জেলা প্রতিনিধি, পাবনা : হত্যা মামলার বাদীপক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ায় তারা বাড়িঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে ফিরছেন। আর আসামি পক্ষ লুটপাটের আশংকায় তাদের গোখামারের ৪৫টি গরু সাঁথিয়া পৌরসভার মেয়রের হেফাজতে রেখে দিয়েছেন। তবে বাদী পক্ষ বলছেন আসামিরা তাদের গরু সরিয়ে ফেলে একটি সাজানো লুট মামলা দেয়ার পাঁয়তারা করছিলেন। তারা বিষয়টি মেয়রকে জানানোর পর মেয়র গরুগুলোকে নিজ হেফাজতে রেখে রাখাল দিয়ে পরিচর্যা করাচ্ছেন। পাবনার সাঁথিয়া পৌর এলাকার আমোশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
ওই গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে এনামুল নামে এক ব্যক্তি ১১ আগস্ট মারা যান। এনামুল আমোষ গ্রামের মৃত তফিজ শেখের ছেলে। ওই দিনই এনামুল হোসেনের বড় ভাই কামরুল ইসলাম বাদী হয়ে সাাঁথিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই হত্যাকাণ্ডের আসামিরা হুমকি দিচ্ছেন বলে নিহতের স্ত্রী শিমা খাতুন (৩২) জানিয়েছেন।
নিহত এনামুলের স্ত্রী শিমা (৩২) জানান, আসামি পক্ষের লোকজন তাকে ফোনে ও লোক মাধ্যমে তার পরিবারকে একাধিকবার হুমকি দিয়েছেন। তারা প্রয়োজনে সব রকম ক্ষতি করবে বলে তাদের শানিয়েছেন। তারা নিহতের স্ত্রী শিমার ভাই মোজামকে এমন কথাও বলেছেন যে, তাদের পক্ষের আহত একজনকে মেরে ফেলে হলেও পাল্টা হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
এদিকে নিহত এনামুলের ছেলে ও পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্র হুমায়ুন কবির বলেন, পুলিশ আমাদের খোঁজ খবর নিলেও এ পর্যন্ত নামীয় আসামিদের আটক করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, হত্যা মামলার আসামিরা তাদের মালামাল অন্যত্র সরিয়ে দিয়ে লুট মামলা দেয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে তারা জানতে পেরেছিলাম। বাদীপক্ষের এমন ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পেরে আমরা এ বিষয়টা সাঁথিয়া পৌরসভার মেয়র মিরাজুল ইসলামকে কে জানাই। আসামিরা নিজেদের মালামাল অন্যত্র সরিয়ে ফেলার সময় মেয়র মিরাজুল ইসলাম প্রাং তা নিজের হেফাজতে নেন।
এদিকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাবলু হোসেনের মেয়ে সুলতানা খাতুন বলেন, হত্যার ঘটনায় ১১ আগস্ট সাঁথিয়া থানায় মামলা হলে (যার নং ১৩) তাদের বাড়ির লোকজন বাড়ি- ঘর ফেলে পালিয়ে যান। কিন্তু বাড়িতে পালন করা গরু ও আসবাবপত্র নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন তারা। লুটপাটের আশংকা করে তারা রাখালের মাধ্যমে নিজেদের গরু সাঁথিয়া পৌরসভা মেয়রের জিম্মায় দেন। তিনি জানান, গত শনিবার মেয়রের বাড়িতে গিয়ে আমাদের সবার গরুগুলো দেখেও এসেছি।
মেয়র মিরাজুল ইসলাম তাদের ১৫টি বাছুররসহ ৪৫টি গরু নিজ বাড়িতে নিয়ে লোক রেখে তা দেখাশোনা করছেন।
মঙ্গলবার(১৮ আগষ্ট) দুপুরে ঘটনাস্থল আমোশ গ্রামে গিয়ে দেখা যায় বাদী ও আসামি পক্ষ বাড়িতে তালা লাগিয়ে পালিয়েছে। তাদের আত্মীয়- স্বজনরা এসে বাড়ি পাহারা দিচ্ছে।
সাঁথিয়া পৌর মেয়র মিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক জানান, আসামিদের আত্মীয়- স্বজনরা লুটপাটের ভয়ে তাদের রেখে যাওয়া গরু আমার জিম্মায় দেন। এলাকার পরিবেশ শান্ত হলে স্ব-স্ব ব্যক্তিকে তাদের গরু বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)আসাদুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। আসামীদের আটকের জোর চেষ্টা চলছে। এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, সাঁথিয়া পৌরসভার আমোশ গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে গত ১ আগস্ট (ঈদের দিন) রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয় ৭ জন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত রোগী এনামুলকে রাজশাহী হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১১ আগস্ট এনামুল মারা যান। ওই দিনই তার ভাই কামরুল ইসলাম বাদী হয়ে সাাঁথিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।










Like!! Great article post.Really thank you! Really Cool.
This looks like a phobia.
I like the valuable information you provide in your articles.
I will bookmark your weblog and check again here regularly.
I’m quite certain I will learn many new stuff right here!
Good luck for the next!
User id : ch4ch499 99cash situs game Judi slot online terpercaya di Sluruh Indonsiaa
Howdy! I just want to offer you a huge thumbs up for the excellent info you’ve got here on this post.
I am coming back to your site for more soon.
Awesome issues here. I am very happy to see your post.
Thank you so much and I am taking a look ahead to contact
you. Will you kindly drop me a e-mail?
Like!! Really appreciate you sharing this blog post.Really thank you! Keep writing.
A big thank you for your article.
A big thank you for your article.
Good one! Interesting article over here. It’s pretty worth enough for me.
Very good article! We are linking to this particularly great content on our site. Keep up the great writing.
I like the features of this watch..
Hi there to every one, for the reason that I am truly eager of reading this weblog’s post tobe updated regularly. It includes fastidious material.
Thanks for the auspicious writeup. It actually was once a entertainment account it.Glance advanced to more brought agreeable from you! By the way, how can we communicate?
How can I reach you? I am interested in more information. I love sucking dick btw hmu
Comments are closed.