতিষ্ঠান বলা হলেও বাস্তবে নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে মাত্র এক হাজার ৪২৮টি। এত কম সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের সঠিকতা যাচাই করতে গিয়ে মন্ত্রণালয় যদি দাবি করে আবেদনকারীরা ভুল তথ্য দিয়েছে বা তথ্য গোপন করেছে তাই এমনটা হয়েছে, তাহলে এটা আরও হাস্যকর যুক্তি। তাহলে প্রশ্ন আসবে, যদি ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য এমনটা হয় তাহলে যাচাই করলেন কী?

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি দলের এমপি-মন্ত্রীদের দেওয়া তালিকা থেকে এমপিওভুক্ত না করে অযোগ্য প্রতিষ্ঠানও এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। যদিও শিক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করছে, কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিষ্ঠান তালিকা থেকে সব শর্ত পূরণ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।