25 C
Dhaka, BD
Home Blog

প্রেস ক্লাবে আজ মুখোমুখি হচ্ছে গণফোরামের দুই অংশ

0

অনুসন্ধান নিউজ ডেস্ক : ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরামের ভাগ্য নির্ধারণ আজই ঘটে যেতে পারে। কারণ বিবাদমান দুই অংশ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আজই মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।

বিকেল ৩টায় ক্লাবের জহুর হোসেন হলে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে দলের একটি অংশ; যেখানে ড. কামাল হোসেন ও মোকাব্বির খান সমর্থিত অংশ উপস্থিত থাকছে বলে গতকাল এক সংবাদে জানানো হয়েছে। মোকাব্বির খানের সমর্থক বলে পরিচিত ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আ ও ম শফিকউল্লাহ। মোকাব্বির খান ভবিষ্যতে দলের সভাপতি হতে চাইছেন বলে গণফোরামে আলোচনা আছে।

অন্যদিকে একই সময় বিকেল ৩টায় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি নিয়ে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু সমর্থিত অংশের। মন্টু ছাড়াও অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ও অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরীসহ অনেকের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে ওই কর্মসূচিতে। কারা হেফাজতে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যু ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে ‘যুব গণফোরাম ও ঐক্যবদ্ধ ছাত্রসমাজে’র উদ্যোগে এই কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বস্তুত ড. কামাল হোসেনের পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে এই কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে বলে অন্য অংশ মনে করছে।

জানতে চাইলে মোকাব্বির খান গতকাল বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন সংবাদ সম্মেলন করার ঘোষণা দেওয়ার পর তাঁরা মানববন্ধন কর্মসূচি দিলেন। এটি পায়ে পারা দিয়ে ঝগড়ার শামিল।’ তিনি বলেন, ‘গত ৫০ বছরে মন্টু সাহেবের কোনো পরিবর্তন হয়নি; এটি তার প্রমাণ।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওনাদের আগেও একবার বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে এবার সিনিয়র নেতাদের পরামর্শ অনুয়ায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জানতে চাইলে মোস্তফা মহসীন মন্টু বলেন, ‘মানববন্ধনের সঙ্গে ড. কামালের সংবাদ সম্মেলনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি ভিন্ন ইস্যুতে নেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘মোকাব্বির খান এমন কোনো কেউকেটা নন যে তাঁকে কেন্দ্র করেই পাল্টা কর্মসূচি দিতে হবে। তাঁকে লন্ডন থেকে ধরে এনে গণফোরামের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া এমপি কিভাবে হয়েছেন তাও সবাই জানেন।’

জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মন্টু সমর্থিত অংশের ডাকা বর্ধিত সভার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে আজ সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন ড. কামাল হোসেন। তিনি সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান ও শফিক উল্লাহ অংশকে সমর্থন করছেন বলে জানা গেছে। সংবাদ সম্মেলনের আগে আজ সকাল ১১টায় মতিঝিলে নিজ চেম্বারে ওই অংশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক ও পরামর্শ করে করণীয় নির্ধারণ শেষে ড. কামাল সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন। দলের দুই অংশের বিবাদের মধ্যে তিনি আজ তাঁর অবস্থান ঘোষণা করবেন। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের দাবি, মন্টু সমর্থিত অংশকে তিনি বহিষ্কারও করতে পারেন।

দুই অংশের বিরোধের সূত্র ধরে এর আগে এই অংশের নেতাদের আরো একবার বহিষ্কার করা হয়েছিল। কিন্তু গত ডিসেম্বরে দলকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েও ড. কামাল হোসেন শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেননি। তিনি একেক সময় একেক অংশের পরামর্শে চলে সময়ক্ষেপণ করেছেন। এখন তিনি মোকাব্বির খান সমর্থিত অংশের পরামর্শে চলছেন বলে তাঁর বিরোধীরা মনে করেন। ফলে শেষ পর্যন্ত মন্টু সমর্থিত অংশ ক্ষুব্ধ হয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবে বর্ধিত সভা ডেকে দলের কাউন্সিলের তারিখ ঘোষণা করে। ওই সভায় অবশ্য সভাপতির পদ থেকে ড. কামাল হোসেনকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেন সাবেক নির্বাহী সভাপতি মহসিন রশীদ। এ ঘটনায় ড. কামাল হোসেন ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ফেনীতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দুই মেয়েসহ মা দগ্ধ

