ছবির ডানপাশে ছোট যে ইপিল ইপিল গাছের বাগান দেখা যাচ্ছে এখানে এক সময় ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষি শতবর্ষী একটি রেলওয়ে ষ্টেশন ছিল। এটি ৩০ বছরের বেশি সময় আগে বন্ধ হয়ে এখন সেটি কেবলি স্মৃতি।
ষ্টেশনটির নাম ছিল ‘গোল বাথান’ রেলওয়ে ষ্টেশন।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের অন্তর্গত ওই ষ্টেশনটি কবে বন্ধ হয়েছে তা জানতে শরনাপন্ন হয়েছিলাম অত্র এলাকার বয়সে প্রবীণদের কাছে। তাঁরা ষ্টেশনটি বন্ধের তারিখ, সাল নিশ্চিত করে বলতে না পারলেও রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের শাষনামলে শতবর্ষী ‘গোল বাথান’ষ্টেশনটি বন্ধ হয় বলে জানান।
গোলবাথান ষ্টেশনটির বন্ধের আগ পর্যন্ত এখানে শাহমগদুম,শিলিগুড়ি ও রাইটা লোকাল নামের ৩টি ট্রেনের ষ্টপেজ ছিল।
সর্বশেষ ষ্টেশনটি বন্ধের আগ পর্যন্ত এখানে মিরপুর উপজেলারই আজমতপুর গ্রামের ইশা পর্ডার ও খাড়াল্লা গ্রামের হানিফ মণ্ডল ‘গোল বাথান’ ষ্টেশনটির পোর্টার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। জনৈক বুকিং ক্লার্ক ষ্টেশন মাষ্টারের দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা যায়।
‘গোল বাথান’ ষ্টেশনকে কেন্দ্র করে ষ্টেশন লাগোয়া বৃহঃস্পতি ও রবিবার সাপ্তাহিক হাট বসতো।
গোল বাথান ষ্টেশনটি চালু থাকাবস্থার শেষদিকে গভীর রাতে খুলনা-দিনাজপুর গামী আন্তঃনগর ট্রেন সীমান্ত এক্সপ্রেসে প্রথমে আগুন পরে লাইনচ্যুত হয়ে ষ্টেশনটির হাফ কিঃ মিঃ অদুরে দক্ষিন-পশ্চিমের খালে পড়ে অসংখ্য ট্রেনযাত্রীর নিহত ও আহতের ঘটনা ঘটেছিল।










Aw, this was a very good post. Taking the time and actual effort to
produce a superb article… but what can I say… I
hesitate a lot and don’t manage to get anything done.
Comments are closed.