২ সিটিতে বিতর্কিত যত প্রার্থী

265
3352

নিজস্ব প্রতিবেদক : এক সময়ের তিলোত্তমা নগরী, বর্তমানে রাজধানী ঢাকার সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর পদটি যেন কারও কারও কাছে জাদুর কাঠি। এই জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় তারা ধরাকে করেছেন সরা। ঢাকার দুই সিটির এমন ১১ জন বিতর্কিত কাউন্সিলরের নাম উঠে এসেছে দৈনিক অধিকারের অনুসন্ধানে। যারা আগের মেয়াদে কাউন্সিলর হয়ে অনিয়মের চূড়ায় উঠে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়।

ঢাকা ও উত্তর দক্ষিণে কাউন্সিলর পদে নিজ দলের সমর্থন পাওয়া বিতর্কিত এই ১১ জনই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও শরিক দলের নেতা। এদের মধ্যে কারও কারও বিরুদ্ধে আবার ক্যাসিনো সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ আছে চাঁদাবাজি, ভূমিদখলেরও। এত এত অভিযোগ থাকার পরও এরা আবারও পেয়েছেন দলীয় মনোনয়ন।

অনুসন্ধান বলছে, গত পাঁচ বছরের মেয়াদে কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গুরুতর নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিল ঢাকার দুই সিটির ১১ জন কাউন্সিলর। এদের মধ্যে উত্তরে পাঁচজন আর দক্ষিণে ছয়জন রয়েছেন।

এলাকায় খোঁজ নিয়ে মিলেছে এর সত্যতা। তাদের নাম বলতেই ক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠেন এলাকাবাসী। নাগরিক সুবিধার বদলে মিলেছে দুর্ভোগ। স্থানীয়রা জানায়, এসব কাউন্সিলরা এলাকার উন্নয়ন না, করেছেন নিজের পকেটের উন্নয়ন।

ভোটের মাঠে এর প্রভাব পড়বে কি না- এমন প্রশ্ন করা হয়েছিল সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের কাছে। অধিকাংশই দৈনিক অধিকারকে জানিয়েছেন, দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের নানা উন্নয়ন দৃশ্যমান থাকলেও, শুধু তাদের ওয়ার্ডই বঞ্চিত হয়েছে উন্নয়ন থেকে। উল্টো তারা পেয়েছেন মশার কামড়, জলাবদ্ধতা, রাস্তায় খানাখন্দসহ নাগরিক নানা সমস্যা। তারা এমন জনপ্রতিনিধি চান না বলেও জানান। ক্ষমতাসীন দল তাদের মনোনয়ন দেওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এসব কাউন্সিলরের অপকর্মের কারণে স্থানীয়ভাবেও তারা জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন। ক্ষুণ্ণ করেছেন সরকারের ভাবমূর্তিও। এরপরও তারা পেয়েছেন সরকারদলীয় মনোনয়ন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে পেয়েছেন মনোনয়নের বৈধতাও।

জানা গেছে, এবারে ঢাকার দুই সিটিতে কাউন্সিলর পদে বিতর্কিত প্রার্থীর সংখ্যা ১৯ জন। এদের ৯ জন পাননি দলীয় মনোনয়ন। আর একজন আগেই কাউন্সিলর থেকে পদচ্যুত হয়েছেন। বাকি ১০ জনের মধ্যে আওয়ামী লীগের ৮ জন আর শরিকদল জাতীয় পার্টি ও বিদ্রোহী একজন করে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন :

ঢাকা উত্তরের বিতর্কিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন— ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জামাল মোস্তফা, ৬ নম্বরের রজ্জব হোসেন, ৭ নম্বরের মোবাশ্বের চৌধুরী, ১২ নম্বরে ইকবাল হোসেন তিতু, ৩০ নম্বরের আবুল হাসেম হাসু, ৩১ নম্বরের শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ৩২ নম্বরের কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান, ৩৩ নম্বরের তারেকুজ্জামান রাজীব ও ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আনিসুর রহমান নাঈম।

এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন জোটেনি— ৬ নম্বরের রজ্জব হোসেন, ৭ নম্বরের মোবাশ্বের চৌধুরী, ৩২ নম্বরের কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান, ৩৩ নম্বরের তারেকুজ্জামান রাজীব ও ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আনিসুর রহমান নাঈমের।

আর বিতর্কিত হয়েও মনোনয়ন নামের সোনার হরিণটি ছিনিয়ে নিয়েছেন ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জামাল মোস্তফা, ১২ নম্বরে ইকবাল হোসেন তিতু, ৩০ নম্বরের আবুল হাসেম হাসু। জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের শফিকুল ইসলাম সেন্টু। আর ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন আনিসুর রহমান নাঈম।