0

জেলা প্রতিনিধি, ফেনী : ফেনীতে বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (৫ মার্চ) রাত সাড়ে দশটার দিকে শহরের শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়কের হলিক্রিসেন্ট স্কুল সংলগ্ন বিল্ডিংয়ে এ ঘটনা ঘটে।

ফেনী শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সুদ্বীপ চন্দ্র রায় জানান, হলিক্রিসেন্ট স্কুল সংলগ্ন হাজী দুলা মিয়া সড়কের সফি ম্যানশনের পঞ্চম তলায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আওয়াজ শুনে প্রতিবেশীরা এসে দগ্ধ অবস্থায় গৃহকর্ত্রী মেহেরুন নেছা ও তার দুই মেয়ে হাফসা ও মরিয়মকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। আহত হাফসা একাদশ শ্রেণি ও মরিয়ম দশম শ্রেণির ছাত্রী।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার নয়ন চন্দ্র দেবনাথ জানান, আহত তিনজনের মধ্যে দু’জনের দগ্ধের পরিমাণ ৫০ ভাগের বেশি থাকায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ফায়ার সার্ভিসের ফেনী সদর উপজেলা সিনিয়র স্টেশন মাস্টার জাকির হোসেন জানান, আমরা ১০টা ২০ মিনিটের দিকে ঘটনা জানতে পারি। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই প্রতিবেশীরা আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে তারা কিভাবে দগ্ধ হয়েছেন তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

সিদ্ধিরগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ৩৮ লাখ টাকা ছিনতাই

0

জেলা প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ননারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ‘ডিবি’ পরিচয়ে পরিতোষ চন্দ্র ধর (৫০) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩৮ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি একটি মামলা করেছেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঘটনাটি ঘটেছে বলে মামলা সূত্রে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী পরিতোষ।

তিনি জানান, শ্যালক জীবন ধর (২৮) ও ভায়রা শিলীপ কুমার ধরের (৫৩) সঙ্গে যৌথ মালিকানায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুস সালাম মার্কেটে অলঙ্কারের ব্যবসা করছেন পরিতোষ। ২০ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়িক কাজে ঢাকায় আসেন তিনি। পুরান ঢাকার তাঁতি বাজারের রিজভী জুয়েলার্স থেকে ৬০ ভরি স্বর্ণ বিক্রি বাবদ ৩৮ লাখ টাকা বুঝে নেন তিনি। একটি কালো রংয়ের কাঁধে ঝোলানো ব্যাগে ৩০ লাখ এবং লাল রংয়ের একটি শপিং ব্যাগে বাকি ৮ লাখ টাকা নিয়ে তিনি চট্টগ্রামে যাওয়ার জন্য ওইদিন বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে সায়েদাবাদ জনতার মোড় থেকে খাদিজা ভিআইপি সার্ভিস নামে একটি পরিবহনের বাসে ওঠেন। বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে বাসটি নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের পশ্চিম ঢালে পৌঁছালে অজ্ঞাত ৪ ব্যক্তি দুটি মোটারসাইকেলে এসে বাসটির গতিরোধ করে। ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাসটি থামানোর জন্য বললে চালক বাসটি থামায়।

পরিতোষ বলেন, এরপর ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সী তিনজন লোক বাসে উঠে এবং আমার কাছে ব্যাগ কোথায় জানতে চায়। আমি তাদের পরিচয় জানতে চাইলে দুটি পিস্তল ও আইডি কার্ড বের করে নিজেদের ডিবির লোক হিসেবে পরিচয় দেয় তারা। তাদের একজনের পরনে কালো রংয়ের ফুলহাতা শার্ট, অপরজনের পরনে ছিল অ্যাশ কালার টি-শার্ট। অন্যজন ড্রাইভারের কাছাকাছি ছিল। ওই ব্যক্তিরা আমার দুটি টাকার ব্যাগ তাদের হাতে নিয়ে বলে ‘তুই হুন্ডি ব্যবসা করিস, তোকে আমাদের সাথে থানায় যেতে হবে।’ তারা আমাকে বাস থেকে নামিয়ে বাসের ড্রাইভারকে বাস নিয়ে চলে যেতে বলে।

তিনি আরও বলেন, ‘বাসটি চলে যাওয়ার পর তারা আমার টাকার ব্যাগ দুটি নিয়ে আমাকে ব্রিজের ঢালে ফেলে রেখে দ্রুত মোটরসাইকেল করে চিটাগাং রোডের দিকে চলে যায়।’

