এ জেলায় চার শতাধিক ম্যানুয়াল রাইচ মিল রয়েছে। ম্যানুয়াল রাইচ মিলের ছাই সার্বজনীন ক্ষতি করে না।
অটো রাইচ মিলাররা তাদের মিলের ব্লোয়ার মেশিনে ছাই নিচে নামানোর বদলে ছাই বাতাসে উড়িয়ে দেয়, এতে ছাই অপসারণে খরচ বাচে। পরিবেশ দপ্তরের ছাড়পত্র ঝুলিয়ে রাখে।অভিযোগের কোন প্রতিকার নেই।
অচিরেই বন্ধ হয়ে যাবে ম্যানুয়াল চাতাল মিল।
অটো রাইচ মিলের পরিবেশ দূষণ সৃষ্টিকারীর মায়াকান্না আমরা মাণ অক্ষুন্ন রাখিব,,,চলছে অবিরাম।
দূষণ মুক্ত করতে একটি প্রতিষ্ঠান ও নেই কেহ ওয়াটার টিটমেন্ট প্লান্ট বসিয়ে পানি শোধন করে না। দূষিত পানি জমির উর্বরতা নষ্ট করছে ।আগে এক বিঘা জমিতে বিশ বাইশ মন ধান উৎপন্ন হত এখন হয় মাত্র দশ বার মন।
এ অঞ্চলে প্রায় তের টি অটো মিলের নামে পরিবেশ দূষণ সৃষ্টিকারী হিসাবে প্রাথমিক ভাবে অভিযুক্ত তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো সম্ভব নয় কারণ এখন করোনা অন্য সময় অন্য পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে,দৃষ্টি, এ ভাবে চলবে বছরের পর বছর।










Highly energetic blog, I loved that a lot. Will there be a part 2?
Comments are closed.