কঠোর বিধিনিষেধে যেসব ‘কড়াকড়ি শর্ত’ যুক্তের সম্ভাবনা!

2
183

দেশে মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি চলছে। ভারতীয় তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সামাজিক সংক্রমণ হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে কেবল ‘বিধিনিষেধ’ নয়, ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। এবারের কঠোর বিধিনিষেধের সামগ্রিক চিত্র আগের যেকোনো বিধিনিষেধের চেয়ে ভিন্নতর হবে, এতে নতুন নতুন কিছু শর্ত যুক্ত থাকার কথা শোনা যাচ্ছে। যা বাস্তবায়নে মাঠে নামানো হচ্ছে- সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) এ বিষয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানা গেছে। বলা হচ্ছে, আগামীকাল ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ভোর ৬টা থেকে সারাদেশে ৭ দিনের জন্য জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচল এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা বন্ধ থাকবে। কেবল ‘জরুরি নয়’, ‘খুব জরুরি’ হলেই বের হওয়ার বৈধতার সুযোগ থাকছে নাগরিকদের। তবে এরমধ্যেও একাধিক শর্তযুক্ত থাকবে বলে জানা গেছে।

এবারের কঠোর বিধিনিষেধে জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছুই বন্ধ রাখার কথা বলা হচ্ছে।

সরকারি এক তথ্য বিবরণী থেকে জানা গেছে, কঠোর বিধিনিষেধে জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী কর্মকর্তারা ছাড়া এবং জরুরি কারণ ছাড়া ঘরের বাইরে কেউ বের হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিস্থিতিতে ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ অমান্য বা ভঙ্গকারীদের কাছ থেকে ‘জরিমানা’ আদায়ের কথা ভাবছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা, তবে এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এমনকি ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ যথাযথভাবে কার্যকর করতে প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর ‘মোবাইল কোর্ট’ মাঠে নামানোর কথাও ভাবা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এবারের বিধিনিষেধে মাস্ক পরিধান ও জরুরি সেবা গ্রহণকারীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হবে।

কেবল তা’ই নয় আগের লকডাউনের মতো এবারও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে নির্দিষ্ট সংখ্যক মুসল্লি নিয়ে মসজিদে জামায়াতে নামাজ আদায়ের বিষয়ে বিধিনিষেধ আরোপের কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানা গেছে। যে নিয়ম অন্যান্য ধর্মালম্বিদের জমায়েতেও প্রযোজ্য হবে বলে নির্দেশনায় আসতে পারে।

উল্লেখ্য, বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত প্রজ্ঞাপন আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি হবে। এরপরই কি কি বিধিনিষেধ থাকবে, আর কি কি থাকবে না তা স্পষ্ট হবে।