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলার কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে আমরা বিভিন্ন স্থানের সিসি টিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করছি। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে প্রযুক্তি ব্যবহারসহ নানাভাবে চেষ্টা করছি।’

চলে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম

13

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক (এইচ টি) ইমাম আর নেই। বুধবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া রাতে তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এইচ টি ইমামের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেছিলেন, অত্যন্ত বেদনার সঙ্গে জানাচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম রাত ১টা ১৫ মিনিটে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। জানাজা এবং দাফনের বিষয়টি পরে অবহিত করা হবে।

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে বুধবার পরিবারের সদস্যরা জানান, কয়েকদিন ধরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন এইচ টি ইমাম। মঙ্গলবার থেকে তার শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ।

সূত্র জানায়, এইচ টি ইমাম দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি অসুস্থতা বাড়লে তাকে সিএমএইচে নেওয়া হয়।

২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হোসেন তৌফিক ইমাম। যিনি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এইচ টি ইমাম নামে পরিচিত। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

চারজাতি ফুটবল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ

5

স্পোর্টস ডেস্ক : ২৫ মার্চ আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচটি হচ্ছে নাকি হচ্ছে না? হ্যা বা না কিছুই বলেনি এএফসি। বাংলাদেশ অনড় নির্ধারিত সময়ে ম্যাচটি সিলেটে আয়োজন করতে। অন্যদিকে আফগানিস্তান না আসার সিদ্ধান্তে অটল।

গত সপ্তাহেই বিষয়টি ফয়সালা করার কথা ছিল এএফসির। পরে বাফুফেকে মেইলে জানিয়েছিল, কয়েকদিন সময় লাগবে। সে সময় এখনো হয়নি এশিয়ান ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাটির।

দুই দলের অনড় অবস্থান, এএফসির সিদ্ধান্ত জানাতে কালক্ষেপণ, সবকিছুর যোগফল বলছে ম্যাচটি ২৫ মার্চ হচ্ছে না। না হলে ম্যাচ যে জুনে চলে যাবে এবং সেন্ট্রাল ভেন্যুতে হবে তা আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে এএফসি। ২৫ মার্চের পরিবর্তে ৩ জুন বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য ভেন্যু দোহা।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে মার্চে ম্যাচ না হলে বাংলাদেশ খেলবে নেপাল আয়োজিত চারজাতি টুর্নামেন্টে। মার্চে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের যে ম্যাচ ছিল নেপালের, তা পিছিয়ে চলে গেছে জুনে। যে কারণে অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন মার্চের ফিফা উইন্ডোতে চারজাতি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

করোনার মধ্যেই দেশটি বাংলাদেশে এসে দুই ম্যাচের বঙ্গবন্ধু ফিফা ফ্রেন্ডলি সিরিজ খেলে গেছে। এবার তারা বাংলাদেশকে পেতে চায় নিজেদের মাঠে। ইতিমধ্যে ওই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ না করবে কিভাবে?

কবে হবে টুর্নামেন্ট? ২১ থেকে ৩০ মার্চ ফিফা উইন্ডো আছে। এই সময়ের মধ্যে টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে নেপাল। কাঠমান্ডু অথবা দেশটির দ্বিতীয় বড় শহর পোখারায় হবে এই টুর্নামেন্ট।

বাংলাদেশ ও নেপাল ছাড়া চারজাতি টুর্নামেন্টের অন্য দুটি দেশের একটি হবে আফ্রিকার, অন্যটি হতে পারে ওসেনিয়া অঞ্চলের। আফ্রিকার লাইবেরিয়া ও ওসেনিয়া অঞ্চলের তাহিতিকে টুর্নামেন্টে আমন্ত্রণ জানিয়েছে নেপাল।

গেইল টি-টুয়েন্টির ঈশ্বর, তবে সে একাই সব নয় : স্টেইন

77

স্পোর্টস ডেস্ক : তারকাখচিত দল গড়েও চলতি পাকিস্তান সুপার লিগে এখনও জয় পায়নি কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরস। এ পর্যন্ত খেলা তিন ম্যাচের সবকয়টি হেরে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে পড়ে রয়েছে তারা। দলটির হয়ে প্রথম দুই ম্যাচ খেলে দেশের ডাকে ফিরে গেছেন টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের রাজা, দ্য ইউনিভার্স বস ক্রিস গেইল।

