স্পোর্টস ডেস্ক : ১৯৯৭ সালের সাহারা কাপে ইনজামাম উল হকের দর্শককে মারতে যাওয়ার ঘটনা প্রায় সবার জানা। প্রচলিত রয়েছে, গ্যালারি থেকে সেই দর্শক ইনজামামকে ‘আলু’ বলে বিরক্ত করছিলেন। তাই রেগে গিয়ে মারতে উদ্ধত হন সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক। আলু ডাকার এ ঘটনা সত্য।
তবে এর বাইরে ছিল আরেকটি কারণ। প্রায় দুই যুগ পর সেটি জানিয়েছেন পাকিস্তানের তখনকার গতিতারকা ওয়াকার ইউনিস। নিজেকে আলু বলায় মারতে যেতেন না ইনজামাম। কিন্তু ভারতের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের স্ত্রীকে অশালীন মন্তব্য করায় অমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন ইনজি- এমনটাই জানালেন ওয়াকার।
সেই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাউন্ডারির কাছে ফিল্ডিং করার সময় হঠাৎ করেই দর্শকসারিতে প্রবেশ করেন ইনজামাম এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক দর্শকের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তাকে মাঠে ফিরিয়ে আনা হলে একটি ব্যাট নিয়ে ফের তেড়ে যান ইনজামাম এবং প্রায় মাথা ফাটিয়েই দিচ্ছিলেন সেই দর্শকের।
দ্য গ্রেটেস্ট রাইভালরি পডকাস্টে ইনজামামের এমনটা করার কারণ জানিয়ে ওয়াকার বলেছেন, ‘হ্যাঁ! সেখানে কেউ একজন ওকে (ইনজামাম) আলু বলছিল। তবে সেখানে আসলে যা হয়েছিল যে, দর্শকদের মধ্যে একজন আজহারউদ্দিনের স্ত্রীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছিল। আমার মনে হয় তারা অরুচিকর কোন মন্তব্য করেছিল। আর তখন ইনজি তার চেনা রূপে আবির্ভুত হয়।’
‘আমি যেমনটা বলছিলাম যে, মাঠের বাইরে আমাদের দুই দেশের খেলোয়াড়দের মধ্যকার বন্ধুত্বের কথা। এটা সত্যিই অসাধারণ ছিল। নিজেদের মধ্যে শ্রদ্ধার জায়গাটা খুব শক্ত ছিল। আমরা মাঠে একে অপরকে কোন ছাড় দিতাম না। কিন্তু বন্ধুত্বের প্রসঙ্গে খুবই ভালো সম্পর্ক ছিলো আমাদের।’
ইনজামামের সেই ঘটনা বর্ণনা করে ওয়াকার বলেন, ‘তখন যা হয়েছিল, কেউ একজন আজহারের স্ত্রীর সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করছিল। আমি পুরো ঘটনাটা ঠিক জানি না। তবে দেখলাম যে ইনজি কিছু একটা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে তখন অধিনায়ককে বললো, তাকে যেন ফাইন লেগ-থার্ড ম্যান অঞ্চলে দেয়া হয়। তারপর সেখানে গিয়ে দাঁড়াল এবং দ্বাদশ খেলোয়াড়কে বলল একটা ব্যাট এনে দিতে। পরে সেই ব্যাট নিয়ে সোজা গ্যালারিতে এবং বাকিটা সবাই দেখেছেন।’
মাঠের মধ্যে এমন আচরণ করায় দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় ইনজামামকে। এমনকি ঘটনা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। তখন আবার এগিয়ে আসেন আজহারউদ্দিন এবং সাক্ষ্য দেন ইনজামামের পক্ষে। এতেই প্রমাণিত হয় ভারত-পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের মধ্যকার সম্পর্কের মাধুর্য।
এ কথা জানিয়ে ওয়াকার বলেন, ‘এ ঘটনায় ইনজামামকে ভুগতে হয়েছিল। তাকে ক্ষমা চাইতে হয়েছিল, ঘটনা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। তখন আজহার এগিয়ে আসে। যেটা সত্যিই দারুণ এক দৃষ্টান্ত ছিল। আজহার সেই ভারতীয় দর্শকের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটি আদালতের বাইরেই মীমাংসা করে দেয়।’










I am not sure where you are getting your info, but great topic.
I needs to spend some time learning more or understanding more.
Thanks for wonderful info I was looking for this info for my mission.
I all the time used to read piece of writing in news papers
but now as I am a user of internet therefore from
now I am using net for posts, thanks to web.
Unquestionably imagine that which you said. Your favorite reason seemed to be at the internet the easiest thing to have in mind of.
I say to you, I definitely get annoyed while folks consider
concerns that they just don’t recognize about. You controlled to hit the nail upon the top and also outlined out the entire
thing with no need side effect , folks can take a signal.
Will likely be again to get more. Thank you
Like!! Great article post.Really thank you! Really Cool.
Hey there, You’ve done an excellent job. I will definitely digg it and personally recommend to my friends.
I’m sure they’ll be benefited from this website.
I’m gone to say to my little brother, that he should also pay a visit
this weblog on regular basis to obtain updated from most
up-to-date reports. adreamoftrains best website hosting
Comments are closed.