অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টেই এবার ধর্ষণের অভিযোগ

52
108

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক নারী। এ ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি সংসদে কাজের পরিবেশ কতটা নিরাপদ তা-ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন মরিসন।

তিনি বলেছিলেন, এ ধরনের ঘটনা একেবারেই কাম্য নয়। আমি ক্ষমা চাইছি। পার্লামেন্টে কর্মরত সকল নারীর জন্য কাজের পরিবেশ নিরাপদ করে তুলতে বদ্ধপরিকর আমি।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিন্ডা রেনল্ডসের দফতরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ওই নারী। অভিযুক্ত মরিসনের লিবারেল পার্টিরই সদস্য বলে জানান তিনি। তবে তার নাম প্রকাশ করেননি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ওই নারী জানান, ২০১৯-এর এপ্রিল মাসেই তিনি থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু পেশার ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে ভেবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা থেকে পিছিয়ে আসেন।

ওই নারী ধর্ষণের কথা জানিয়েছিলেন, তবে অভিযোগ দায়ের করেননি বলে মেনেও নিয়েছে ক্যানবেরা পুলিশ। ওই নারী পার্লামেন্টের একটি দফতরে কর্মরত ছিলেন।

তিনি জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কথা বলে তাকে রেনল্ডসের দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই ধর্ষণ করা হয় তাকে। রেনল্ডসের দফতরে কর্মরত এক পদস্থ কর্মীকে বিষয়টি তিনি জানিয়েছিলেন বলে দাবি অভিযোগকারিণীর।

গত বছর বিষয়টি তার কানেও পৌঁছায় বলে জানিয়েছেন রেনল্ডস। তবে অভিযোগ দায়ের না করার জন্য অভিযোগকারিণীর ওপর কোনো রকম চাপ সৃষ্টি করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ দিকে লিবারেল পার্টির ভেতরে নারীদের সঙ্গে প্রায়ই অশালীন আচরণ করা হয় বলে সম্প্রতি একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। তাতে নাম উঠে এসেছে দেশের অভিবাসনমন্ত্রী অ্যালান টাজেরও। এই নতুন অভিযোগ ঘিরে তাই রীতিমতো চাপের মুখে মরিসন।

52 COMMENTS

Comments are closed.