আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত রাষ্ট্র সিরিয়ায় আসাদ বাহিনীর হামলা থেকে বাঁচতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ইদলিব থেকে পালিয়ে তুর্কি সীমান্তের দিকে যাচ্ছেন নারী ও শিশুসহ লক্ষাধিক শরণার্থী।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা ‘রয়টার্স’ জানায়, সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রুশ সেনাদের সহযোগিতায় প্রদেশটিতে অভিযান শুরু করে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের অনুগত সেনা সদস্যরা। এতে ভয়াবহ সংঘর্ষের আশঙ্কায় এরই মধ্যে নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে তুরস্কের দিকে পালাতে শুরু করেছেন লাখ লাখ মানুষ। যদিও নতুন করে আর কোনো শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রেসেপ তেইয়্যেপ এরদোগান।
মানবাধিকার কর্মী সুলাইমান আবদুল কাদের কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম ‘আল-জাজিরাকে’ বলেন, ইদলিবে সংঘর্ষের আশঙ্কায় তুর্কি সীমান্তের দিকে অগ্রসর হচ্ছে সিরীয়রা। এবার একের পর এক হামলা ও ব্যারেল বোমা নিক্ষেপের মাধ্যমে নির্বিচারে বেসামরিক কাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রায় ৩০ লাখের অধিক লোক ইদলিবে বসবাস করেন। বেসামরিক নাগরিক ও বিদ্রোহী সেনাদের শহর ছাড়া করার উদ্দেশ্যেই হামলাটি চালানো হয়েছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তেইয়্যেপ এরদোগান বলেছেন, ইদলিবের বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী সেখানকার লক্ষাধিক লোক তুরস্কে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছেন। যদিও শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে গিয়ে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে আমাদের কর্মীরা।
তিনি আরও জানান, তুরস্ক নতুন করে আর কোনো সিরীয় শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে পারবে না।









