বসুন্ধরা সিটিতে র্যাবের অভিযান (ছবি : এ কে আজাদ)
নিজস্ব প্রতিবেদক : বসুন্ধরা সিটির লেভেল-৮ এর ডি- ব্লকে ফাস্টফুডের দোকান গুলোতে র্যাবের অভিযান চলছে। অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন, র্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম, বিএসটিআইয়ের ফিল্ড অফিসার মো. খাইরুল ইসলাম, ডিএনসিসির নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আবদুস সালাম মৃধা ও আবদুল খালেক মজুমদার।
সোমবার (২৮ জানুয়ারি) বিকাল ৫ টায় এই অভিযান শুরু হয়।

সিদ্ধ ডিমে তেলাপোকা
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৭ টি দোকানকে বিষাক্ত কাপড়ের রঙ, নোংরা পরিবেশ, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার রাখার অভিযোগে ২৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে মিড নাইট সান-৫ লাখ, ঢাকাইয়া-৩ লাখ, মোঘল দরবার- ৩ লাখ, ইন্ডিয়ানা মাসালা- ৩ লাখ, দিল্লি স্পাইসি ৩ লাখ, ইন্ডিয়ান দরবার-৩ লাখ, স্পাইসি দোজা- ৩ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

অভিযানের অপেক্ষা
অভিযান চলাকালে র্যাবের ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, এখান খাবারের সঙ্গে যে রঙ মেশানো হচ্ছে তা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর। এসব রং ক্যানসার, লিভার সিরোসিস,কিডনি ড্যামেজসহ নানা রোগের কারণ হতে পারে।
এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন, অভিযান শেষ কথা নয়, আমাদের নিজেদেরকে সচেতন হতে হবে। মানবিক বোধ থেকে দোকান মালিকরা খাবারে রঙ মেশানো থেকে বিরত থাকবেন।

চলছে অভিযান
অভিযানে যোগ দেয়া বিএসটিআই এর ফিল্ড অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছি। তবে সবার সহযোগিতা ও সচেতনতা দরকার। এছাড়া বিএসটিআই এর নকল সিল ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব অভিযোগ সঠিক নয়।

ময়দায় পোকা

তেঁতুলের টকে চর্বিযুক্ত তেল
এছাড়া ডিএনসিসির নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আবদুল খালেক মজুমদার বলেন, আমরা এখানকার ব্যবসায়ীদের নিয়ে মাঝে মাঝে সচেতনতামূলক কর্মশালা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করি। খাবারে কোন কোন রঙ বা কেমিক্যাল মেশানো যাবে না তা তাদের জানানো হয়। এরপরও তারা খাবারে বিষাক্ত রঙ মিশিয়ে থাকে।
এসব বিষয়ে দোকান মালিক বেলাল আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিষাক্ত রঙ
এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত অভিযান চলছিল।









