জঙ্গলে ছিলেন ৪১ বছর, পৃথিবীতে নারী আছে জানতেনই না তিনি!

44
111
জঙ্গলে ছিলেন ৪১ বছর, পৃথিবীতে নারী আছে জানতেনই না তিনি!

বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে ৪১ বছর জঙ্গলে কাটিয়েছেন তিনি। পৃথিবীতে যে নারী আছে, সেটা জানতেনই না তিনি! শুনতে অবাক লাগলেও এমনটা ঘটেছে। তাই ভিয়েতনামের ওই ব্যক্তিকে ‘বাস্তবের টারজান’ বলা হচ্ছে। খবর টাইমস নাউ নিউজের।

ভিয়েতনাম যুদ্ধ চলাকালে ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফেলা একটি বোমার আঘাতে হো ভান ল্যাং নামে ওই ব্যক্তির মা ও দুই ভাইবোন মারা যায়। এরপরই বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে কুয়াং এনগাই প্রদেশে তে ত্রা জেলার গভীর জঙ্গলে বসতি গড়ে তোলেন তিনি।

গত চার দশকে তারা মাত্র পাঁচজন মানুষকে দেখেছে এবং প্রতিবারই তারা ওই ব্যক্তিদের থেকে পালিয়ে গেছে।

এই দীর্ঘ সময় তারা মধু, ফলমূল এবং বন্য প্রাণী খেয়েছেন। জঙ্গলের মধ্যেই ঘর তৈরি করে সেখানে থেকেছেন তারা।

২০১৫ সালে আলভারো সেরেজো নামের একজন ফটোগ্রাফার ওই পরিবারকে খুঁজে বের করে। পরে তাদের ‘উদ্ধার’ করে স্থানীয় একটি গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে নারীরা বাস করে।

সেরেজো বলেন, ল্যাংয়ের বাবার মনের মধ্যে ভয় ঢুকে গিয়েছিল। তিনি বিশ্বাসই করতে পারেননি যে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছে। তিনি বলেন, তারা দূর থেকে কাউকে দেখলে পালিয়ে যেতো। ল্যাং এখনও নারী ও পুরুষের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য জানে না বলেও জানান সেরেজো।

ল্যাংয়ের ভাই ত্রি তাকে ‘পুরুষের শরীরে শিশু’ বলে বর্ণনা করেছেন। ল্যাং ‘সমাজের মৌলিক অনেক কিছুই’ বুঝতে পারে না।

44 COMMENTS

  1. Hello there, I found your site via Google while looking for a similar matter, your web site came up,
    it appears to be like good. I’ve bookmarked it in my google
    bookmarks.
    Hi there, just become alert to your blog thru Google, and found that it is really informative.
    I’m gonna watch out for brussels. I will appreciate if you proceed this in future.
    A lot of other people will be benefited out of your writing.
    Cheers!

  2. With havin so much content and articles do yoou ever run into any issues of
    plagorism or copyright violation? My website has a lot of unique content I’ve either created myself or
    outsourced but it seems a lot of it is popping it
    up all over the internet without my authorization. Do you know any methods to help
    prevent content from being stolen? I’d truly appreciate it.

Comments are closed.