স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের দাবি

0
53

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলোকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক সমিতি।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক গোলটেবিল বৈঠক থেকে এ দাবি জানানো হয়।

বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও ধর্ম বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান আল্লামা শায়খ খন্দকার গোলাম মাওলা নকশাবন্দী।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন—সমিতির সভাপতি কাজী ফয়জুর রহমান, মহাসচিব কাজী মখলেসুর রহমানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সংগঠন এবং মাদরাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা ও নেতারা।

বক্তারা বলেন, ইসলামি শিক্ষার বুনিয়াদ হচ্ছে ইবতেদায়ি মাদরাসা। মাদরাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়। বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাল মেলাতে এনসিটিবি কর্তৃক প্রকাশিত শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী কুরআন-সুন্নাহ এবং আরবি ভাষায় শিক্ষাদানের পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান পাঠদান করে আসছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রাইমারির মতো শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ, বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ, পঞ্চম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর দাখিল মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়। প্রাথমিকের মত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে উপবৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

বক্তারা বলেন, প্রাথমিকের মতো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এই মাদরাসাগুলোতে পাঠদান করা হয়। সরকারের বিভিন্ন কাজে প্রাইমারি শিক্ষকদের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরাও সহযোগিতা করে থাকেন। প্রাইমারি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করার পরেও ২০১৩ সালে বর্তমান সরকার ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে। অথচ মাত্র ১ হাজার ৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা নামমাত্র ভাতা পান। এ অবস্থায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলো মুজিববর্ষে জাতীয়করণের দাবি জানাচ্ছি।