হিরো আলমের আসনে লড়ছেন যারা
নিজস্ব প্রতিবেদক : একাদশ জাতীয় সংসদ র্নিবাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন কেনার পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া এবং সংবাদ মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু হয়ে ওঠেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। তিনি বগুড়া-৪ আসনে লাঙলের প্রার্থী হয়েছেন।
আসনটি কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলা নিয়ে গঠিত। উক্ত আসনটিতে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লক্ষ ১১ হাজার ৯৪১ জন। আসনটিতে মনোনয়ন উত্তোলন করেছেন বিভিন্ন প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতারা।
১৯৯১ সালে আসনটিতে বিএনপির সংসদ সদস্য র্নিবাচিত হন দলের প্রবীন যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক মোল্লা। তার মৃত্যুর পর ১৯৯৪ সালের উপনির্বাচনে তার পুত্র জিয়াউল হক মোল্লা দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত হন। তিনি টানা ৩ দফা সংসদ সদস্য হন।
২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর সংস্কারপন্থি নেতাদের যুক্ত থাকায় জিয়াউল হক মোল্লা দলীয়ভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তাকে বাদ দিয়ে মনোনয়ন দেওয়া হয় মোস্তফা আলী মুকুলকে, তিনি মহাজোট মনোনীত জাসদের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেনকে হারিয়ে সংসদ সদস্য হন।
২০১৪ সালের নির্বাচন বয়কট করে বিএনপি। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমঝোতার মাধ্যমে জাপার প্রার্থী নুরুল আমিনকে জয়ী হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে। কিন্ত মহাজোটের অন্যতম শরীক জাসদ নেতা একেএম রেজাউল করিম তানসেন মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায়, জাপার প্রার্থীকে হারিয়ে তিনি সংসদ সদস্য হন।
জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু গত ২৮শে অক্টোবর নির্বাচনী জনসভায় একেএম রেজাউল করিম তানসেনকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেন। বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মমতাজ উদ্দীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অধ্যাপক আহসানুল হক দলীয় মনোনয়ন উত্তোলন করেন।এ দিকে বিএনপির বৃহৎ শরীক দল জামায়াতের প্রার্থী টানা ৩ বারের নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা তায়েব আলীকে আসন ছেড়ে দেওয়ার কথা থাকলেও বিএনপির বগুড়া জেলা সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেন।
আরেক দিকে সংসদ নির্বাচনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিএনপির মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন তরুণ রাজনীতিবিদ, জিয়া পরিবারের আস্থাভাজন, দুঃসময়ের কাণ্ডারী, কেন্দ্রীয় জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের সহসভাপতি আলহাজ মোশারফ হোসেন। আর উক্ত আসনেই জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়ে লড়বেন হিরো আলম।