নিজের খেলা দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন ক্যারিবীয় দানব গেইল। প্রথম ম্যাচে ২৪ ম্যাচে ৩৯ রানের পর দ্বিতীয় ম্যাচে খেলেন ৪০ বলে ৬৮ রানের ইনিংস। কিন্তু কোনো ম্যাচেই জেতেনি কোয়েটা। গেইল ফিরে যাওয়ার পরেও তারা হেরেছে একটি ম্যাচ। এখন ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া দলটি।

কোয়েটার হয়ে খেলছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি পেসার ডেল স্টেইন। তিনি মেনে নিয়েছেন, টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে গেইল অনেক বড় নাম। তাকে টি-টুয়েন্টি ঈশ্বর বলেই অভিহিত করেছেন স্টেইন। তবে গেইল একাই যে দলের সব নয়, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রোটিয়া তারকা।

ক্রিকেট পাকিস্তানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্টেইন বলেন, ‘ক্রিস গেইল রীতিমতো অদ্ভুত একজন। সে টি-টুয়েন্টির ঈশ্বর। তবে আপনি যদি তার বদলি খেলোয়াড়ের জন্য আমাদের স্কোয়াডের দিকে তাকান, তারা সবাই দুর্দান্ত খেলোয়াড়। ফাফ ডু প্লেসি এসেছে, টম ব্যান্টন দুই বছর ধরে খেলছে এবং ভালো করছে। আমি মনে করি না, একজন খেলোয়াড় ক্রিকেট ম্যাচ জেতাতে পারে। সবারই এগিয়ে আসতে হবে।’

এখনও জয়ের দেখা না পাওয়ার ব্যাপারে খুব একটা চিন্তিত নন স্টেইন, ‘আমি খুব একটা বিচলিত নই। তবে পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে জয় পেলে ভালো লাগত। তিনটি খেলে একটি জয় থাকলে আমাদের জন্য ভালো হতো। আশা করি সামনের ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে পারব।’

দুই গাঁজাসেবীকে আটকের পর তাবলীগে পাঠাল পুলিশ

38

নিজস্ব প্রতিবেদক : শেরপুরের ষাটোর্ধ দুই গাঁজাসেবীকে আটকের পর তাবলীগে পাঠালেন শেরপুরের ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফায়েজুর রহমান। রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আটকের পর নিয়মিত গাঁজা সেবনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা। এরপর তাদের তাবলীগে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

গাঁজাসেবী ওই দুজনের মধ্যে একজন কাঁচামাল ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান হবি (৬৫)। তিনি ঝিনাইগাতী উপজেলার উত্তর ধানশাইল চকপাড়া এলাকার মৃত রহিম মণ্ডলের ছেলে। তিনি জামালপুর ব্রহ্মপুত্র ব্রিজ এলাকা থেকে পাইকারি কাঁচা বাজার ক্রয় করে স্থানীয় বাজারগুলোতে বিক্রি করতেন।

অপরজন মো. ওমর মিয়া (৬৫)। তিনি একই উপজেলার পশ্চিম বাকাকুড়া এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন গাঁজা সেবনের ফলে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।

ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফায়েজুর রহমান বলেন, ওই দুই গাঁজাসেবী ইতোপূর্বে গাঁজা সেবনের দায়ে হাজত খেটেছেন। রবিবার আটকের পর তারা সুস্থ জীবনে ফেরার অনুরোধ করলে তাদের তাবলীগে পাঠানোর প্রস্তাব দেই। এ সময় তারা দুজনেই খুশিমনে রাজি হয়ে যায়।

পরে এই পুলিশ কর্মকর্তার নিজস্ব অর্থায়নে তাদের জন্য নতুন পাঞ্জাবী-পাজামা ও টুপি কিনে দিয়ে ঝিনাইগাতী থানা জামে মসজিদের পেশ ইমামের মাধ্যমে তাবলীগে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। সোমবার (১ মার্চ) সকালে তারা চিল্লায় (তাবলীগ জামাত) যোগ দিবেন বলে জানা যায়।

ঝিনাইগাতী থানার ওসি আরও বলেন, যে কোনো মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই স্থানীয়ভাবে যাতে কোন মাদকসেবী মাদক গ্রহণ ও ব্যবসা করতে না পারে। এ জন্য আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে ও থাকবে।

