অনুসন্ধান নিউজ ডেস্ক : ট্রেনের টিকিট কাটতে ভয়াবহ দূর্ভোগ পোহাচ্ছে যাত্রীরা। প্রচণ্ড ভিড় উপেক্ষা করে লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও টিকেট পাচ্ছে না যাত্রীরা। তাদের অভিযোগ যে পরিমাণ টিকেট ছাড়ার কথা সে পরিমাণ টিকেট ছাড়া হচ্ছে না। টিকিট নিয়ে কোথাও না কোথাও লুকোচুরি হচ্ছে। নির্ধারিত লোকদের জন্য টিকিট ব্লক করে রাখার অভিযোগও রয়েছে।
এ দিকে অভিযোগের বিষয়ে রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলছে ভিন্ন কথা, তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন, কাউন্টারে সীমিত টিকিটের বিপরীতে ৪-৫ গুণ যাত্রী। অ্যাপসে প্রতিদিন ১১ হাজার ১৪৫টি টিকিটের বিপরীতে পৌনে ৩ লাখ লোক ঢোকার চেষ্টা করছে। তাই সর্বত্রই একটা জট তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ মে) ২ জুনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি বলে জানিয়ে রেলওয়ে বাণিজ্যিক বিভাগ বলছে, ঈদ উপলক্ষে দিনে প্রায় ২৭ হাজার টিকিট বিক্রি হচ্ছে।
আর টিকিট ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত- সিএনএস বলছে, দিনে ৩১ হাজার ৩৮০টি টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে অ্যাপসে ১১ হাজার ১৪৫টি এবং বাকি ২০ হাজার ২৩৪টি কাউন্টার থেকে বিক্রি হচ্ছে।
এ দিকে কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার বলছেন, দিনে ২৫ হাজার ৫৭১টি টিকিট বিক্রির জন্য বরাদ্দ আছে। যার ৫০ শতাংশ (১২ হাজার ৭৪৮) রাজধানীর ৫টি স্টেশনের ৩৬টি কাউন্টার থেকে বিক্রয়ের কথা।
টিকিটের সংখ্যা নিয়ে দায়িত্বশীলদের এমন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যে ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম দিয়েছে টিকিট প্রত্যাশীদের মধ্যে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, স্টেশনে গিয়ে কেউ টিকিট কাটতে পারেননি, এমন অভিযোগটি সঠিক নয়। কেউ না কেউ তো টিকিট কেটে নিচ্ছেন। যারা টিকিট কাটতে পারছেন না, সেই ব্যর্থতা তো রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নেবে না।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিবছরই অতিরিক্ত যাত্রী বহনে ঈদ স্পেশাল ট্রেন ও অতিরিক্ত যাত্রীবাহী কোচ রেলওয়ের বহরে যোগ করি। টিকিট কাটতে না পারার যে অভিযোগ তা সত্য নয়। বিশেষ করে কাউন্টার থেকে যারা টিকিট কাটতে পারছেন না, সেটা রেল কর্তৃপক্ষের কোনো ব্যর্থতা নয়।