বিতর্কিতদের মধ্যে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন কাফরুল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জামাল মোস্তফা। তবে এই প্রার্থীর ইমেজ কিছুটা ভালো থাকলেও তিনি বিতর্কিত হয়েছেন তার ছেলে এবং ছেলের বউয়ের কারণে। জামাল মোস্তফার ছেলে রফিকুল ইসলাম রুবেল ও তার স্ত্রী তানজিলা ঢাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। প্রশাসন বলছে, রুবেল ঢাকার শীর্ষ ৪৫ ইয়াবা গডফাদারদের মধ্যে একজন। ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ১১৫ পিছ ইয়াবাসহ পল্লবী থানা পুলিশের হাতে স্ত্রীসহ গ্রেফতার হয় রুবেল।

ইকবাল হোসেন তিতু ১২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথম ঘোষণায় দলীয় মনোনয়ন না পেলেও একদিন পরেই তা সংশোধন হয়ে পান দলীয় মনোনয়ন। গত মেয়াদে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েই ইকবাল হোসেন তিতুর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, ফুটপাত ও রাস্তা, অন্যের জমি দখল আর ডিশ নৈরাজ্যের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। ভোটে জিতেই তিনি ছোট ভাই লিটু ও কিছু অনুসারী নিয়ে এলাকায় নিজের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। নির্বাচিত হওয়ার অনেক আগেই মিরপুর ১ নম্বরে সনি সিনেমা হলের উল্টো পাশে সরকারের জমি দখল করে স্বাধীন বাংলা সুপার মার্কেট বানিয়ে এলাকায় আলোচনায় আসেন তিনি। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির এমন আগ্রাসী মনোভাব আর অনাচারে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

৩০ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিশ্চিত হয়েছে আবুল হাসেম হাসুর। যাকে রাজধানীর আদাবর-শ্যামলির বাসিন্দারা ‘দখলদার’ হিসেবে চিনে। যিনি তার ভাই কাসুকে নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন দখলদার বাহিনী ‘হাসু-কাসু’। এই বাহিনীর বিরুদ্ধে স্থানীয় বিপুল পরিমাণ জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে।

অথচ এসব অপকর্মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ২০১২ সালে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। হাসুর বিরুদ্ধে আদাবর থানা ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি রিয়াজ মাহমুদকে কুপিয়ে মারাত্বক জখম করার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার একটি মামলাও হয়েছে।

দলীয় মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়তে পারেন ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনিসুর রহমান নাঈম। তার বিরুদ্ধে জমিদখল, চোরাকারবার, চাঁদাবাজিসহ রয়েছে নানা অভিযোগ। বিমানবন্দর, কাওলা, শিয়ালডাঙ্গাসহ আশপাশের এলাকায় দখল ও চাঁদাবাজির জন্য রয়েছে ‘নাঈম খলিফা’ নামে তার নিজস্ব বাহিনী। স্থানীয়রা নাঈমকে চেনেন ‘ত্রাস নাঈম’ নামে।

ক্যাসিনোকাণ্ডে নাম আসা আরেক বিতর্কিত কাউন্সিলর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের শফিকুল ইসলাম সেন্টু। যিনি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য। এবারও তিনি পেয়েছেন দলীয় মনোনয়ন।

অতি ক্ষমতাধর এই কাউন্সিলর প্রার্থী কলাবাগান ক্রীড়া চক্রে ক্যাসিনো চালুর সঙ্গে তিনি জড়িত বলে অভিযোগ আছে। ক্যাসিনোবিরোধী শুদ্ধি অভিযানের পর তিনি সিঙ্গাপুর চলে যান। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে আসলে আবার লোকালয়ে ফেরেন বিতর্কিত এই কাউন্সিলর।

২০১৬ সালে প্রথম ক্যাসিনোর অত্যাধুনিক মেশিন দিয়ে বাংলাদেশে প্রথম কলাবাগান ক্রীড়া চক্রে ক্যাসিনো চালু করলে পরের বছর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও কলাবাগান ক্রীড়া সভাপতি সফিকুল আলম ফিরোজ ক্যাসিনোটি বন্ধ করে দেন।

২০১৫ সালের কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কোনো উন্নয়নমূলক কাজের নজির নেই এই কাউন্সিলরের। ছিলেন না কোনো দখলমুক্ত উচ্ছেদ অভিযানে; উল্টো নিজে দখল করেছেন অনেক স্থাপনা। শুধু তাই নয় উত্তরে সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত ছিলেন সেন্টু। তিনি ১২টি সভার একটিতেও উপস্থিত ছিলেন না।

শফিকুল ইসলাম সেন্টুর বিরুদ্ধে স্থানীয় সন্ত্রাসীর লালন করার অভিযোগও রয়েছে। মোহাম্মদপুরের টাউন হল বাজারের আশেপাশে বিভিন্ন জায়গায় দখল এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে তার নিজস্ব বাহিনীর বিরুদ্ধে।

