জনপ্রতিনিধি নয় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকের প্রচেষ্টায় কুষ্টিয়ার কুশলীবাসা কবরস্থানের আলো আজ দৃর্শ্যমান

58
422

সামাজিক কাজ করতে জনপ্রতিনিধি হওয়া লাগে না, সেচ্ছাসেবী হয়েও করা যায়। প্রয়োজন হয় সৎ সাহস আর প্রচেষ্টা। যারা স্বেচ্ছাসেবীদের এই সব কাজকে নিয়ে প্রথমে ব্যাঙ্গ, উপহাস,রহস্যচ্ছলে, উড়িয়ে দিয়েছেন আর বলেছেন তাদের দ্বারা কিছুই হবে না বা জনপ্রতিনিধিদের সাহায্য সহযোগীতা ছাড়া কিছুই করতে পারবো না। দিন শেষে তাদের দিখিয়ে দিলেন জনপ্রতিনিধিদের সাহায্য সহযোগীতা ছাড়াও কিছু ভালো কাজ করা যায়। আজ কুষ্টিয়ার কুশলীবাসা কবরস্থানের আলো দৃর্শ্যমান করে ভালো কাজের দৃষ্টান্ত হয়ে দেখালেন স্থানীয় এক যুবক স্বেচ্ছাসেবক সাব্বির রহমান।

চলুন শোনা যাক এই স্বেচ্ছাসেবক সাব্বির রহমানের কথা, যারা বলেছিল জনপ্রতিনিধি না হয়ে ভালো কিছু করা যায় না, আমার দ্বারা কন ভাল কাজ করা সম্ভব নয়, তারা আজ দেখুন কোন ব্যাক্তির দ্বারা কোনকিছু বেধে থাকেনা, সময় তার নিজগতিতেই চলে। তাদের অন্তরের অন্তস্তল থেকে সালাম। আসলে আল্লাহর রহমত ছাড়া কোন কিছুই হয় না। যেদিন প্রথমে বাশের খুটি দিয়েছিলাম সেদিন অনেকেই হাসাহাসি করেছিল আর বলেছিল পাগোলের কাজ দেখো, আমিও অন্তরের কুঠারে গিট দিয়েছিলাম প্রয়োজনে কনক্রিটের ঢালাই দিয়েও ল্যাম্প পোষ্ট করবো। অবশেষে আজ কবরস্থানের আলো দৃর্শ্যমান।

এ ভালো কাজ টি করে সাব্বির ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তার গ্রামের প্রাণপ্রিয় বড় ভাইদের প্রতি। যাদের সঠিক বুদ্ধি,পরামর্শ,ক্ষুদ্রক্ষুদ্র সহযোগীতায় আজকের এই মহৎ কাজ তিনি সম্পন্ন করেছেন।
সাব্বির জানান,আমার কুশলীবাসা খন্দকারপাড়ায় হটাৎ করেই পরপর কয়েকমাসে ৫ থেকে ৬ জন মারা যায়, যাদের প্রত্যেকের প্রায় সন্ধ্যায় বা রাতে দাফনকাজ হয়। বিষয়টা আমার প্রচন্ড খারাপ লাগে তখনি মনে মনে ভাবি কিভাবে এখানে আলোর ব্যাবস্থা করা যায়। একটি প্রথমে বাশের খুটির দ্বারা আলোর ব্যাবস্থা করি। তারপর বর্ষার এই সময় লক্ষ্যে করি উক্ত খুটির নিচের অংশ উইপোকাতে খেয়ে যাচ্ছে। মাহবুব রহমান ভাইয়ের সাথে আলোচনা করি সবকিছু ভাই আমাকে সব দিক থেকে সুন্দর মতামত ব্যাক্ত করে। এর মধ্যে Mridul Islam (মেঘ) ভাই আমার এই কাজ সহ বিভিন্ন বিষয়ে অনেক প্রসংশা করে এবং তখনি বলে সামাজিক কাজ যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ন্য তার সাথে আলোচনা ও সহযোগীতা নিতে। ভাই তার সার্ধ্যমত গ্রামের অনেক সিনিয়ার বড় ভাইদের সাথে আলোচনা করে, আমার কাজের পূর্নতা দিয়ে আশ্বস্ত দেয়।

পরবর্তীতে আজ তো সবই প্রায় আপনাদের জানা। আমি হইত মরে যাবো, তবে খুবদ্রুতই এই কবরস্থানে প্রতিদিন যাতে রাতে বিদ্যুৎ এর আলো জ্বলে তার কাজটাও সম্পন্ন হবে। তবে এখন যে আলো আছে সেটা শুধুমাত্র দাফনকাজ সম্পন্নর জন্যই।

শুধু জনপ্রতিনিধিই নয় স্বেচ্ছায় নিজ উদ্যোগেও কিছু ভালো কাজ করা যায় স্থানীয় যুবক সাব্বিররা তার দৃষ্টান্ত।

58 COMMENTS

  1. Hey! I realize this is kind of off-topic however I had to ask.
    Does running a well-established blog like yours require a massive amount work?
    I am completely new to blogging but I do write in my diary on a
    daily basis. I’d like to start a blog so I will be able to share my experience and feelings online.
    Please let me know if you have any kind of suggestions or
    tips for brand new aspiring blog owners. Thankyou!

  2. Today, I went to the beach front with my kids. I found a sea shell and
    gave it to my 4 year old daughter and said “You can hear the ocean if you put this to your ear.” She put
    the shell to her ear and screamed. There was a hermit crab inside and it pinched her ear.
    She never wants to go back! LoL I know this is completely
    off topic but I had to tell someone!

Comments are closed.