কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্ভার সমস্যার কারণে আন্তঃব্যাংক চেক লেনদেন চালু হলেও বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) সেবা বন্ধ রয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোর গ্রাহক ইলেকট্রনিক উপায়ে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হতে অন্য ব্যাংকের গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন করতে পারছেন না। তবে আজকের মধ্যেই এ সমস্যার সমাধান হবে- এমন আশা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।
সোমবার (১৯ এপ্রিল) এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আন্তঃব্যাংক চেক লেনদেনও চালু হয়েছে। ব্যাংকগুলোর মধ্যে চেক ক্লিয়ারিং, আরটিজিএস সেবা চালু হলেও বিইএফটিএন করতে সমস্যা হচ্ছে। তবে এ সমস্যার সমাধানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ কাজ করছে, আশা করা যায় আজকের মধ্যেই সেটিও সচল হবে।
গত ১৩ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দুটি ডেটা সেন্টারের মধ্যে সংযোগকারী ফাইবার অপটিক্যাল কেবল বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সার্ভার ডাউন হয়ে যায়। আর্থিক খাতে লেনদেনের অন্যতম বড় দুটি মাধ্যমে আইটি বিপর্যয়ের কারণে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। তবে রোববার থেকে আন্তঃব্যাংক চেক লেনদেনও চালু হলেও বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) সেবা বন্ধ সমস্যা থেকে যায়।
এ দুটি মাধ্যমে দৈনিক গড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়ে থাকে। আর শুধু বিইএফটিএনের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়। সোমবার দিনের শুরু থেকে এ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা।
‘মাইক্রোসফট ও ভিএমওয়্যার’ প্রযুক্তি টিম সমস্যা সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করছে, এটাও সমাধান আসবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।
বিইএফটিএন’র মাধ্যমে গ্রাহকের নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হতে অন্য ব্যাংকের গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো যায়। এ সেবার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাসিক বেতন-ভাতা পরিশোধ, গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ডিভিডেন্ট, ইন্টারেস্ট প্রভৃতি জমা করা এবং গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব হতে ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস বিল) ঋণের কিস্তি, বীমা প্রিমিয়াম ইত্যাদি আদায় করা যায়। এতে গ্রাহকের বাড়তি খরচ লাগে না।










Hey very nice blog!
I’ve read some just right stuff here. Definitely value bookmarking for revisiting.
I surprise how a lot effort you put to make this kind of magnificent informative site.
My site: logobran.com
Comments are closed.