গত বছরের ২৮ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তার বিরুদ্ধে জমি, বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, মার্কেট দখল, অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ মেলার কথা জানায় দুদক।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন :

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ডেঙ্গু ইস্যুতে সমালোচিত ও বিতর্কিত মেয়র সাঈদ খোকন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না পেলেও কাউন্সিলরদের মধ্যে বিতর্কিত ১০ জনের মধ্যে ৬ জনই পেয়েছেন দলীয় মনোনয়ন। বিতর্কের কারণে প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত জনপ্রিয়তা হারিয়েও মনোনয়ন পাওয়া কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন—২ নম্বর ওয়ার্ডের আনিসুর রহমান, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আশ্রাফুজ্জামান, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের ফরিদ উদ্দিন আহমদ রতন, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের মো. হাসান (পিল্লু), ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে নূরে আলম ও ৫৬ নম্বরে মোহাম্মদ হোসেন।

মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার পরও ২ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আবারও লড়ছেন আনিসুর রহমান। জনশ্রুতি আছে, ক্যাসিনোসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ নেতা খালিদ মাহমুদ ভুঁইয়ার নানা অপকর্মের সঙ্গে সে জড়িত।

আরামবাগ ও সবুজবাগ এলাকার ক্যাসিনো ও জুয়ার আড্ডার নিয়ন্ত্রকদের মধ্যে অন্যতম ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আশ্রাফুজ্জামান। স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ অবমাননার কারণে কাউন্সিলর পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া মমিনুল হক সাঈদের সঙ্গেও রয়েছে তার ঘনিষ্ঠতা। এ ছাড়া ফুটপাত থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগও পাওয়া গেছে। নানা বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও আবারও পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন।

২০ নম্বর ওয়ার্ডে পুনরায় ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন পেয়েছেন ফরিদ উদ্দিন আহমদ রতন। তার বিরুদ্ধে গুলিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে। রতনসহ ক্লাবটির একাধিক নিয়ন্ত্রক রয়েছে বলে অভিযোগ আছে। শুদ্ধি অভিযানকালে ক্যাসিনো সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ক্লাবটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে করপোরেশনের বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পুরান ঢাকার সোয়ারিঘাটসহ আশপাশের এলাকা নিয়ন্ত্রণ করেন ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের সদ্য সাবেক কাউন্সিলর মো. হাসান (পিল্লু)। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ভাগিনা। ওয়ার্ডের আওতাধীন এসব এলাকার মালবাহী যানবাহন থেকে প্রতি মাসে লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ভাগিনা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পান না কেউ।

কামরাঙ্গীরচরের ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে পুনরায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া নূরে আলম নানা ভাবে বিতর্কিত। করপোরেশনের কাজ উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে স্থানীয়দের থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আর তাতে ৮০ শতাংশ জনপ্রিয়তা খুইয়ে বসে আছেন তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি স্যুয়ারেজ পাইপ বসাতে গিয়ে বাড়ি প্রতি আড়াই থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত করে চাঁদা আদায় করেছেন তিনি। নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত রিকশা থেকে মাসে ১ লাখ টাকা মাসোয়ারা পান বলেও জানা যায়। এ ছাড়া সম্প্রতি স্থানীয় এক সাংবাদিকের জমিতে স্যুয়ারেজ পাইপ বসানো নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। নূরে আলম জোরপূর্বক ওই সাংবাদিকের জমিতে স্যুয়ারেজ পাইপ বসানোর চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। এত কিছুর পরেও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ক্ষমতাসীন দলের হয়ে এবার দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মনোনয়ন পেলেন ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ হোসেন। ব্যাটারিচালিত রিকশা থেকে প্রতি মাসে চাঁদা তোলেন ৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া খোলামোড়া নৌকা ঘাট, টেম্পুসহ বিভিন্ন স্থান থেকে চাঁদা আদায়ের বিস্তর অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। কামরাঙ্গীরচরের খাল দখল করে স্থাপনা তৈরিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই কাউন্সিলরের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

265 COMMENTS

  1. Today, I went to the beach front with my children. I found a sea shell and gave it to my 4 year old daughter and said “You can hear the ocean if you put this to your ear.” She put the shell to her ear and screamed. There was a hermit crab inside and it pinched her ear. She never wants to go back! LoL I know this is completely off topic but I had to tell someone!|

  2. Unquestionably believe that which you said. Your favorite reason seemed to be on the web the easiest thing to be aware of. I say to you, I definitely get irked while people consider worries that they just do not know about. You managed to hit the nail upon the top and also defined out the whole thing without having side effect , people could take a signal. Will probably be back to get more. Thanks|

