বিশেষ প্রতিবেদন : দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষেতের ফসল নষ্ট হচ্ছিল হনুমানের উৎপাতে। বেচারা কৃষক ফসল রক্ষার উপায় খুঁজছিলেন। সবশেষে ঠিক করলেন হনুমান তাড়াতে বাঘের সাহায্য নেবেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাই করেন তিনি। কিন্তু বাঘ কি আর পোষা প্রাণী? তাকে কী করে রাজী করালেন তিনি?
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজারে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, কৃষক শ্রীকান্ত গৌড়া, ভারতের কর্ণাটকের তীর্থহালি তালুকের নালুরু গ্রামের বাসিন্দা। হনুমানের কবল থেকে ফসল রক্ষার জন্য বাঘের কথা মাথায় আসে তার। তবে এই বাঘ আসল নয়। নকল এক বাঘের ব্যবস্থা করেন তিনি।
প্রথমে একটি বাঘের পুতুল বা কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করেন শ্রীকান্ত। সেটি একটু উঁচু জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেন। এতে ভালোই কাজ হচ্ছিল। জমির সামনে বাঘকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ক্ষেতের দিকে ঘেঁষত না হনুমানগুলো। দুই দিন পর একই কৌশল ব্যবহার করেন অন্য একটি জমিতে। ভালো ফলও পান।
বাঘ ব্যবহারের এই কৌশল দুইবার কাজ দিলেও, বেশি দিন যে এটি চলবে না তা জানতেন শ্রীকান্ত। তাই এবার কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন আনলেন। একটি কুকুরের গায়ে বাঘের মতো ডোরাকাটা রঙ করে দেন দিন। গায়ে লাগিয়ে দেন কলপের কালো কালি। দূর থেকে দেখলে তাকে ডোরাকাটা বাঘই মনে হবে।
শ্রীকান্তের এই কুকুরকে বাঘ সাজানোর কৌশল দারুণ কাজ করে। বাঘ সেজে কুকুরটি ক্ষেতের চারপাশে ঘুরে বেড়ায় আর বাঘ ভেবে ফসলের আশেপাশেও ঘেঁষে না হনুমানের দল। আর তাই সব মিলিয়ে শান্তিতেই আছেন শ্রীকান্ত।









