নিজস্ব প্রতিবেদক : কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে ভোটের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। প্রার্থীরা তাদের প্রতিক নিয়ে হাজির হচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। তবে এবারে জোট, মহাজোট না উন্নয়নের স্বার্থেই ভোট দেবেন সাধারন ভোটাররা। মিরপুর ও ভেড়ামারা উপজেলা নিয়ে কুষ্টিয়া-২ আসন। তবে ভেড়ামারা উপজেলার চেয়ে প্রায় দ্বিগুন ভোটার রয়েছে মিরপুর উপজেলায়। কিন্তু এই আসনে এমপি নির্বাচনে জোট-মহাজোট মিলিয়ে বেশিরভাগ সময় সংসদ সদস্য হয় ভেড়ামারা থেকে। এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে সিংহভাগই হয় ভেড়ামারায়। উন্নয়নের ধারায় পিছিয়ে পড়ে মিরপুর উপজেলা এমনটাই দাবী ভোটারদের। স্থায়ী অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, শিল্প অঞ্চল, সড়ক ও রেলপথ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, সরকারী চাকুরীর সুবিধা, ব্যসসায়-বানিজ্যে প্রসার ভেড়ামারায় হলেও মিরপুরে তেমন একটা হয় না। এমনকি মিরপুর উপজেলা সংলগ্ন রেল ষ্টেশনটি বন্ধ প্রায়। এরই প্রেক্ষিতে মিরপুরের উন্নয়নের একমাত্র এমপি পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা ও প্রবীন রাজনীতিবীদ মারফত আলী মাস্টারকে হারিকেন প্রতিকে ভোট দিতে চাই। মিরপুর উপজেলার কয়েকজন নতুন যুবক ভোটাররা জানায়, আমরা আমাদের প্রথম ভোটটি মিরপুরের প্রার্থীকেই দিতে চাই। আমরা নতুনরা চাই উন্নয়ন। আর মিরপুরে প্রায় নেতৃত্বশুণ্য করে দিয়েছে ভেড়ামারার নেতারা। তাই আমরা চাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মারফত আলীকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাবো মিরপুরের উন্নয়নের জন্য। হারিকেন মার্কা প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মারফত আলী মাস্টার জানান, আমরা শেখ মুজিবের আহবানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। পশ্চিম পাকিস্থান যেমন পূর্বপাকিস্থানকে তথা বাংলাদেশকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করেছিলো। ঠিক তেমনই ভেড়ামারার নেতারা আমাদের মিরপুর বাসীকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করেছে। এজন্য আমি মিরপুরবাসীর উন্নয়নের স্বার্থে নির্বাচনে অংশগ্রহন করছি। আমি চাই মিরপুর বাসী আমাকে তাদের কথা বলার সুযোগ দিক এবং উন্নয়ন বঞ্চিত থেকে উন্নয়ন করার সুযোগ দিক। উল্লেখ্যঃ অর্থ বা ক্ষমতার কারনে নয়, সামাজিক পরিবর্তন এবং সাধারন মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মারফত আলী মাষ্টার। বীর মুক্তিযোদ্ধা মারফত আলী মাস্টার কুষ্টিয়ার মিরপুরের সাধারন মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে লড়ে যাচ্ছেন।