তার মতে, আমরা চাই, সকল মাদকসেবীই সুস্থ জীবনে ফিরে আসুক। তাই আমরা বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সৃষ্টির ব্যাপারেও জোর দিই। এরই ধারাবাহিকতায় আজ দুজনকে আমরা তাবলীগে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি। আশা করছি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারাও সুস্থ জীবনে ফিরে আসবে।

সুস্থ হয়ে উঠছে নীলগাইটি, নেওয়া হবে পিলখানায়

32

জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও : বিজিবি ও স্থানীয় প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়নে এখন অনেকটাই সুস্থ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে উদ্ধার হওয়া বিরল প্রজাতির নীলগাইটি।

সোমবার (১ মার্চ) সকালে উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের কান্তিভিটা বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

নীলগাইটির চারপাশে বাশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভিতরে খাবার হিসেবে লতা-পাতা এবং পানি প্রদান করা হয়েছে। নীলগাইটি নিয়মিত খাবার খাচ্ছে এবং পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাসিরুল ইসলাম জানান, দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য তারা নিয়মিত নীলগাইটিকে চিকিৎসা প্রদান করছেন। সুস্থ হলে (১৫-২১ দিন) বিজিবির হেড কোয়ার্টার পিলখানায় নীলগাইটিকে নিয়ে রাখা হবে বলে বিজিবি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সীমান্তে ছুটোছুটি করার সময় ধাওয়া করে নদী থেকে নীলগাইটিকে আটক করে গ্রামবাসী। খবর পেয়ে কান্তিভিটা ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা নীলগাইটি ক্যাম্পে নিয়ে আসে।

আরও পড়ুন : আজ থেকে দুই মাস ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাণী সম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (এলইডিপি) ডা. নিয়ামুল শাহাদাৎ বলেন, ভারতীয় উপকুল অঞ্চলে বসবাস করে নীলগাইগুলো। এরা মানুষ দেখলে আত্মরক্ষার জন্য ছুটোছুটি করে।

বিজিবি ঠাকুরগাঁও ৫০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শহিদুল ইসলাম জানান, নীলগাইটি তাদের কাছে থাকবে। তারা এটিকে সুস্থ করতে জোর চেষ্টা করছেন।

বীমা খাতে উন্নয়নে ৬৩২ কোটির প্রকল্প চলমান

292

নিজস্ব প্রতিবেদক : বীমা খাতে উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ৬৩২ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাকাডেমির সক্ষমতা বৃদ্ধি ও অটোমেশনের জন্য ৬৩২ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে দেশের বীমা খাতের সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আমি মনে করি।

জাতীয় বীমা দিবস উপলক্ষে সোমবার (১ মার্চ) এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বীমা পেশায় যোগদানের স্মৃতি বিজড়িত ১ মার্চ ‘জাতীয় বীমা দিবস’ পালন হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে বীমা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, বীমা হোক সবার’ যথার্থ হয়েছে বলেও আমি মনে করি।

তিনি বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে বীমার গুরুত্ব এবং এর অবদানের বিষয়টি বিবেচনা করে স্বাধীনতার পর বীমা শিল্পকে অধিকতর অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়নের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর সরকার ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স (জাতীয়করণ) আদেশ-১৯৭২ জারি করে। ৪৯টি দেশি-বিদেশি বীমা কোম্পানিকে জাতীয়করণের মাধ্যমে সুরমা, রূপসা, তিস্তা এবং কর্ণফুলী নামে চারটি বীমা করপোরেশন গঠন করেছিলেন তিনি। একই সাথে এই চারটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে জাতীয় বীমা করপোরেশন গঠন করেন।

পরবর্তীতে অল্প সময়ের মধ্যে দেশের বীমা শিল্পের উন্নয়নে ‘ইন্স্যুরেন্স করপোরেশন আইন-১৯৭৩’ প্রণয়ন করে এই চারটি করপোরেশনকে ভেঙে ‘জীবন বীমা করপোরেশন’ এবং ‘সাধারণ বীমা করপোরেশন’ নামে দুটি পৃথক বীমা করপোরেশন গঠন করেন। এ দুটি করপোরেশন এখনও দেশে বীমা ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে দেশের জনগণকে বীমা সেবা দিয়ে আসছে। পাশাপাশি বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বীমা অধিদপ্তর গঠন করা হয়।