  3. cost of viagra subscription viagra without doctor prescription http://ww17.firstamericacredit.com/__media__/js/netsoltrademark.php?d=viagrawithoutdoctorspres.com viagrawithoutdoc viagra without a doctor prescription viagra coupons
    viagra dosage viagra generic http://dunnbrosfranchising.com/__media__/js/netsoltrademark.php?d=viagra20c.com viagra without a doctor prescription usa generic viagra india 100mg
    sildenafil citrate generic viagra 100mg viagra prescription http://computersystems.expert/__media__/js/netsoltrademark.php?d=viagra20c.com subscription viagra without doctor prescription generic viagra available

  4. Outdoor Entertaining: About Having A Camping outdoors Vacation Is there a camping out with your potential? Have you been ready for the most simple elements of camping out? Though most areas of outdoor camping are basic, it can be continue to important to take some time to prepare your self for this sort of venture.Keep reading for planning and executing a great getaway. Permit every one of all your family members help you select a campsite. Talk about exactly where you would like to see. There are a multitude of choices in the united states it is actually challenging from which to choose. It is possible to choose a loved ones vote on to really make it easier. After you have consumed the orange, make use of the within the remove to rub on skin for any natural and chemical free pest repellant. Be sure that the tent is of sufficient size. This assures the most comfortable sleeping and shifting about room. You have to pre-plan activities for them to do around the getaway, though kids like to camp out. They may not understand how to fish or capture a fish. Teach them these pursuits prior to leaving behind. Ensure you know what’s included in your health insurance is up-to-date. If you go to yet another condition, you might need to buy additional protection. If your camping out getaway takes you to another country, this is especially valid. Be ready in the event anything takes place! Obtain some pillows that are produced particularly for outdoor camping. Regular mattress cushions may become wet in the event the outside air. The tend to take in background moisture from the oxygen and increase mildew as well. Cushions made specifically made for camping outdoors possess a defensive level that keeps these things from happening. Should they be camping outdoors along with you.This comes in scenario you can’t locate them in the journey, maintain images of the children upon you. Constantly provide a crisis photograph, specially when a good range from your property. Duct adhesive tape is definitely an vital piece to include in your outdoor camping products. It really is as practical for repairs while you are camping outdoors as it is at home. It can be used to repair an aura mattress should it get yourself a golf hole. Additionally, it may repair a tarp, slumbering handbag, or the tent. Before long increases so that you will don’t get lesions, you can even protect the feet. It could also be employed as being a bandage. Hopefully, this data has provided you with advice that will can make your camping outdoors vacation a lot more simple and easy , satisfying. You may really enjoy your camping out journey and all sorts of the great outdoors is offering you through the use of these tips.

  5. Have you ever thought about including a little bit more than just your articles? I mean, what you say is fundamental and everything. But just imagine if you added some great visuals or videos to give your posts more, “pop”! Your content is excellent but with pics and video clips, this blog could certainly be one of the most beneficial in its field. Fantastic blog!|

  6. With havin so much content do you ever run into any problems of plagorism
    or copyright infringement? My site has a lot of completely unique content I’ve either created myself
    or outsourced but it looks like a lot of it is popping it up all over the internet without my permission. Do you
    know any solutions to help stop content from being stolen?
    I’d really appreciate it. https://azhydroxychloroquine.com/

  7. With havin so much content do you ever run into any
    problems of plagorism or copyright infringement? My site has a lot of completely unique content I’ve either created myself or outsourced but
    it looks like a lot of it is popping it up all over the internet without my permission. Do you know any
    solutions to help stop content from being stolen? I’d really appreciate it. https://azhydroxychloroquine.com/

  8. As a class, although PDE5 inhibitors john reaching maximal observed plasma concentrations (Cmax) in as piffling as 30 minutes, the
    median value multiplication to level best compactness (Tmax) are 60
    proceedings for sildenafil citrate and vardenafil
    and 2 hours for Cialis. For avanafil, a medial Tmax of 30 to 45 proceedings is reported, possibly translating to a quicker onrush
    of action; however, the genuine clinical import has not
    been compulsive. http://lm360.us/

  9. As a class, although PDE5 inhibitors john reaching maximal observed plasma concentrations (Cmax) in as piffling
    as 30 minutes, the median value multiplication to level best compactness
    (Tmax) are 60 proceedings for sildenafil citrate and vardenafil and 2 hours for
    Cialis. For avanafil, a medial Tmax of 30 to 45 proceedings
    is reported, possibly translating to a quicker onrush of action; however, the genuine clinical import has not been compulsive. http://lm360.us/

  10. My coder is trying to persuade me to move to .net from PHP. I have always disliked the idea because of the expenses. But he’s tryiong none the less. I’ve been using Movable-type on a variety of websites for about a year and am nervous about switching to another platform. I have heard excellent things about blogengine.net. Is there a way I can transfer all my wordpress posts into it? Any kind of help would be really appreciated!|

Comments are closed.