রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে মসজিদটি নির্মিত হয় ষাটের দশকে। তখন থেকেই লোকে এটাকে অ্যারোপ্লেন মসজিদ কিংবা বিমান মসজিদ বলে ডাকে। ঢাকার প্রায় সবার কাছেই পরিচিত ব্যতিক্রমি মসজিদটি।
স্থাপত্যশৈলী নান্দনিক হলেও মূল আকর্ষণ হলো পাঁচতলা এই মসজিদে বসানো অতিকায় এক উড়োজাহাজের মডেল। প্রচণ্ড ভিড়, ট্রাফিক উপেক্ষা করেও অনেকে এখানে আসেন মসজিদটি দেখবেন বলে। মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা মোঃ ইসমাইল। ১৯৮১ সালে তিনি মারা যান।
মোঃ ইসমাইলের বাবা মোঃ ইব্রাহিম ছিলেন ঢাকার নবাবদের স্টেটের মুনশি। সে সুবাদে নীলক্ষেত ও লালমাটিয়া এলাকায় তিনি প্রায় দুই হাজার বিঘা জমির মালিকানা পান।
বাবার মৃত্যুর পর মোঃ ইসমাইল নিজেদের প্রায় ৯ কাঠা জমির ওপর ১৯৬০ সালে মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। মোঃ ইসমাইলের ছোট ছেলে আনিসুর রহমানের সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠালগ্নে মসজিদটি ছিল একতলা। মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর ছাদে উড়োজাহাজের একটি মডেল স্থাপন করা হয়।
স্বাধীনতার পর একতলা মসজিদটি দোতলা করা হয়। যতবার মসজিদের উচ্চতা বাড়ানো হয়েছে , ততবার উড়োজাহাজের মডেলটিকে উপরে তোলা হয়েছে। মিনারের চূড়ায় ৬০ বছরের পুরনো উড়োজাহাজটি অক্ষত আছে এখনও।
১৯৭৯ সালে মসজিদটি ওয়াক্ফ সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০০২ সালে এই মসজিদটিতে আবাসিক মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু হয়।
সময়ের পালাক্রমে ধীরে ধীরে মসজিদটি সম্প্রসারিত হয়েছে। বদলেছে সড়কের নামও। সড়কটির নাম এখন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম স্বরণী। বিখ্যাত অ্যারোপ্লেন মসজিদের সহকারী ইমাম বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদ। ঢাকায় এমন মসজিদ আর পাওয়া যাবে না। মানুষ মসজিদটি দেখতে আসেন, নামাজ পড়েন, ভালো লাগে।’
মসজিদটিতে অর্ধ শতাধিক আবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছে। এর পরিচালনার দায়িত্বে আছেন প্রয়াত মোঃ ইসমাইলের পরিবারের সদস্যরা। মসজিদের অধীনে কিছু দোকান রয়েছে। মূলত, দোকানভাড়া ও দানবাক্সে পাওয়া অর্থ দিয়েই মসজিদটি পরিচালনা করা হয়।
তবে মসজিদের নাম কেন অ্যারোপ্লেন মসজিদ রাখা হয়েছে তার সঠিক তথ্য জানা যাইনি। ধারণা করা হয় প্রতিষ্ঠাতা মোঃ ইব্রাহিম মসজিদটিকে একটি অন্যরকম ল্যান্ডমার্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতেই এমন নাম রেখেছেন। ষাটের দশকে ‘ছাতা মসজিদ’, ‘জাহাজ মসজিদ’ ইত্যাদি নামে মসজিদ ছিল। এ কারণে সম্ভবত তিনি এমন নাম রেখেছেন।










Have you ever thought about including a little bit more than just your articles?
I mean, what you say is fundamental and everything.
However think about if you added some great pictures or video clips to give your posts more,
“pop”! Your content is excellent but with pics and clips, this blog could undeniably be one of the very
best in its niche. Superb blog!
Hey very interesting blog!
No matter if some one searches for his required thing, so
he/she wishes to be available that in detail, therefore
that thing is maintained over here.
Thanks for sharing your thoughts about 더킹 카지노.
Regards
I am truly pleased to read this weblog posts which includes lots of useful information, thanks for
providing these kinds of data.
Hello, i believe that i noticed you visited my blog thus i
came to go back the prefer?.I’m attempting to in finding things to enhance my site!I suppose
its adequate to make use of some of your ideas!!
This is a great tip especially to those fresh to the blogosphere.
Brief but very accurate information… Thanks for sharing this one.
A must read article!
I’m not sure where you’re getting your info, but good topic. I needs to spend some time learning much more or understanding more. Thanks for great information I was looking for this info for my mission.
Comments are closed.