সরকারপ্রধান বলেন, বীমা শিল্পের উন্নয়নে জাতির পিতার দেখানো পথ অনুসরণ করে ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে আওয়ামী লীগ সরকার বীমার গুরুত্ব ও সুফল জনগণের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। পুরাতন বীমা আইন-১৯৩৮ কে রহিত করে সময়োপযোগী ‘বীমা আইন-২০১০’ এবং ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন-২০১০’ প্রণয়নপূর্বক তৎকালীন বীমা অধিদপ্তরকে বিলুপ্ত করে ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ’ গঠন করা হয়। ‘জাতীয় বীমা নীতি-২০১৪’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বীমা খাতের বিকাশে আমাদের সরকার যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে বিদেশগামী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য প্রবাসী কর্মী বীমা, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি মোকাবিলায় হাওড় এলাকায় সীমিত পরিসরে আবহাওয়া সূচকভিত্তিক শস্য বীমা চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার জন্মশতবর্ষে তার স্মৃতিবিজড়িত আজকের এই দিনে বীমার শুভবার্তা দেশের সব নাগরিকের কাছে পৌঁছে যাক, দেশের সব মানুষ এবং সম্পদ বীমা সেবার আওতায় আসুক– এই প্রত্যাশায় আমি জাতীয় বীমা দিবসের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।’

ভারতের কাছ থেকে ভিসার নিশ্চয়তা পেয়েছে পাকিস্তান

3

স্পোর্টস ডেস্ক : ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে আগামী টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। যেখানে পাকিস্তান অংশ নিতে পারবে কি পারবে না তা নিয়ে চলছিল বড় একটি দ্বীধা-দ্বন্দ্ব। বিশেষ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আইসিসির কাছে বারবারই বলা হচ্ছে, তারা যেন ভারতের কাছ থেকে ভিসা নিশ্চয়তা এনে দেয় এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এনে দেয়।

শুধুমাত্র পাকিস্তানি ক্রিকেটারই নয়, কর্মকর্তা এবং ক্রিকেট সমর্থকদের ভিসা প্রাপ্তির বিষয়েও যেন নিশ্চয়তা এনে দেওয়া হয়। কয়েকদিন আগেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান এহসান মানি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ভিসার নিশ্চয়তা না পেলে তারা ভারত থেকে বিশ্বকাপ সরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানাবেন।

শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের দাবি মেনে নিয়েছে ভারত। আইসিসি ভারতের কাছ থেকে পাকিস্তানের দাবির ব্যাপারে নিশ্চয়তা পেয়েছে বলে জানিয়েছে। বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন খোদ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান এহসান মানি নিজেই।

পিসিবি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, আইসিসি তাদেরকে জানিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তানি ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, সমর্থন এবং সাংবাদিকদের ভিসা দিতে রাজি হয়েছে। এ ব্যাপারে পূর্ণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

এহসান মানি একই সঙ্গে এটাও জানিয়েছেন, আগামী জুনে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টটি পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। কারণ, যদি ভারত আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে, তাহলে।

এহসান মানি বলেন, ‘আমি আমাদের বোর্ডকে জানিয়েছি যে, বিসিসিআই আমাদেরকে ভিসার নিশ্চয়তা দেওয়ার কথা ছিল ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে। কিন্তু তা হয়নি। কারণ, তাদের বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ২ বার হসপিটালাইজড হয়েছেন। তবে আমি বিষয়টা যখন আবারও আইসিসির কাছে তুললাম এবং তাদের (বিসিসিআই) সাথে বিষয়টা নিয়ে আলাপ করলাম, তখন আইসিসি আমাদেরকে নিশ্চয়তা দিয়েছে যে, বিসিসিআই দাবি মেনে নিয়েছে। আমি আগামীকাল (সোমবার) এ নিয়ে আরও একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করবো।’

পিসিবি জানাচ্ছে, ভারতের কাছ থেকে ভিসা নিশ্চয়তা চাওয়াটা তাদের অধিকার এবং কারও কোনো ক্ষমতা নেই যে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ থেকে দুরে রাখবে। এহসান মানি বলেন, ‘হয় আমরা পূর্ণ প্রটোকল সহকারে যাব টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে, না হয় বিশ্বকাপই ভারত থেকে সরে যেতে বাধ্য হবে।’

Dhaka, BD
haze
25 ° C
25 °
25 °
69 %
5.1kmh
20 %
শনি
35 °
রবি
35 °
সোম
36 °
মঙ্গল
37 °
বুধ
38 °

সর্বাধিক পঠিত