ইসরায়েলি গোলার জবাবে বৃষ্টির মতো বেলুনবোমা হামলা ফিলিস্তিনের

564
3890

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের নির্যাতিত রাষ্ট্র ফিলিস্তিনি জনগণের চালানো বেলুনবোমা হামলা অব্যাহত থাকায় গাজা উপত্যকায় হামাসের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্র ইসরায়েল। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ফিলিস্তিনের সূত্র জানায়, গাজার খান ইউনিসের পূর্বদিকে ফিল্ড কন্ট্রোল পয়েন্টের কাছে একটি এবং মধ্য গাজা উপত্যকার দেইর আল-বালাহের কাছে অপর একটি গোলা নিক্ষেপ করে ইসরায়েল। ইসরায়েলে যার প্রেক্ষিতে ইহুদি বাহিনীর দিকে বেলুনবোমা দিয়ে বৃষ্টির মতো হামলা চালায় নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিরাও।

অপরদিকে ইসরায়েলি সূত্র বলছে, গাজা থেকে দক্ষিণ ইসরায়েলে বিস্ফোরক ও গোলাভর্তি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। আগুনবোমা-হিলিয়ামের সঙ্গে বেলুনগুলোতে লাগানো ছিল অশোধিত ডিভাইস, স্ফীত কনডম বা প্লাস্টিকের ব্যাগ। দক্ষিণ ইসরায়েলের ৪০০টিরও বেশি জায়গায় এসব আঘাত হানে। প্রাথমিকভাবে এই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গত ৬ আগস্ট থেকে প্রায় প্রতিদিনই গাজায় হামলা চালিয়ে আসছে এবং ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে ২০০৭ সাল থেকে বিধ্বংসী অবোরোধের মাত্রা দিনের পর দিন বাড়িয়েছে।

নতুন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে গাজার একমাত্র বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে ইসরায়েল। বিশ্বব্যাংকের মতে, গাজা উপত্যকায় মোট জনসংখ্যা ২০ লাখ, যার অর্ধেকেরও বেশি দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করে।

এ দিকে হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়া বলেন, ইসরায়েলি অবরোধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারা এই আন্দোলন থেকে পিছু হটবে না। রবিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে তার কার্যালয় থেকে জারি করা বিবৃতিতে হানিয়া বলেন, আমাদের এবং আমাদের জনগণের সিদ্ধান্ত হলো এই অন্যায় অবরোধের অবসান ঘটিয়ে এগিয়ে যাওয়া।

বিভিন্ন দল উপত্যকায় অবরোধের অবসানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এর আগেও তারা যোগাযোগ স্থাপন ও মধ্যস্থতার বিষয়ে আলোচনা চালিয়েছে। গাজা উপত্যকার বর্তমান পরিস্থিতির ওপর তারা ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে।

একটি মিশরীয় প্রতিনিধিদল অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির জন্য উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যেন দুই দেশের সীমান্তে শান্তির বিনিময়ে ইসরায়েল গাজার ১৩ বছরের অবরোধ সহজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।

তেল আবিবে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে চলতি সপ্তাহে গাজায় নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আল-ইমাদি এই উপত্যকায় সাহায্যের জন্য তিন কোটি মার্কিন ডলার প্রদান করেন।

কাতার প্রতিনিধিদলের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা আল-ইমাদিকে বলেছিলেন- তারা গাজার বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি সরবরাহে নিষেধাজ্ঞার অবসান ঘটাতে ইচ্ছুক, যদি হামাসের পক্ষ থেকে বেলুনবোমা নিক্ষেপ বন্ধ হয়।

এর আগের চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েল বলেছিল, প্রায় ২০ লাখ মানুষের এই অঞ্চলে ৫০ শতাংশের বেশি বেকারত্ব দূরীকরণে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কিন্তু এখনো সেগুলো বাস্তবায়ন হয়নি।

564 COMMENTS

  1. I not to mention my pals were reading through the excellent strategies found on the blog and all of the sudden I got a horrible suspicion I had not expressed respect to the website owner for those strategies. The young boys are already so warmed to study all of them and now have really been tapping into those things. Thank you for truly being so kind and also for making a decision on some important things millions of individuals are really desirous to know about. My sincere apologies for not expressing appreciation to you earlier.

Comments are closed.