আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ব্রাজিলে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় দেশ ব্রাজিল, যেখানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৫০ হাজারের মাইলফলক স্পর্শ করল।
ব্রাজিলে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ৮৫ হাজার ৩৮ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার ৬১৭ জন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
স্থানীয় সময় রোববার যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিনস ইউনিভার্সিটি করোনাভাইরাস রিসার্চ সেন্টারের প্রকাশিত তথ্য থেকে দেখা গেছে, ব্রাজিলে করোনাভাইরাসে মৃতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৫৯১ জনে। আর আক্রান্ত হয়েছেন ১০ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটিতে আক্রান্ত ও মৃতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হবে। কারণ দেশটিতে সীমিত আকারে করোনা টেস্ট করা হচ্ছে।
লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম দেশটিতে প্রায় প্রতিদিন এক হাজারের বেশি মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত হয়, কিন্তু সপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে সংখ্যাটি কিছুটা কমে যায়।
২৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাজিলে প্রথম নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল। তারপর ৪ মাসেরও কম সময়ের মধ্যে শুক্রবার আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ পার হয়।
করোনাভাইরাস সংকট মোকাবেলায় ব্যর্থতার জন্য ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছেন। তিনি শুরু থেকেই করোনাভাইরাসকে গুরুত্ব না দেয়ার পক্ষে অবস্থান নেন। এমনকি এত সংক্রমণের মধ্যেও দেশটিতে লকডাউন দেয়ার বিপক্ষে তার অবস্থান। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বন্দ্বে পরপর দুজন স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। এরপর থেকে দেশটি এখনও স্থায়ী স্বাস্থ্যমন্ত্রী পায়নি।
সার্বিক পরিস্থিতিতে করোনার হটস্পট এই দেশটির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনা সংক্রমণের পিক (সর্বোচ্চ পর্যায়) থেকে ব্রাজিল এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে আছে বলে সতর্কতা জানিয়েছেন তারা। অর্থাৎ, আগামীতে এখানে করোনা আরও ভয়াবহ তাণ্ডব চালাতে পারে।
ব্রাজিলে অধিক হারে করোনা সংক্রমণের জন্য দেশটির অস্থির রাজনীতিকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশে যখন করোনার সংক্রমণ তখনও বিভিন্ন সময় সমর্থকদের নিয়ে জমায়েত করেছেন বলসোনারো। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে বিরোধী পক্ষ। রোববারও বলসোনারোর বিরোধীরা রাজপথে নামেন। সার্বিক এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই ব্রাজিলে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল।
এদিকে রোববার পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯০ লাখ। এছাড়া এ পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৭০ হাজার মানুষের।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে রোববার পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ। এছাড়া করোনাভাইরাসে ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন ও যুক্তরাজ্যে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পরেই ব্রাজিলের অবস্থান।
করোনাভাইরাসকে বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।










Like!! Great article post.Really thank you! Really Cool.
What’s up to all, it’s truly a fastidious for me to visit this web page, it contains
precious Information.
whoah this blog is wonderful i love studying your articles.
Stay up the great work! You understand, a lot of persons are hunting around for
this info, you can aid them greatly. adreamoftrains best website hosting
Comments are closed.