অনুশীলনের জন্য প্রস্তুত দেশের সব ক্রিকেট স্টেডিয়াম

10
281

স্পোর্টস ডেস্ক : ক্রিকেটারদের বরণ করে নিতে দেশের সবগুলো স্টেডিয়াম এখন প্রস্তুত। ক্রিকেটাররাও ব্যক্তিগত অনুশীলনের জন্য মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছে। মুশফিকুর রহিমের মত কিছু সিনিয়র খেলোয়াড় বাংলাদেশ ক্রিকটে বোর্ডের (বিসিবি) কাছে ‘হোম অব ক্রিকেট’ খ্যাত মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামসহ অন্যান্য স্টেডিয়ামে অনুশীলনের অনুমতি চেয়েছিলেন।

দ্বিধা-দ্বন্দ্বে থাকা বিসিবি প্রথমে অবশ্য বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে একক অনুশীলনের অনুমতি দিয়েছে বোর্ড। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) গাইডলাইন অনুসরণ করছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি।

তবে সবার আগে বিসিবির প্রধান কাজ ছিল ভেন্যুগুলোকে জীবাণু মুক্ত করা। যেটি তারা ইতোমধ্যে শেষ করেছে। বিসিবির গ্রাউন্ড কমিটির ম্যানেজার সৈয়দ আবদুল বাতেন বলেছেন, ‘দেশের সব ক্রিকেট ভেন্যু এখন সম্পূর্ণভাবে জীবাণু মুক্ত এবং অনুশীলনের জন্য প্রস্তুত। মাঠকে জীবাণু মুক্ত করার বিষটি হচ্ছে একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। এমনকি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আগেও মাঠ নিয়মিতভাবে জীবাণুমুক্ত করা হতো। তবে পার্থক্য হচ্ছে এখন আমরা আরো বেশি সতর্কতার সঙ্গে মাঠকে জীবাণুমুক্ত করার কাজটি করছি।’

কক্সবাজার ছাড়া বাকি সবগুলো ভেন্যু ক্রিকেটারদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে বাতেন বলেন, ‘কক্সবাজার এখন লকডাউনে রয়েছে। তাই এই মুহূর্তে সেখানকার ভেন্যু ব্যবহার করা যাবে না। তবে আমরা সেখানেও নিয়মিত জীবাণুনাশক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি ২০ জুন লকডাউন তুলে নেয়ার পর থেকে সেখানে ক্রিকেটাররা অনুশীলন করতে পারবে।’

এদিকে আগামী ২৫ জুন থেকে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম খেলোয়াড়দের অনুশীলনের জন্য খুলে দেয়ার পরিকল্পনা করছে বিসিবি। তবে একই সময় শুধুমাত্র একজন ক্রিকেটার দুইজন ক্রিকেট স্টাফকে সঙ্গে নিয়ে অনুশীলন করতে পারবে। এজন্য একেক জন খেলোয়াড়ের জন্য সর্বমোট সময় বরাদ্ধ এক ঘণ্টা।

একক অনুশীলন পরিচালনা করার পর ধাপে ধাপে দলগত অনুশীলন শুরু করবে বিসিবি। প্রথম ধাপে একত্রে তিন জনের বেশি ক্রিকেটার একই ভেুন্যতে একত্রে অনুশীলন করতে পারবে না।

এদিকে ৩৭ জন খেলোয়াড় নিয়ে একটি পুল গঠন করেছে বোর্ড। তারাই কেবল মাত্র শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলনের সুযোগ পাবে।

কোভিড-১৯ এর মাহামারীর কারণে গত ১৬ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব ধরনের ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড। মাত্র এক রাউন্ড শেষেই বন্ধ হয়ে গেছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেটের পাকিস্তান সফর সুচি। সেই সঙ্গে অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্থগিত হয়ে গেছে আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফর সুচি। এমনকি জুন- জুলাইয়ের পুর্ব নির্ধারিত শ্রীলংকা সফল সুচিও হুমকিতে পড়েছে।

10 COMMENTS

Comments are closed.