নিজস্ব প্রতিবেদক : ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আলোচিত ‘পর্দা কেলেঙ্কারির’ ঘটনার মামলায় দুই আসামির জামিন স্থগিত করতে দুদকের করা আবেদনে ‘নো অর্ডার’ বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান।
বুধবার (২৪ জুন) এ আদেশ দেন আদালত। ফলে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন।
হাইকোর্ট গত ২১ জুন শর্তসাপেক্ষে দুইজনকে জামিন দেন। তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা নিম্ন আদালতে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিলের টাকা দাবি ও উত্তোলন করতে পারবেন না-এই শর্তে জামিন দেওয়া হয়। হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চ খোলার এক সপ্তাহ পর্যন্ত এই জামিন দেওয়া হয়। এই জামিন স্থগিত রাখতে আবেদন করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জামিন পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন-ফরিদপুর মেডিকেলে পর্দা সরবরাহকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স অনিক ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী আবদুল্লাহ আল মামুন ও জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুন্সী সাজ্জাদ হোসেন।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পর্দা ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে ‘এক পর্দার দাম ৩৭ লাখ’ শিরোনামে গতবছর সেপ্টেম্বরে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর পর্দা ও যন্ত্রপাতি কেনায় ১০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ এনে দুদক গতবছর ২৭ নভেম্বর মামলা করে। এ মামলায় গত ৪ ফেব্রুয়ারি ওই দুইজন নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পন করেন। সেই থেকে তারা কারাবন্দি।
মামলার অপর আসামিরা হলেন-মেসার্স আহমেদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মুন্সি ফররুখ আহমেদ, ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ (ফমেক) ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক (দন্ত বিভাগ) ডা. গণপতি বিশ্বাস শুভ, ফমেক হাসপাতালের সাবেক জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) ডা. মিনাক্ষী চাকমা ও ফমেক হাসপাতালের সাবেক প্যাথোলজিস্ট ডা. এএইচএম নুরুল ইসলাম।










Like!! Thank you for publishing this awesome article.
Comments are closed.